শৈশবজুড়ে ফুটবল আর দৌড়ঝাঁপে মগ্ন ছিলেন চাঁদপুরের মো. মোক্তার আহমেদ মিয়াজী। পড়ালেখায় মনোযোগ কম থাকলেও খেলাধুলার প্রতি তার ভালোবাসাই বদলে দেয় ভবিষ্যৎ। খালু রুহুল আমিন খান ও মামা আরশ্বাদ জমাদারের উৎসাহে ১৯৯৩ সালে তিনি ঢাকায় গিয়ে খেলাধুলার সরঞ্জাম তৈরির কাজ শিখতে শুরু করেন।
ওস্তাদ ছিদ্দিকুর রহমান ও লুৎফুর রহমান লতিফের তত্ত্বাবধানে শেখা ও কঠোর পরিশ্রম তাকে গড়ে তোলে একজন দক্ষ উদ্যোক্তা হিসেবে। ২০০১ সালে নিজের ব্যবসা শুরু করে ২০০৬ সালে চাঁদপুর ফিরে প্রতিষ্ঠা করেন স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান ‘এশিয়ান স্পোর্টস’।
গত প্রায় ২৫ বছর ধরে তিনি খেলোয়াড়, কোচ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে মানসম্মত ক্রীড়া সরঞ্জামের নির্ভরতার নাম। তরুণ খেলোয়াড়রা বলেন, মান, দাম এবং সৎ পরামর্শের জন্য প্রথম ভরসা হলো এশিয়ান স্পোর্টস।
মোক্তার মনে করেন, শৈশবের খেলাধুলার প্রেম, পরিবারের সহযোগিতা ও গ্রাহকদের ভালোবাসাই তার শক্তি। চার কন্যাসন্তানসহ তিনি গড়ে তুলেছেন একটি সুখী পরিবার।
দুষ্টু ফুটবল–পাগল ছেলেটি আজ চাঁদপুরের খেলাধুলা অঙ্গনের এক আস্থার নাম—যিনি শুধু ব্যবসায়ী নন, তরুণদের প্রেরণার উৎস।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ নভেম্বর ২০২৫
শৈশবজুড়ে ফুটবল আর দৌড়ঝাঁপে মগ্ন ছিলেন চাঁদপুরের মো. মোক্তার আহমেদ মিয়াজী। পড়ালেখায় মনোযোগ কম থাকলেও খেলাধুলার প্রতি তার ভালোবাসাই বদলে দেয় ভবিষ্যৎ। খালু রুহুল আমিন খান ও মামা আরশ্বাদ জমাদারের উৎসাহে ১৯৯৩ সালে তিনি ঢাকায় গিয়ে খেলাধুলার সরঞ্জাম তৈরির কাজ শিখতে শুরু করেন।
ওস্তাদ ছিদ্দিকুর রহমান ও লুৎফুর রহমান লতিফের তত্ত্বাবধানে শেখা ও কঠোর পরিশ্রম তাকে গড়ে তোলে একজন দক্ষ উদ্যোক্তা হিসেবে। ২০০১ সালে নিজের ব্যবসা শুরু করে ২০০৬ সালে চাঁদপুর ফিরে প্রতিষ্ঠা করেন স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান ‘এশিয়ান স্পোর্টস’।
গত প্রায় ২৫ বছর ধরে তিনি খেলোয়াড়, কোচ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে মানসম্মত ক্রীড়া সরঞ্জামের নির্ভরতার নাম। তরুণ খেলোয়াড়রা বলেন, মান, দাম এবং সৎ পরামর্শের জন্য প্রথম ভরসা হলো এশিয়ান স্পোর্টস।
মোক্তার মনে করেন, শৈশবের খেলাধুলার প্রেম, পরিবারের সহযোগিতা ও গ্রাহকদের ভালোবাসাই তার শক্তি। চার কন্যাসন্তানসহ তিনি গড়ে তুলেছেন একটি সুখী পরিবার।
দুষ্টু ফুটবল–পাগল ছেলেটি আজ চাঁদপুরের খেলাধুলা অঙ্গনের এক আস্থার নাম—যিনি শুধু ব্যবসায়ী নন, তরুণদের প্রেরণার উৎস।

আপনার মতামত লিখুন