দিনাজপুর-৬ আসনের নির্বাচনী রাজনীতিতে বইছে নতুন হাওয়া। বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, হাকিমপুর ও ঘোড়াঘাট উপজেলা নিয়ে গঠিত দেশের এই সর্ববৃহৎ সংসদীয় আসনে দীর্ঘ ৩ দশক পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাদের নিজস্ব একক প্রার্থী ঘোষণা করেছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বরেণ্য চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ. জেড. এম জাহিদ হোসেনকে ঘিরে উচ্ছ্বাসে মেতেছেন এই চার উপজেলার দলীয় নেতাকর্মীরা।
স্বাধীনতার পর থেকে এই আসনে বিভিন্ন সময়ে ন্যাপ, জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন। জোট রাজনীতির মারপ্যাঁচে গত কয়েক নির্বাচনে বিএনপি এখানে তাদের দলীয় প্রার্থী দিতে পারেনি। দীর্ঘ ৪০ বছর পর এবারই প্রথম ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়বেন বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের এই নেতা।
ঘোড়াঘাট উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি এস এম শামীম হোসেন চৌধুরী জানান, ডা. জাহিদ হোসেন নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগকালে অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছেন। তিনি বলেন, ডাক্তার সাহেব সাধারণ মানুষের সাথে মিশে যাচ্ছেন। এমনকি জনসংযোগের সময় কোনো অসুস্থ রোগী পেলে তিনি সাথে সাথেই ব্যবস্থাপত্র দিচ্ছেন।
রোববার রাতে ডা. এ. জেড. এম জাহিদ হোসেন সাংবাদিকদের জানান, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর দল তাকে মনোনয়ন দেওয়ায় তৃণমূলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। তিনি নির্বাচিত হলে এই অবহেলিত জনপদের জন্য উন্নত চিকিৎসা ও আধুনিক হাসপাতাল সুবিধা। তরুণদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি। গ্রামীণ জনপদের রাস্তাঘাট ও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন।
বিরামপুর উপজেলার কল্যাণপুর গ্রামের বিএনপি নেতা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, প্রফেসর ডা. জাহিদ হোসেন মেধা ও মননের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি বিজয়ী হলে এই এলাকার স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও কৃষিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।
নির্বাচনী বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দীর্ঘকাল পর বিএনপির নিজস্ব প্রার্থী পাওয়ায় ভোটের মাঠে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। দলীয় প্রতীক ‘ধানের শীষ’ বনাম অন্যান্যদের লড়াইয়ে এবার দিনাজপুর-৬ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬
দিনাজপুর-৬ আসনের নির্বাচনী রাজনীতিতে বইছে নতুন হাওয়া। বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, হাকিমপুর ও ঘোড়াঘাট উপজেলা নিয়ে গঠিত দেশের এই সর্ববৃহৎ সংসদীয় আসনে দীর্ঘ ৩ দশক পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাদের নিজস্ব একক প্রার্থী ঘোষণা করেছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বরেণ্য চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ. জেড. এম জাহিদ হোসেনকে ঘিরে উচ্ছ্বাসে মেতেছেন এই চার উপজেলার দলীয় নেতাকর্মীরা।
স্বাধীনতার পর থেকে এই আসনে বিভিন্ন সময়ে ন্যাপ, জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন। জোট রাজনীতির মারপ্যাঁচে গত কয়েক নির্বাচনে বিএনপি এখানে তাদের দলীয় প্রার্থী দিতে পারেনি। দীর্ঘ ৪০ বছর পর এবারই প্রথম ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়বেন বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের এই নেতা।
ঘোড়াঘাট উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি এস এম শামীম হোসেন চৌধুরী জানান, ডা. জাহিদ হোসেন নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগকালে অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছেন। তিনি বলেন, ডাক্তার সাহেব সাধারণ মানুষের সাথে মিশে যাচ্ছেন। এমনকি জনসংযোগের সময় কোনো অসুস্থ রোগী পেলে তিনি সাথে সাথেই ব্যবস্থাপত্র দিচ্ছেন।
রোববার রাতে ডা. এ. জেড. এম জাহিদ হোসেন সাংবাদিকদের জানান, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর দল তাকে মনোনয়ন দেওয়ায় তৃণমূলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। তিনি নির্বাচিত হলে এই অবহেলিত জনপদের জন্য উন্নত চিকিৎসা ও আধুনিক হাসপাতাল সুবিধা। তরুণদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি। গ্রামীণ জনপদের রাস্তাঘাট ও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন।
বিরামপুর উপজেলার কল্যাণপুর গ্রামের বিএনপি নেতা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, প্রফেসর ডা. জাহিদ হোসেন মেধা ও মননের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি বিজয়ী হলে এই এলাকার স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও কৃষিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।
নির্বাচনী বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দীর্ঘকাল পর বিএনপির নিজস্ব প্রার্থী পাওয়ায় ভোটের মাঠে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। দলীয় প্রতীক ‘ধানের শীষ’ বনাম অন্যান্যদের লড়াইয়ে এবার দিনাজপুর-৬ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন