দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ধানক্ষেতে আগাছানাশক প্রয়োগ করে ফসল নষ্ট, মিথ্যা মামলায় হয়রানি এবং ঘটনাকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে একটি পরিবার।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ তুলে নিরপেক্ষ তদন্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকারী মনিরুজ্জামান মিতুল, পিতা শামসুল হক, উপজেলার গোয়ালডিহি ইউনিয়নের বেলোর পণ্ডিতপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তাঁর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে প্রতিপক্ষের সঙ্গে তাঁদের বিরোধ চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৬ অক্টোবর তাঁদের ধানক্ষেতে আগাছানাশক প্রয়োগ করে আনুমানিক দেড় লাখ টাকার ফসল নষ্ট করা হয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, এ ঘটনায় ১৬ জনের বিরুদ্ধে খানসামা থানায় মামলা করা হয়েছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বলেও দাবি করেন তাঁরা।
সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়, জমিসংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে তাঁদের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে এবং ঘটনাটিকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার চেষ্টা চলছে। পরিবারের সদস্যদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে যেসব অভিযোগ তোলা হচ্ছে, সেগুলোরও প্রতিবাদ জানান তাঁরা।
পরিবারটির দাবি, জমি নিয়ে বিরোধ আদালতে বিচারাধীন থাকলেও সেই বিরোধের জেরে একজন কৃষকের কষ্টার্জিত ফসল নষ্ট করার কোনো যৌক্তিকতা থাকতে পারে না। তাঁরা ঘটনাটিকে রাজনৈতিক বিরোধ নয়, বরং জমিসংক্রান্ত পারিবারিক বিরোধ হিসেবে উল্লেখ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে খানসামা উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ক্ষতিগ্রস্ত ধানক্ষেত সরেজমিনে পরিদর্শন, কৃষি বিভাগের মাধ্যমে ফসলের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং তদন্তে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে জমি নিয়ে সংঘাত এড়াতে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা।

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ধানক্ষেতে আগাছানাশক প্রয়োগ করে ফসল নষ্ট, মিথ্যা মামলায় হয়রানি এবং ঘটনাকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে একটি পরিবার।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ তুলে নিরপেক্ষ তদন্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকারী মনিরুজ্জামান মিতুল, পিতা শামসুল হক, উপজেলার গোয়ালডিহি ইউনিয়নের বেলোর পণ্ডিতপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তাঁর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে প্রতিপক্ষের সঙ্গে তাঁদের বিরোধ চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৬ অক্টোবর তাঁদের ধানক্ষেতে আগাছানাশক প্রয়োগ করে আনুমানিক দেড় লাখ টাকার ফসল নষ্ট করা হয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, এ ঘটনায় ১৬ জনের বিরুদ্ধে খানসামা থানায় মামলা করা হয়েছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বলেও দাবি করেন তাঁরা।
সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়, জমিসংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে তাঁদের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে এবং ঘটনাটিকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার চেষ্টা চলছে। পরিবারের সদস্যদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে যেসব অভিযোগ তোলা হচ্ছে, সেগুলোরও প্রতিবাদ জানান তাঁরা।
পরিবারটির দাবি, জমি নিয়ে বিরোধ আদালতে বিচারাধীন থাকলেও সেই বিরোধের জেরে একজন কৃষকের কষ্টার্জিত ফসল নষ্ট করার কোনো যৌক্তিকতা থাকতে পারে না। তাঁরা ঘটনাটিকে রাজনৈতিক বিরোধ নয়, বরং জমিসংক্রান্ত পারিবারিক বিরোধ হিসেবে উল্লেখ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে খানসামা উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ক্ষতিগ্রস্ত ধানক্ষেত সরেজমিনে পরিদর্শন, কৃষি বিভাগের মাধ্যমে ফসলের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং তদন্তে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে জমি নিয়ে সংঘাত এড়াতে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা।

আপনার মতামত লিখুন