আসন সমঝোতায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহকে স্বাগত জানিয়ে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসন থেকে সরে দাঁড়ালেন জামায়াতের প্রার্থী সাইফুল ইসলাম শহীদ।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ ঘোষণা দেন।বিষয়ে কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম শহীদ বলেন, কেন্দ্রীয় জামায়াতের দায়িত্বশীলদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বৃহত্তর রাজনৈতিক লক্ষ্য ও ঐক্যের স্বার্থে আমি হাসনাত আব্দুল্লাহর জন্য আসন ছেড়ে দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছি। আমরা দেশ, মানুষ ও দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য রাজনীতি করি। দলীয় যে কোনো সিদ্ধান্ত আমরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করি।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, কয়েক মাস ধরে জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী আমার নির্বাচনী প্রচারণার জন্য অনেক পরিশ্রম করেছেন, আমি আপনাদের কাছে ঋণী। আমরা দ্বীন বিজয়ের আন্দোলনে সবাই একসঙ্গে হয়ে কাজ করব।একইদিন বিকালে ঢাকার প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান জামায়াত নেতৃত্বাধীন ৮ দলীয় জোটের সঙ্গে কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নেতৃত্বাধীন এলডিপি ও এনসিপি অংশগ্রহণে মোট ১০ দলীয় জোট ঘোষণা দেন। অন্যান্য ৮ দল হলো—জামায়াত ইসলামী, চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই জোটে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০ থেকে ৩৫টি আসন পেতে পারে। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকায় রয়েছে অন্তত পাঁচটি আসন।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
আসন সমঝোতায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহকে স্বাগত জানিয়ে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসন থেকে সরে দাঁড়ালেন জামায়াতের প্রার্থী সাইফুল ইসলাম শহীদ।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ ঘোষণা দেন।বিষয়ে কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম শহীদ বলেন, কেন্দ্রীয় জামায়াতের দায়িত্বশীলদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বৃহত্তর রাজনৈতিক লক্ষ্য ও ঐক্যের স্বার্থে আমি হাসনাত আব্দুল্লাহর জন্য আসন ছেড়ে দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছি। আমরা দেশ, মানুষ ও দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য রাজনীতি করি। দলীয় যে কোনো সিদ্ধান্ত আমরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করি।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, কয়েক মাস ধরে জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী আমার নির্বাচনী প্রচারণার জন্য অনেক পরিশ্রম করেছেন, আমি আপনাদের কাছে ঋণী। আমরা দ্বীন বিজয়ের আন্দোলনে সবাই একসঙ্গে হয়ে কাজ করব।একইদিন বিকালে ঢাকার প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান জামায়াত নেতৃত্বাধীন ৮ দলীয় জোটের সঙ্গে কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নেতৃত্বাধীন এলডিপি ও এনসিপি অংশগ্রহণে মোট ১০ দলীয় জোট ঘোষণা দেন। অন্যান্য ৮ দল হলো—জামায়াত ইসলামী, চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই জোটে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০ থেকে ৩৫টি আসন পেতে পারে। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকায় রয়েছে অন্তত পাঁচটি আসন।

আপনার মতামত লিখুন