সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের নারায়ণতলা খাস পাড়া এলাকায় বসতবাড়ির সীমানাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় স্বামী-স্ত্রী আহত হয়েছেন।
গুরুতর আহত মো মকবুল মিয়া (৩২) তার স্ত্রী তাসলিমা আক্তার (২৫)কে উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি ২০২৬)
সকাল সাড়ে ১০ টায় নারায়ণতলা খাসপাড়া এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
এ ঘটনায় আহতের শ্বশুর মো আব্দুল গফুর বাদী হয়ে ৬ জনকে অভিযুক্ত করে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগের মাধ্যমে জানা যায়,দীর্ঘদিন ধরেই বাড়ির সীমানা নিয়ে ব্যবসায়ি মকবুল মিয়ার সাথে একই এলাকার মৃত মোস্তাক মিয়ার ছেলে মো হোসেন মিয়ার বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে ঘটনার দিন সকালে হোসেন মিয়া গংরা মকবুল মিয়ার সীমানায় আদাপাকা দালান ঘর নির্মাণকালে বাধা দেওয়ার এক পযার্য়ে মকবুল মিয়া সহ তার পরিবারের উপর হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে।
আহত ব্যবসায়ি মকবুল মিয়া বলেন, আজ সকালে হোসেন মিয়া গংরা জোরপূর্বক আমাদের বসতবাড়ির সীমানায় বসতঘর নির্মাণকালে আমি বাঁধা দেওয়ার এক পযার্য়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমি সহ পরিবারের লোকজনকে কুপিয়ে জখম করেছে। আমাদের এই জায়গার উপর হোসেন মিয়া আদালতে স্বত্ব মামলা করার পর আদালত ঐ জায়গার উপর নিষেধাজ্ঞা জারী করে কিন্তু হোসেন মিয়া আদালত অমান্য করে স্থাপনা নির্মান করছে। বর্তমানে আমি সহ আমার পরিবারের লোকজন তাদের ভয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
অভিযুক্ত হেলাল মিয়া বলেন,হোসেন মিয়া ও মকবুল মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সীমানা নিয়ে বিরোধ। বুধবার সকালে হোসেন মিয়া স্থাপনা নির্মাণকালে মকবুল মিয়া বাধা সৃষ্টি করে। পরে কথা কাটাকাটির এক পযার্য়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো রতন শেখ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,বসতবাড়ির সীমানা নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এক পক্ষ সিলেটে অপর পক্ষ সুনামগঞ্জে চিকিৎসাধীন আছেন। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের নারায়ণতলা খাস পাড়া এলাকায় বসতবাড়ির সীমানাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় স্বামী-স্ত্রী আহত হয়েছেন।
গুরুতর আহত মো মকবুল মিয়া (৩২) তার স্ত্রী তাসলিমা আক্তার (২৫)কে উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি ২০২৬)
সকাল সাড়ে ১০ টায় নারায়ণতলা খাসপাড়া এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
এ ঘটনায় আহতের শ্বশুর মো আব্দুল গফুর বাদী হয়ে ৬ জনকে অভিযুক্ত করে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগের মাধ্যমে জানা যায়,দীর্ঘদিন ধরেই বাড়ির সীমানা নিয়ে ব্যবসায়ি মকবুল মিয়ার সাথে একই এলাকার মৃত মোস্তাক মিয়ার ছেলে মো হোসেন মিয়ার বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে ঘটনার দিন সকালে হোসেন মিয়া গংরা মকবুল মিয়ার সীমানায় আদাপাকা দালান ঘর নির্মাণকালে বাধা দেওয়ার এক পযার্য়ে মকবুল মিয়া সহ তার পরিবারের উপর হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে।
আহত ব্যবসায়ি মকবুল মিয়া বলেন, আজ সকালে হোসেন মিয়া গংরা জোরপূর্বক আমাদের বসতবাড়ির সীমানায় বসতঘর নির্মাণকালে আমি বাঁধা দেওয়ার এক পযার্য়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমি সহ পরিবারের লোকজনকে কুপিয়ে জখম করেছে। আমাদের এই জায়গার উপর হোসেন মিয়া আদালতে স্বত্ব মামলা করার পর আদালত ঐ জায়গার উপর নিষেধাজ্ঞা জারী করে কিন্তু হোসেন মিয়া আদালত অমান্য করে স্থাপনা নির্মান করছে। বর্তমানে আমি সহ আমার পরিবারের লোকজন তাদের ভয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
অভিযুক্ত হেলাল মিয়া বলেন,হোসেন মিয়া ও মকবুল মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সীমানা নিয়ে বিরোধ। বুধবার সকালে হোসেন মিয়া স্থাপনা নির্মাণকালে মকবুল মিয়া বাধা সৃষ্টি করে। পরে কথা কাটাকাটির এক পযার্য়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো রতন শেখ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,বসতবাড়ির সীমানা নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এক পক্ষ সিলেটে অপর পক্ষ সুনামগঞ্জে চিকিৎসাধীন আছেন। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন