সিলেটের কোম্পানি গঞ্জ উপজেলার পশ্চিম ইসলামপুর ইউনিয়নের শাহ আরফিন টিলায় পাথর উত্তোলনকে কেন্দ্র করে গত বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ পাওয়া গেছে, চিকাডহর গ্রামের ইকবাল হোসেন তার পিতার মালিকানাধীন জমি থেকে অনধিকার পাথর উত্তোলন বন্ধ করতে গেলে বিবাদীরা ধারালো দা, কিরিচ, ছুরি, লোহার রড ও লাঠি নিয়ে হামলা চালায়। এতে অন্তত ৫০ জন ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সংঘর্ষে গুরুতর আহত অবস্থায় ছায়েদ মিয়া, ফিরুজ মিয়া, সাজু মিয়া, রাজু মিয়া, সাদমান আহমদ, করিম উল্লাহ, জাকির হোসাইন, হাবিবুর রহমান ও রায়হানসহ আহতদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সালিশে বহুবার সালিশ বিচার হয়েছে। কিন্তু বিবাদীরা তা অমান্য করে জোরপূর্বক পাথর উত্তোলন অব্যাহত রেখেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, হামলা পূর্বপরিকল্পিত ছিল এবং এতে প্রাণঘাতী আঘাতও করা হয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম খান বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি, তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে, অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেন আনাই মিয়া সংঘর্ষের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “সংঘর্ষ হয়েছে আমার রেকর্ডকৃত জমি নিয়ে, সেখানে চাঁদাবাজির কোনো ঘটনা ঘটেনি।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
সিলেটের কোম্পানি গঞ্জ উপজেলার পশ্চিম ইসলামপুর ইউনিয়নের শাহ আরফিন টিলায় পাথর উত্তোলনকে কেন্দ্র করে গত বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ পাওয়া গেছে, চিকাডহর গ্রামের ইকবাল হোসেন তার পিতার মালিকানাধীন জমি থেকে অনধিকার পাথর উত্তোলন বন্ধ করতে গেলে বিবাদীরা ধারালো দা, কিরিচ, ছুরি, লোহার রড ও লাঠি নিয়ে হামলা চালায়। এতে অন্তত ৫০ জন ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সংঘর্ষে গুরুতর আহত অবস্থায় ছায়েদ মিয়া, ফিরুজ মিয়া, সাজু মিয়া, রাজু মিয়া, সাদমান আহমদ, করিম উল্লাহ, জাকির হোসাইন, হাবিবুর রহমান ও রায়হানসহ আহতদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সালিশে বহুবার সালিশ বিচার হয়েছে। কিন্তু বিবাদীরা তা অমান্য করে জোরপূর্বক পাথর উত্তোলন অব্যাহত রেখেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, হামলা পূর্বপরিকল্পিত ছিল এবং এতে প্রাণঘাতী আঘাতও করা হয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম খান বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি, তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে, অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেন আনাই মিয়া সংঘর্ষের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “সংঘর্ষ হয়েছে আমার রেকর্ডকৃত জমি নিয়ে, সেখানে চাঁদাবাজির কোনো ঘটনা ঘটেনি।

আপনার মতামত লিখুন