ক্যান্সার চিকিৎসায় সামুদ্রিক জৈবযৌগের যুগান্তকারী ব্যবহার নিয়ে গবেষণায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির (বিএমইউ) শিক্ষার্থী মোঃ ওয়াশিকুর রহমান। বিশ্বখ্যাত প্রকাশনা সংস্থা ‘স্প্রিঙ্গার সিঙ্গাপুর’ থেকে প্রকাশিত মর্যাদাপূর্ণ গ্রন্থ ‘বায়োটেকনোলজিক্যাল অ্যাডভান্সেস ইন হেলথোমিক্স’-এ তার একটি গবেষণাধর্মী অধ্যায় প্রকাশিত হয়েছে।
বিএমইউ-এর জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেরিন বায়োটেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থী ওয়াশিকুর রহমানের এই গবেষণাকে দেশের মেরিন সায়েন্স এবং ব্লু-ইকোনমি গবেষণায় একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক প্রকাশনায় গবেষণার বিষয়বস্তু স্প্রিঙ্গারের ‘ইন্টারডিসিপ্লিনারি বায়োটেকনোলজিকাল অ্যাডভান্সেস’ সিরিজের অধীনে প্রকাশিত এই বইটির সম্পাদনা করেছেন এ.এইচ.এম. নুরুন নবী এবং হোসেন উদ্দিন শেখর। বইটিতে ওয়াশিকুরের রচিত অধ্যায়টির শিরোনাম—'Marine-Derived Anticancer Agents: Synergizing Omics and Biotechnology for Breakthroughs'।
ডিসেম্বর ২০২৫-এ প্রকাশিত এবং ২০২৬ সালের কপিরাইটভুক্ত এই অধ্যায়ে তিনি দেখিয়েছেন, কীভাবে ওমিক্স প্রযুক্তি (Omics Technology) এবং আধুনিক বায়োটেকনোলজির সমন্বয়ে সমুদ্রের তলদেশের অব্যবহৃত সম্পদকে ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধীর প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব। বিশেষ করে জিনোমিক্স, ট্রান্সক্রিপটোমিক্স এবং পেপটাইড বায়োকেমিস্ট্রির মাধ্যমে নতুন ডায়াগনস্টিক্স ও থেরাপিউটিক্স উন্নয়নের বিষয়টি এখানে প্রাধান্য পেয়েছে।
গবেষকের ভাষ্য ও তত্ত্বাবধান এই গবেষণাটি সম্পন্ন হয়েছে বিএমইউ-এর জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেরিন বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজির হোসেনের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে।
নিজের অর্জনের বিষয়ে মেরিটাইম সাংবাদিক সমিতির প্রতিনিধির সঙ্গে আলাপকালে মোঃ ওয়াশিকুর রহমান বলেন,
"সমুদ্র আমাদের জন্য অফুরন্ত সম্পদের ভাণ্ডার। এই অধ্যায়ে আমি মূলত দেখিয়েছি যে, ওমিক্স প্রযুক্তি ও বায়োটেকনোলজির সঠিক প্রয়োগে কীভাবে সামুদ্রিক যৌগগুলো ক্যান্সারের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে। আমার এই কাজের পেছনে শ্রদ্ধেয় শিক্ষক ও সুপারভাইজার ড. নাজির হোসেন স্যারের অক্লান্ত নির্দেশনা এবং পরামর্শ ছিল অনস্বীকার্য। স্প্রিঙ্গারের এই প্রকাশনা বিশ্বজুড়ে ব্লু-ইকোনমি গবেষণায় বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।"
একাডেমিক গুরুত্ব বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের বিশাল সমুদ্রসীমার প্রাকৃতিক সম্পদকে কাজে লাগিয়ে ঔষধ শিল্পে বিপ্লব ঘটানোর অপার সম্ভাবনা রয়েছে। ওয়াশিকুরের এই গবেষণা সেই সম্ভাবনার পথেই তরুণ গবেষকদের জন্য একটি অনুপ্রেরণা। উল্লেখ্য, বইটি স্প্রিঙ্গারের ‘বায়োমেডিক্যাল অ্যান্ড লাইফ সায়েন্সেস’ ই-বুক প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত।
বইটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে স্প্রিঙ্গারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে।স্প্রিঙ্গারের আন্তর্জাতিক গ্রন্থে মেরিটাইম ছাত্রের গবেষণা প্রকাশ: ক্যান্সার চিকিৎসায় সামুদ্রিক সম্পদের নতুন দিগন্ত
মেরিটাইম প্রতিনিধি: ক্যান্সার চিকিৎসায় সামুদ্রিক জৈবযৌগের যুগান্তকারী ব্যবহার নিয়ে গবেষণায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির (বিএমইউ) শিক্ষার্থী মোঃ ওয়াশিকুর রহমান। বিশ্বখ্যাত প্রকাশনা সংস্থা ‘স্প্রিঙ্গার সিঙ্গাপুর’ থেকে প্রকাশিত মর্যাদাপূর্ণ গ্রন্থ ‘বায়োটেকনোলজিক্যাল অ্যাডভান্সেস ইন হেলথোমিক্স’-এ তার একটি গবেষণাধর্মী অধ্যায় প্রকাশিত হয়েছে।
বিএমইউ-এর জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেরিন বায়োটেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থী ওয়াশিকুর রহমানের এই গবেষণাকে দেশের মেরিন সায়েন্স এবং ব্লু-ইকোনমি গবেষণায় একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক প্রকাশনায় গবেষণার বিষয়বস্তু স্প্রিঙ্গারের ‘ইন্টারডিসিপ্লিনারি বায়োটেকনোলজিকাল অ্যাডভান্সেস’ সিরিজের অধীনে প্রকাশিত এই বইটির সম্পাদনা করেছেন এ.এইচ.এম. নুরুন নবী এবং হোসেন উদ্দিন শেখর। বইটিতে ওয়াশিকুরের রচিত অধ্যায়টির শিরোনাম—'Marine-Derived Anticancer Agents: Synergizing Omics and Biotechnology for Breakthroughs'।
ডিসেম্বর ২০২৫-এ প্রকাশিত এবং ২০২৬ সালের কপিরাইটভুক্ত এই অধ্যায়ে তিনি দেখিয়েছেন, কীভাবে ওমিক্স প্রযুক্তি (Omics Technology) এবং আধুনিক বায়োটেকনোলজির সমন্বয়ে সমুদ্রের তলদেশের অব্যবহৃত সম্পদকে ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধীর প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব। বিশেষ করে জিনোমিক্স, ট্রান্সক্রিপটোমিক্স এবং পেপটাইড বায়োকেমিস্ট্রির মাধ্যমে নতুন ডায়াগনস্টিক্স ও থেরাপিউটিক্স উন্নয়নের বিষয়টি এখানে প্রাধান্য পেয়েছে।
গবেষকের ভাষ্য ও তত্ত্বাবধান এই গবেষণাটি সম্পন্ন হয়েছে বিএমইউ-এর জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেরিন বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজির হোসেনের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে।
নিজের অর্জনের বিষয়ে মেরিটাইম সাংবাদিক সমিতির প্রতিনিধির সঙ্গে আলাপকালে মোঃ ওয়াশিকুর রহমান বলেন,
"সমুদ্র আমাদের জন্য অফুরন্ত সম্পদের ভাণ্ডার। এই অধ্যায়ে আমি মূলত দেখিয়েছি যে, ওমিক্স প্রযুক্তি ও বায়োটেকনোলজির সঠিক প্রয়োগে কীভাবে সামুদ্রিক যৌগগুলো ক্যান্সারের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে। আমার এই কাজের পেছনে শ্রদ্ধেয় শিক্ষক ও সুপারভাইজার ড. নাজির হোসেন স্যারের অক্লান্ত নির্দেশনা এবং পরামর্শ ছিল অনস্বীকার্য। স্প্রিঙ্গারের এই প্রকাশনা বিশ্বজুড়ে ব্লু-ইকোনমি গবেষণায় বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।"
একাডেমিক গুরুত্ব বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের বিশাল সমুদ্রসীমার প্রাকৃতিক সম্পদকে কাজে লাগিয়ে ঔষধ শিল্পে বিপ্লব ঘটানোর অপার সম্ভাবনা রয়েছে। ওয়াশিকুরের এই গবেষণা সেই সম্ভাবনার পথেই তরুণ গবেষকদের জন্য একটি অনুপ্রেরণা। উল্লেখ্য, বইটি স্প্রিঙ্গারের ‘বায়োমেডিক্যাল অ্যান্ড লাইফ সায়েন্সেস’ ই-বুক প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত।
বইটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে স্প্রিঙ্গারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে।স্প্রিঙ্গারের আন্তর্জাতিক গ্রন্থে মেরিটাইম ছাত্রের গবেষণা প্রকাশ: ক্যান্সার চিকিৎসায় সামুদ্রিক সম্পদের নতুন দিগন্ত
মেরিটাইম প্রতিনিধি: ক্যান্সার চিকিৎসায় সামুদ্রিক জৈবযৌগের যুগান্তকারী ব্যবহার নিয়ে গবেষণায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির (বিএমইউ) শিক্ষার্থী মোঃ ওয়াশিকুর রহমান। বিশ্বখ্যাত প্রকাশনা সংস্থা ‘স্প্রিঙ্গার সিঙ্গাপুর’ থেকে প্রকাশিত মর্যাদাপূর্ণ গ্রন্থ ‘বায়োটেকনোলজিক্যাল অ্যাডভান্সেস ইন হেলথোমিক্স’-এ তার একটি গবেষণাধর্মী অধ্যায় প্রকাশিত হয়েছে।
বিএমইউ-এর জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেরিন বায়োটেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থী ওয়াশিকুর রহমানের এই গবেষণাকে দেশের মেরিন সায়েন্স এবং ব্লু-ইকোনমি গবেষণায় একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক প্রকাশনায় গবেষণার বিষয়বস্তু স্প্রিঙ্গারের ‘ইন্টারডিসিপ্লিনারি বায়োটেকনোলজিকাল অ্যাডভান্সেস’ সিরিজের অধীনে প্রকাশিত এই বইটির সম্পাদনা করেছেন এ.এইচ.এম. নুরুন নবী এবং হোসেন উদ্দিন শেখর। বইটিতে ওয়াশিকুরের রচিত অধ্যায়টির শিরোনাম—'Marine-Derived Anticancer Agents: Synergizing Omics and Biotechnology for Breakthroughs'।
ডিসেম্বর ২০২৫-এ প্রকাশিত এবং ২০২৬ সালের কপিরাইটভুক্ত এই অধ্যায়ে তিনি দেখিয়েছেন, কীভাবে ওমিক্স প্রযুক্তি (Omics Technology) এবং আধুনিক বায়োটেকনোলজির সমন্বয়ে সমুদ্রের তলদেশের অব্যবহৃত সম্পদকে ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধীর প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব। বিশেষ করে জিনোমিক্স, ট্রান্সক্রিপটোমিক্স এবং পেপটাইড বায়োকেমিস্ট্রির মাধ্যমে নতুন ডায়াগনস্টিক্স ও থেরাপিউটিক্স উন্নয়নের বিষয়টি এখানে প্রাধান্য পেয়েছে।
গবেষকের ভাষ্য ও তত্ত্বাবধান এই গবেষণাটি সম্পন্ন হয়েছে বিএমইউ-এর জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেরিন বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজির হোসেনের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে।
নিজের অর্জনের বিষয়ে মেরিটাইম সাংবাদিক সমিতির প্রতিনিধির সঙ্গে আলাপকালে মোঃ ওয়াশিকুর রহমান বলেন,
"সমুদ্র আমাদের জন্য অফুরন্ত সম্পদের ভাণ্ডার। এই অধ্যায়ে আমি মূলত দেখিয়েছি যে, ওমিক্স প্রযুক্তি ও বায়োটেকনোলজির সঠিক প্রয়োগে কীভাবে সামুদ্রিক যৌগগুলো ক্যান্সারের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে। আমার এই কাজের পেছনে শ্রদ্ধেয় শিক্ষক ও সুপারভাইজার ড. নাজির হোসেন স্যারের অক্লান্ত নির্দেশনা এবং পরামর্শ ছিল অনস্বীকার্য। স্প্রিঙ্গারের এই প্রকাশনা বিশ্বজুড়ে ব্লু-ইকোনমি গবেষণায় বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।"
একাডেমিক গুরুত্ব বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের বিশাল সমুদ্রসীমার প্রাকৃতিক সম্পদকে কাজে লাগিয়ে ঔষধ শিল্পে বিপ্লব ঘটানোর অপার সম্ভাবনা রয়েছে। ওয়াশিকুরের এই গবেষণা সেই সম্ভাবনার পথেই তরুণ গবেষকদের জন্য একটি অনুপ্রেরণা। উল্লেখ্য, বইটি স্প্রিঙ্গারের ‘বায়োমেডিক্যাল অ্যান্ড লাইফ সায়েন্সেস’ ই-বুক প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত।
বইটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে স্প্রিঙ্গারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জানুয়ারি ২০২৬
ক্যান্সার চিকিৎসায় সামুদ্রিক জৈবযৌগের যুগান্তকারী ব্যবহার নিয়ে গবেষণায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির (বিএমইউ) শিক্ষার্থী মোঃ ওয়াশিকুর রহমান। বিশ্বখ্যাত প্রকাশনা সংস্থা ‘স্প্রিঙ্গার সিঙ্গাপুর’ থেকে প্রকাশিত মর্যাদাপূর্ণ গ্রন্থ ‘বায়োটেকনোলজিক্যাল অ্যাডভান্সেস ইন হেলথোমিক্স’-এ তার একটি গবেষণাধর্মী অধ্যায় প্রকাশিত হয়েছে।
বিএমইউ-এর জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেরিন বায়োটেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থী ওয়াশিকুর রহমানের এই গবেষণাকে দেশের মেরিন সায়েন্স এবং ব্লু-ইকোনমি গবেষণায় একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক প্রকাশনায় গবেষণার বিষয়বস্তু স্প্রিঙ্গারের ‘ইন্টারডিসিপ্লিনারি বায়োটেকনোলজিকাল অ্যাডভান্সেস’ সিরিজের অধীনে প্রকাশিত এই বইটির সম্পাদনা করেছেন এ.এইচ.এম. নুরুন নবী এবং হোসেন উদ্দিন শেখর। বইটিতে ওয়াশিকুরের রচিত অধ্যায়টির শিরোনাম—'Marine-Derived Anticancer Agents: Synergizing Omics and Biotechnology for Breakthroughs'।
ডিসেম্বর ২০২৫-এ প্রকাশিত এবং ২০২৬ সালের কপিরাইটভুক্ত এই অধ্যায়ে তিনি দেখিয়েছেন, কীভাবে ওমিক্স প্রযুক্তি (Omics Technology) এবং আধুনিক বায়োটেকনোলজির সমন্বয়ে সমুদ্রের তলদেশের অব্যবহৃত সম্পদকে ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধীর প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব। বিশেষ করে জিনোমিক্স, ট্রান্সক্রিপটোমিক্স এবং পেপটাইড বায়োকেমিস্ট্রির মাধ্যমে নতুন ডায়াগনস্টিক্স ও থেরাপিউটিক্স উন্নয়নের বিষয়টি এখানে প্রাধান্য পেয়েছে।
গবেষকের ভাষ্য ও তত্ত্বাবধান এই গবেষণাটি সম্পন্ন হয়েছে বিএমইউ-এর জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেরিন বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজির হোসেনের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে।
নিজের অর্জনের বিষয়ে মেরিটাইম সাংবাদিক সমিতির প্রতিনিধির সঙ্গে আলাপকালে মোঃ ওয়াশিকুর রহমান বলেন,
"সমুদ্র আমাদের জন্য অফুরন্ত সম্পদের ভাণ্ডার। এই অধ্যায়ে আমি মূলত দেখিয়েছি যে, ওমিক্স প্রযুক্তি ও বায়োটেকনোলজির সঠিক প্রয়োগে কীভাবে সামুদ্রিক যৌগগুলো ক্যান্সারের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে। আমার এই কাজের পেছনে শ্রদ্ধেয় শিক্ষক ও সুপারভাইজার ড. নাজির হোসেন স্যারের অক্লান্ত নির্দেশনা এবং পরামর্শ ছিল অনস্বীকার্য। স্প্রিঙ্গারের এই প্রকাশনা বিশ্বজুড়ে ব্লু-ইকোনমি গবেষণায় বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।"
একাডেমিক গুরুত্ব বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের বিশাল সমুদ্রসীমার প্রাকৃতিক সম্পদকে কাজে লাগিয়ে ঔষধ শিল্পে বিপ্লব ঘটানোর অপার সম্ভাবনা রয়েছে। ওয়াশিকুরের এই গবেষণা সেই সম্ভাবনার পথেই তরুণ গবেষকদের জন্য একটি অনুপ্রেরণা। উল্লেখ্য, বইটি স্প্রিঙ্গারের ‘বায়োমেডিক্যাল অ্যান্ড লাইফ সায়েন্সেস’ ই-বুক প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত।
বইটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে স্প্রিঙ্গারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে।স্প্রিঙ্গারের আন্তর্জাতিক গ্রন্থে মেরিটাইম ছাত্রের গবেষণা প্রকাশ: ক্যান্সার চিকিৎসায় সামুদ্রিক সম্পদের নতুন দিগন্ত
মেরিটাইম প্রতিনিধি: ক্যান্সার চিকিৎসায় সামুদ্রিক জৈবযৌগের যুগান্তকারী ব্যবহার নিয়ে গবেষণায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির (বিএমইউ) শিক্ষার্থী মোঃ ওয়াশিকুর রহমান। বিশ্বখ্যাত প্রকাশনা সংস্থা ‘স্প্রিঙ্গার সিঙ্গাপুর’ থেকে প্রকাশিত মর্যাদাপূর্ণ গ্রন্থ ‘বায়োটেকনোলজিক্যাল অ্যাডভান্সেস ইন হেলথোমিক্স’-এ তার একটি গবেষণাধর্মী অধ্যায় প্রকাশিত হয়েছে।
বিএমইউ-এর জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেরিন বায়োটেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থী ওয়াশিকুর রহমানের এই গবেষণাকে দেশের মেরিন সায়েন্স এবং ব্লু-ইকোনমি গবেষণায় একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক প্রকাশনায় গবেষণার বিষয়বস্তু স্প্রিঙ্গারের ‘ইন্টারডিসিপ্লিনারি বায়োটেকনোলজিকাল অ্যাডভান্সেস’ সিরিজের অধীনে প্রকাশিত এই বইটির সম্পাদনা করেছেন এ.এইচ.এম. নুরুন নবী এবং হোসেন উদ্দিন শেখর। বইটিতে ওয়াশিকুরের রচিত অধ্যায়টির শিরোনাম—'Marine-Derived Anticancer Agents: Synergizing Omics and Biotechnology for Breakthroughs'।
ডিসেম্বর ২০২৫-এ প্রকাশিত এবং ২০২৬ সালের কপিরাইটভুক্ত এই অধ্যায়ে তিনি দেখিয়েছেন, কীভাবে ওমিক্স প্রযুক্তি (Omics Technology) এবং আধুনিক বায়োটেকনোলজির সমন্বয়ে সমুদ্রের তলদেশের অব্যবহৃত সম্পদকে ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধীর প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব। বিশেষ করে জিনোমিক্স, ট্রান্সক্রিপটোমিক্স এবং পেপটাইড বায়োকেমিস্ট্রির মাধ্যমে নতুন ডায়াগনস্টিক্স ও থেরাপিউটিক্স উন্নয়নের বিষয়টি এখানে প্রাধান্য পেয়েছে।
গবেষকের ভাষ্য ও তত্ত্বাবধান এই গবেষণাটি সম্পন্ন হয়েছে বিএমইউ-এর জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেরিন বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজির হোসেনের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে।
নিজের অর্জনের বিষয়ে মেরিটাইম সাংবাদিক সমিতির প্রতিনিধির সঙ্গে আলাপকালে মোঃ ওয়াশিকুর রহমান বলেন,
"সমুদ্র আমাদের জন্য অফুরন্ত সম্পদের ভাণ্ডার। এই অধ্যায়ে আমি মূলত দেখিয়েছি যে, ওমিক্স প্রযুক্তি ও বায়োটেকনোলজির সঠিক প্রয়োগে কীভাবে সামুদ্রিক যৌগগুলো ক্যান্সারের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে। আমার এই কাজের পেছনে শ্রদ্ধেয় শিক্ষক ও সুপারভাইজার ড. নাজির হোসেন স্যারের অক্লান্ত নির্দেশনা এবং পরামর্শ ছিল অনস্বীকার্য। স্প্রিঙ্গারের এই প্রকাশনা বিশ্বজুড়ে ব্লু-ইকোনমি গবেষণায় বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।"
একাডেমিক গুরুত্ব বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের বিশাল সমুদ্রসীমার প্রাকৃতিক সম্পদকে কাজে লাগিয়ে ঔষধ শিল্পে বিপ্লব ঘটানোর অপার সম্ভাবনা রয়েছে। ওয়াশিকুরের এই গবেষণা সেই সম্ভাবনার পথেই তরুণ গবেষকদের জন্য একটি অনুপ্রেরণা। উল্লেখ্য, বইটি স্প্রিঙ্গারের ‘বায়োমেডিক্যাল অ্যান্ড লাইফ সায়েন্সেস’ ই-বুক প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত।
বইটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে স্প্রিঙ্গারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে।স্প্রিঙ্গারের আন্তর্জাতিক গ্রন্থে মেরিটাইম ছাত্রের গবেষণা প্রকাশ: ক্যান্সার চিকিৎসায় সামুদ্রিক সম্পদের নতুন দিগন্ত
মেরিটাইম প্রতিনিধি: ক্যান্সার চিকিৎসায় সামুদ্রিক জৈবযৌগের যুগান্তকারী ব্যবহার নিয়ে গবেষণায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির (বিএমইউ) শিক্ষার্থী মোঃ ওয়াশিকুর রহমান। বিশ্বখ্যাত প্রকাশনা সংস্থা ‘স্প্রিঙ্গার সিঙ্গাপুর’ থেকে প্রকাশিত মর্যাদাপূর্ণ গ্রন্থ ‘বায়োটেকনোলজিক্যাল অ্যাডভান্সেস ইন হেলথোমিক্স’-এ তার একটি গবেষণাধর্মী অধ্যায় প্রকাশিত হয়েছে।
বিএমইউ-এর জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেরিন বায়োটেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থী ওয়াশিকুর রহমানের এই গবেষণাকে দেশের মেরিন সায়েন্স এবং ব্লু-ইকোনমি গবেষণায় একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক প্রকাশনায় গবেষণার বিষয়বস্তু স্প্রিঙ্গারের ‘ইন্টারডিসিপ্লিনারি বায়োটেকনোলজিকাল অ্যাডভান্সেস’ সিরিজের অধীনে প্রকাশিত এই বইটির সম্পাদনা করেছেন এ.এইচ.এম. নুরুন নবী এবং হোসেন উদ্দিন শেখর। বইটিতে ওয়াশিকুরের রচিত অধ্যায়টির শিরোনাম—'Marine-Derived Anticancer Agents: Synergizing Omics and Biotechnology for Breakthroughs'।
ডিসেম্বর ২০২৫-এ প্রকাশিত এবং ২০২৬ সালের কপিরাইটভুক্ত এই অধ্যায়ে তিনি দেখিয়েছেন, কীভাবে ওমিক্স প্রযুক্তি (Omics Technology) এবং আধুনিক বায়োটেকনোলজির সমন্বয়ে সমুদ্রের তলদেশের অব্যবহৃত সম্পদকে ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধীর প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব। বিশেষ করে জিনোমিক্স, ট্রান্সক্রিপটোমিক্স এবং পেপটাইড বায়োকেমিস্ট্রির মাধ্যমে নতুন ডায়াগনস্টিক্স ও থেরাপিউটিক্স উন্নয়নের বিষয়টি এখানে প্রাধান্য পেয়েছে।
গবেষকের ভাষ্য ও তত্ত্বাবধান এই গবেষণাটি সম্পন্ন হয়েছে বিএমইউ-এর জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেরিন বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজির হোসেনের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে।
নিজের অর্জনের বিষয়ে মেরিটাইম সাংবাদিক সমিতির প্রতিনিধির সঙ্গে আলাপকালে মোঃ ওয়াশিকুর রহমান বলেন,
"সমুদ্র আমাদের জন্য অফুরন্ত সম্পদের ভাণ্ডার। এই অধ্যায়ে আমি মূলত দেখিয়েছি যে, ওমিক্স প্রযুক্তি ও বায়োটেকনোলজির সঠিক প্রয়োগে কীভাবে সামুদ্রিক যৌগগুলো ক্যান্সারের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে। আমার এই কাজের পেছনে শ্রদ্ধেয় শিক্ষক ও সুপারভাইজার ড. নাজির হোসেন স্যারের অক্লান্ত নির্দেশনা এবং পরামর্শ ছিল অনস্বীকার্য। স্প্রিঙ্গারের এই প্রকাশনা বিশ্বজুড়ে ব্লু-ইকোনমি গবেষণায় বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।"
একাডেমিক গুরুত্ব বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের বিশাল সমুদ্রসীমার প্রাকৃতিক সম্পদকে কাজে লাগিয়ে ঔষধ শিল্পে বিপ্লব ঘটানোর অপার সম্ভাবনা রয়েছে। ওয়াশিকুরের এই গবেষণা সেই সম্ভাবনার পথেই তরুণ গবেষকদের জন্য একটি অনুপ্রেরণা। উল্লেখ্য, বইটি স্প্রিঙ্গারের ‘বায়োমেডিক্যাল অ্যান্ড লাইফ সায়েন্সেস’ ই-বুক প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত।
বইটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে স্প্রিঙ্গারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে।

আপনার মতামত লিখুন