মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সাব-রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ মাকসুদ মিয়া স্বচ্ছতা নৈতিকতা এবং জবাবদিহির এক অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছেন। স্থানীয় দলিল লেখক সেবাগ্রহীতা এবং অফিস সংশ্লিষ্টদের অভিন্ন মত, তিনি কোনো ধরনের ঘুষ গ্রহন করেন না এবং অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার প্রবণতাও তাঁর মধ্যে নেই।
তাঁর কঠোর অবস্থানের কারণে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থাকা অসাধু দলিল লেখক ও দালালচক্রের অবৈধ আয়-রোজগারে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। আগে নানা মাধ্যমে অনিয়ম করে যাঁরা অর্থ উপার্জন করতেন, তাঁর আগমনের পর তাঁদের সেই সুযোগ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।
উপজেলার ‘সুখের ঠিকানা’ এলাকায় তিনি বসবাস করেন। প্রতিদিন সেখান থেকে সাধারণ ইজিবাইকে করে সিরাজদিখান সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে যান এবং অফিস শেষে একইভাবে বাসায় ফেরেন। অথচ তাঁর সমপর্যায়ের অধিকাংশ কর্মকর্তা দামী ও বিলাসবহুল গাড়িতে চড়ে কর্মস্থলে যাতায়াত করলেও তিনি তার পুরোটাই ব্যতিক্রম। তার সাধারণ জীবনযাপন, সততা এবং দায়িত্ববোধ—এসব কারণে স্থানীয় মহলে তিনি ইতোমধ্যেই বিশেষভাবে আলোচনায় রয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক দলিল লেখক বলেন, “স্যার যখন এসেছেন তখন থেকেই আয় ইনকাম কমে গেছে। স্যার দুই টাকাও খায় না। অটোতে করে অফিসে আসে, আবার অটোতে করে বাসায় যায়। এ যুগে তাঁর মতো মানুষ আমাদের চোখে পড়ে না।”অফিসিয়াল রেকর্ড অনুযায়ী জানা যায়, মোঃ মাকসুদ মিয়া ৩৫তম বিসিএস ব্যাচের কর্মকর্তা। তিনি ১২ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে সিরাজদিখান উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে যোগদান করেন। মোবাইল, অফিস ফোন এবং অফিসিয়াল ইমেইল সেবাগ্রহীতাদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে, যাতে যে কেউ সরাসরি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।
স্থানীয়দের দাবি, তাঁর দায়িত্বশীল ও নৈতিক নেতৃত্বের ফলে অফিসের পরিবেশ বদলে গেছে। এখন সেবাপ্রত্যাশীরা নিয়মমাফিক, দ্রুত এবং হয়রানিমুক্ত সেবা পাচ্ছেন। অনেকের মতে, সরকারি সেবা খাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে মাঠপর্যায়ে কার্যকর মডেল তৈরি করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ নভেম্বর ২০২৫
মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সাব-রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ মাকসুদ মিয়া স্বচ্ছতা নৈতিকতা এবং জবাবদিহির এক অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছেন। স্থানীয় দলিল লেখক সেবাগ্রহীতা এবং অফিস সংশ্লিষ্টদের অভিন্ন মত, তিনি কোনো ধরনের ঘুষ গ্রহন করেন না এবং অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার প্রবণতাও তাঁর মধ্যে নেই।
তাঁর কঠোর অবস্থানের কারণে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থাকা অসাধু দলিল লেখক ও দালালচক্রের অবৈধ আয়-রোজগারে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। আগে নানা মাধ্যমে অনিয়ম করে যাঁরা অর্থ উপার্জন করতেন, তাঁর আগমনের পর তাঁদের সেই সুযোগ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।
উপজেলার ‘সুখের ঠিকানা’ এলাকায় তিনি বসবাস করেন। প্রতিদিন সেখান থেকে সাধারণ ইজিবাইকে করে সিরাজদিখান সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে যান এবং অফিস শেষে একইভাবে বাসায় ফেরেন। অথচ তাঁর সমপর্যায়ের অধিকাংশ কর্মকর্তা দামী ও বিলাসবহুল গাড়িতে চড়ে কর্মস্থলে যাতায়াত করলেও তিনি তার পুরোটাই ব্যতিক্রম। তার সাধারণ জীবনযাপন, সততা এবং দায়িত্ববোধ—এসব কারণে স্থানীয় মহলে তিনি ইতোমধ্যেই বিশেষভাবে আলোচনায় রয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক দলিল লেখক বলেন, “স্যার যখন এসেছেন তখন থেকেই আয় ইনকাম কমে গেছে। স্যার দুই টাকাও খায় না। অটোতে করে অফিসে আসে, আবার অটোতে করে বাসায় যায়। এ যুগে তাঁর মতো মানুষ আমাদের চোখে পড়ে না।”অফিসিয়াল রেকর্ড অনুযায়ী জানা যায়, মোঃ মাকসুদ মিয়া ৩৫তম বিসিএস ব্যাচের কর্মকর্তা। তিনি ১২ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে সিরাজদিখান উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে যোগদান করেন। মোবাইল, অফিস ফোন এবং অফিসিয়াল ইমেইল সেবাগ্রহীতাদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে, যাতে যে কেউ সরাসরি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।
স্থানীয়দের দাবি, তাঁর দায়িত্বশীল ও নৈতিক নেতৃত্বের ফলে অফিসের পরিবেশ বদলে গেছে। এখন সেবাপ্রত্যাশীরা নিয়মমাফিক, দ্রুত এবং হয়রানিমুক্ত সেবা পাচ্ছেন। অনেকের মতে, সরকারি সেবা খাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে মাঠপর্যায়ে কার্যকর মডেল তৈরি করেছেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন