দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার ছাতিয়ানগড় ইউনিয়নের ঝাপুপাড়া এলাকায় ইছামতি নদীর প্রায় ৫ শতক জায়গায় ভাসমান সবজি চাষ করে সাড়া ফেলেছেন স্থানীয় যুবক মোস্তাকিম ইসলাম। দীর্ঘদিন অনাবাদী পড়ে থাকা নদীর সেই অংশকে কাজে লাগিয়ে বাঁশের মাচায় বেড তৈরি করে নানান ধরনের শাক–সবজি চাষ করছেন তিনি। অল্প পুঁজিতে শুরু করা এই উদ্যোগ এখন তাকে আর্থিকভাবে লাভবান করছে।
মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) দুপুরে সরেজমিনে সেখানে গিয়ে দেখা যায়, কৃষক মোস্তাকিম ইসলাম তাঁর লাউ ক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। নদীর ধারে বাঁশের মাচা ও টবে মাটি দিয়ে তিনি লাউসহ বিভিন্ন সবজি চাষ করছেন।
মোস্তাকিম ইসলাম বলেন, “নদীর এই ফাঁকা জায়গাটাকে কাজে লাগানোর চিন্তা থেকেই পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করি। এখন পরিবারের চাহিদা মেটানোর পর বাজারে বিক্রি করতে পারছি। এতে ভালোই আয় হচ্ছে। প্রায় এক হাজার টাকা ব্যয় করে ৩৫০০-৪০০০ টাকার লাউ বিক্রি হবে বলে তিনি জানান। ”
উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মমিনুল বিন আমিন বলেন, “কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে তাঁকে বীজ ও সার প্রদান করা হয়েছে এবং নিয়মিত প্রযুক্তিগত পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। তাঁর এই উদ্যোগ দেখে এলাকার অন্যরাও ভাসমান সবজি চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে।”
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন আক্তার বলেন, “অনাবাদি ও পরিত্যক্ত জমি আবাদে উৎসাহ দিতে আমরা নিয়মিত কৃষকদের সহায়তা করছি। ভাসমান কৃষি এ অঞ্চলে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। প্রযুক্তিগত দিকনির্দেশনা ও উৎপাদন বৃদ্ধির বিষয়ে নিয়মিত সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ নভেম্বর ২০২৫
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার ছাতিয়ানগড় ইউনিয়নের ঝাপুপাড়া এলাকায় ইছামতি নদীর প্রায় ৫ শতক জায়গায় ভাসমান সবজি চাষ করে সাড়া ফেলেছেন স্থানীয় যুবক মোস্তাকিম ইসলাম। দীর্ঘদিন অনাবাদী পড়ে থাকা নদীর সেই অংশকে কাজে লাগিয়ে বাঁশের মাচায় বেড তৈরি করে নানান ধরনের শাক–সবজি চাষ করছেন তিনি। অল্প পুঁজিতে শুরু করা এই উদ্যোগ এখন তাকে আর্থিকভাবে লাভবান করছে।
মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) দুপুরে সরেজমিনে সেখানে গিয়ে দেখা যায়, কৃষক মোস্তাকিম ইসলাম তাঁর লাউ ক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। নদীর ধারে বাঁশের মাচা ও টবে মাটি দিয়ে তিনি লাউসহ বিভিন্ন সবজি চাষ করছেন।
মোস্তাকিম ইসলাম বলেন, “নদীর এই ফাঁকা জায়গাটাকে কাজে লাগানোর চিন্তা থেকেই পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করি। এখন পরিবারের চাহিদা মেটানোর পর বাজারে বিক্রি করতে পারছি। এতে ভালোই আয় হচ্ছে। প্রায় এক হাজার টাকা ব্যয় করে ৩৫০০-৪০০০ টাকার লাউ বিক্রি হবে বলে তিনি জানান। ”
উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মমিনুল বিন আমিন বলেন, “কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে তাঁকে বীজ ও সার প্রদান করা হয়েছে এবং নিয়মিত প্রযুক্তিগত পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। তাঁর এই উদ্যোগ দেখে এলাকার অন্যরাও ভাসমান সবজি চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে।”
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন আক্তার বলেন, “অনাবাদি ও পরিত্যক্ত জমি আবাদে উৎসাহ দিতে আমরা নিয়মিত কৃষকদের সহায়তা করছি। ভাসমান কৃষি এ অঞ্চলে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। প্রযুক্তিগত দিকনির্দেশনা ও উৎপাদন বৃদ্ধির বিষয়ে নিয়মিত সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন