দৈনিক উত্তরের নিউজ
প্রকাশ : শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬

তারিখ=০৯/০৮/২০২৬ ইং  বন্দরের রাস্তার ফোরলেন কাজের উদ্ভোধন করলেন ডা. জাহিদ

তারিখ=০৯/০৮/২০২৬ ইং বন্দরের রাস্তার ফোরলেন কাজের উদ্ভোধন করলেন ডা. জাহিদ

ছাত্রদল থেকে ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃত্বে ৩৫ বছরের সংগ্রাম—১৬ মামলার ঝড় পেরিয়ে এবার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সেই শিক্ষক নেতা

ছাত্রদল থেকে ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃত্বে ৩৫ বছরের সংগ্রাম—১৬ মামলার ঝড় পেরিয়ে এবার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সেই শিক্ষক নেতা

মদনে ইজারার নামে চাঁদা আদায়, সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হুমকি

মদনে ইজারার নামে চাঁদা আদায়, সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হুমকি

ইউএনওকে জানানোর পরও ঠাকুরগাঁওয়ে বাল্যবিবাহ  কাজীর ‘খসড়া বিয়ে’ বক্তব্যে বিতর্ক, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন!

ইউএনওকে জানানোর পরও ঠাকুরগাঁওয়ে বাল্যবিবাহ কাজীর ‘খসড়া বিয়ে’ বক্তব্যে বিতর্ক, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন!

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ক্রয় কৃত জমি জবরদখলের চেষ্টা ও রোপণ কিত গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ক্রয় কৃত জমি জবরদখলের চেষ্টা ও রোপণ কিত গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে

১১দফা দাবীতে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপিপ্রদান

১১দফা দাবীতে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপিপ্রদান

তিস্তার আকস্মিক বন্যায় ভেঙে গেল সড়ক, ভোগান্তিতে ২ হাজার পরিবার

তিস্তার আকস্মিক বন্যায় ভেঙে গেল সড়ক, ভোগান্তিতে ২ হাজার পরিবার

ছাতকে পূর্ববিরোধের জেরে সংঘর্ষ: হত্যাচেষ্টা, গুরুতর জখম ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ছাতকে পূর্ববিরোধের জেরে সংঘর্ষ: হত্যাচেষ্টা, গুরুতর জখম ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

তাহিরপুর–বিশ্বম্ভরপুরে টিআর-কাবিটা প্রকল্পে ১০০ টি পাকা সড়ক নির্মাণ স্বস্তিতে হাজারো মানুষ।

তাহিরপুর–বিশ্বম্ভরপুরে টিআর-কাবিটা প্রকল্পে ১০০ টি পাকা সড়ক নির্মাণ স্বস্তিতে হাজারো মানুষ।

সুনামগঞ্জের হাওর অঞ্চল তাহিরপুর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় টিআর ও কাবিটা প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয়। নির্ধারিত বরাদ্দের মধ্যেই মাটির রাস্তার পরিবর্তে গ্রামীণ স্থায়ী সিসি পাকা সড়ক নির্মাণ করে স্থানীয় সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে এই দুই উপজেলা।

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে তাহিরপুর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় মোট ২১৫ টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১০০টি গ্রামীণ সিসি পাকা সড়ক এবং ১১৫ টি মাটির রাস্তা নির্মাণ করা হয়। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫ কোটি টাকা। এতে হাওরাঞ্চলের হাজারো মানুষের যাতায়াত সহজ হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম হয়েছে দৃশ্যমান ও টেকসই।

প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা যায়, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে কাবিটা কর্মসূচির আওতায় ১ কোটি ৩২ লক্ষ ৮৮ হাজার ৩৪৬ টাকা এবং টিআর প্রকল্পে ১ কোটি ১৩ লক্ষ ১৬ হাজার ৯৪৭ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এসব বরাদ্দে ইউনিয়নগুলোতে প্রায় ৯০ টি ছোট সিসি পাকা সড়ক, একাধিক কালভার্ট ও মাটির রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে তাহিরপুর উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে কাবিটা ও টিআর প্রকল্পের আওতায় ২ কোটি ২৮ লক্ষ ৮৯ হাজার ৭৪৪ টাকা ব্যয়ে মোট ১০৭টি প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। এসব প্রকল্পের মধ্যে প্রায় অধিকাংশ গ্রামীণ পাকা সড়ক নির্মাণের পাশাপাশি মসজিদ, মন্দির উন্নয়নসহ অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যয় করা হয়েছে। 

তাহিরপুর এবং বিশ্বম্ভরপুর  স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, পূর্বে গ্রামীণ সড়কে অধিকাংশ সময় মাটির কাজ হতো, যা বর্ষা মৌসুমে ভেঙে গিয়ে আবার নতুন করে নির্মাণের প্রয়োজন দেখা দিত। এবার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে সরেজমিন পরিদর্শনের মাধ্যমে পুরনো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলো চিহ্নিত করে ৭ থেকে ১২ ফুট প্রস্থ ও ৫০০ থেকে ১ হাজার মিটার দৈর্ঘ্যের সিসি পাকা সড়কে রূপান্তর করা হয়েছে। এতে তারা যেমন বিস্মিত হয়েছেন, তেমনি সন্তোষও প্রকাশ করেছেন।

তাহিরপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জুনাব আলী বলেন, স্বল্প বাজেটের মধ্যেই এবার একাধিক পাকা সড়ক করা সম্ভব হয়েছে। যদি বাজেট বাড়ানো হয় এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া হয়, তাহলে গ্রামীণ উন্নয়ন আরও সুষ্ঠু ও সুন্দর হবে।

শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. আলী হায়দার বলেন, আমার ইউনিয়ন বড় হলেও বরাদ্দ কম। তবুও এবার বেশ কয়েকটি পাকা সড়ক করা হয়েছে, যা হাজারো মানুষের যাতায়াত সহজ করেছে। ইউনিয়ন পরিষদকে স্বাধীনতা দিলে বদলে যাবে গ্রাম বাংলা।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিলন মিয়া বলেন, কাবিখা ও টিআর প্রকল্পে শিলডোয়ার ও রাজাপাড়া গ্রামের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। আরও বরাদ্দ পেলে এলাকার মানুষ আরও বেশি উপকৃত হবে।

তাহিরপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মুহিবুল ইসলাম বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে দুই উপজেলা মিলে ২১৫ টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশ বরাদ্দ গ্রামীণ পাকা সড়কে ব্যবহার করা হয়েছে। এতে যাতায়াত ব্যবস্থা স্থায়ী ও টেকসই হয়েছে।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল মতিন খান বলেন, সুনামগঞ্জ একটি বৃষ্টিপ্রবণ এলাকা। প্রতি বছর মাটির রাস্তা ধসে যায়। তাই এবছর আমরা স্থায়ী কাজের দিকে জোর দিয়েছি। চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের সহযোগিতায় বেশিরভাগ বরাদ্দ পাকা সড়ক নির্মাণে ব্যবহার করা হয়েছে। কাজের মান ও দুর্নীতি রোধে কঠোর নজরদারি রাখা হয়েছে।

স্থানীয়রা আশা করছেন, এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে ভবিষ্যতে হাওরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে এবং স্থানীয় সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক উত্তরের নিউজ

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


তাহিরপুর–বিশ্বম্ভরপুরে টিআর-কাবিটা প্রকল্পে ১০০ টি পাকা সড়ক নির্মাণ স্বস্তিতে হাজারো মানুষ।

প্রকাশের তারিখ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image



সুনামগঞ্জের হাওর অঞ্চল তাহিরপুর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় টিআর ও কাবিটা প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয়। নির্ধারিত বরাদ্দের মধ্যেই মাটির রাস্তার পরিবর্তে গ্রামীণ স্থায়ী সিসি পাকা সড়ক নির্মাণ করে স্থানীয় সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে এই দুই উপজেলা।

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে তাহিরপুর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় মোট ২১৫ টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১০০টি গ্রামীণ সিসি পাকা সড়ক এবং ১১৫ টি মাটির রাস্তা নির্মাণ করা হয়। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫ কোটি টাকা। এতে হাওরাঞ্চলের হাজারো মানুষের যাতায়াত সহজ হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম হয়েছে দৃশ্যমান ও টেকসই।

প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা যায়, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে কাবিটা কর্মসূচির আওতায় ১ কোটি ৩২ লক্ষ ৮৮ হাজার ৩৪৬ টাকা এবং টিআর প্রকল্পে ১ কোটি ১৩ লক্ষ ১৬ হাজার ৯৪৭ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এসব বরাদ্দে ইউনিয়নগুলোতে প্রায় ৯০ টি ছোট সিসি পাকা সড়ক, একাধিক কালভার্ট ও মাটির রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে তাহিরপুর উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে কাবিটা ও টিআর প্রকল্পের আওতায় ২ কোটি ২৮ লক্ষ ৮৯ হাজার ৭৪৪ টাকা ব্যয়ে মোট ১০৭টি প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। এসব প্রকল্পের মধ্যে প্রায় অধিকাংশ গ্রামীণ পাকা সড়ক নির্মাণের পাশাপাশি মসজিদ, মন্দির উন্নয়নসহ অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যয় করা হয়েছে। 

তাহিরপুর এবং বিশ্বম্ভরপুর  স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, পূর্বে গ্রামীণ সড়কে অধিকাংশ সময় মাটির কাজ হতো, যা বর্ষা মৌসুমে ভেঙে গিয়ে আবার নতুন করে নির্মাণের প্রয়োজন দেখা দিত। এবার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে সরেজমিন পরিদর্শনের মাধ্যমে পুরনো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলো চিহ্নিত করে ৭ থেকে ১২ ফুট প্রস্থ ও ৫০০ থেকে ১ হাজার মিটার দৈর্ঘ্যের সিসি পাকা সড়কে রূপান্তর করা হয়েছে। এতে তারা যেমন বিস্মিত হয়েছেন, তেমনি সন্তোষও প্রকাশ করেছেন।

তাহিরপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জুনাব আলী বলেন, স্বল্প বাজেটের মধ্যেই এবার একাধিক পাকা সড়ক করা সম্ভব হয়েছে। যদি বাজেট বাড়ানো হয় এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া হয়, তাহলে গ্রামীণ উন্নয়ন আরও সুষ্ঠু ও সুন্দর হবে।

শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. আলী হায়দার বলেন, আমার ইউনিয়ন বড় হলেও বরাদ্দ কম। তবুও এবার বেশ কয়েকটি পাকা সড়ক করা হয়েছে, যা হাজারো মানুষের যাতায়াত সহজ করেছে। ইউনিয়ন পরিষদকে স্বাধীনতা দিলে বদলে যাবে গ্রাম বাংলা।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিলন মিয়া বলেন, কাবিখা ও টিআর প্রকল্পে শিলডোয়ার ও রাজাপাড়া গ্রামের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। আরও বরাদ্দ পেলে এলাকার মানুষ আরও বেশি উপকৃত হবে।

তাহিরপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মুহিবুল ইসলাম বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে দুই উপজেলা মিলে ২১৫ টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশ বরাদ্দ গ্রামীণ পাকা সড়কে ব্যবহার করা হয়েছে। এতে যাতায়াত ব্যবস্থা স্থায়ী ও টেকসই হয়েছে।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল মতিন খান বলেন, সুনামগঞ্জ একটি বৃষ্টিপ্রবণ এলাকা। প্রতি বছর মাটির রাস্তা ধসে যায়। তাই এবছর আমরা স্থায়ী কাজের দিকে জোর দিয়েছি। চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের সহযোগিতায় বেশিরভাগ বরাদ্দ পাকা সড়ক নির্মাণে ব্যবহার করা হয়েছে। কাজের মান ও দুর্নীতি রোধে কঠোর নজরদারি রাখা হয়েছে।

স্থানীয়রা আশা করছেন, এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে ভবিষ্যতে হাওরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে এবং স্থানীয় সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।


দৈনিক উত্তরের নিউজ

প্রকাশকঃ এম কে পুলক আহম্মেদ
Email: dainikauttareraniuja@gmail.com
web www.dainikuttarernews.com

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উত্তরের নিউজ