দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার ছাতিয়ানগড় স্কুল অ্যান্ড কলেজে এসএসসি টেস্ট পরীক্ষার ফি জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নির্ধারিত ৬০০ টাকার পরিবর্তে ৫০০ টাকা দিতে যাওয়ায় দুই শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি বলে অভিযোগ করেছেন তাদের অভিভাবক। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে এ ঘটনা ঘটে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটিতে এসএসসি টেস্ট পরীক্ষার ফি ৬০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থী মীম আক্তার মারুফা ও বর্ণা আক্তার বৃষ্টি পরীক্ষার ফি বাবদ ৫০০ টাকা জমা দিতে গেলে দায়িত্বে থাকা অফিস সহকারী মমতা রায় টাকা গ্রহণে অপারগতা প্রকাশ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাঁদের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়।
বর্ণা আক্তার বৃষ্টির বাবা বদিউজ্জামান বলেন, মেয়েকে নিয়ে পরীক্ষার ফি বাবদ ৫০০ টাকা জমা দিতে স্কুলে গেলে অফিস সহকারী টাকা ফেরত দিয়ে জানান, নির্ধারিত টাকার চেয়ে কম হওয়ায় তা গ্রহণ করা সম্ভব নয়। পরে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। একপর্যায়ে মেয়েকে নিয়ে পরীক্ষা না দিয়েই বাড়ি ফিরে আসেন তাঁরা। তিনি আরও বলেন, টাকার কারণে তাঁর মেয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। এ ঘটনার সুষ্ঠু সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
এদিকে গোলাম হোসেন নামে আরেক শিক্ষার্থীর বাবা অভিযোগ করেন, ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আরও কয়েকজন শিক্ষার্থীর কাছ থেকেও অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে ছাতিয়ানগড় স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক জীবন কৃষ্ণ রায় বলেন, পরীক্ষার ফি নিয়ে দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে মনোমালিন্য হয়েছে। বিষয়টি সমাধানের জন্য শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ও স্থানীয় কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তিকে নিয়ে আলোচনা চলছে।
অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন খরচ রয়েছে এবং এ খাতে টাকা নেওয়ার বৈধতা আছে।
এ বিষয়ে খানসামা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে থাকা শাহনাজ আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত হয়েছেন। সবকিছু জানার পর সন্ধ্যার পরে বিস্তারিত জানাবেন।
দুই শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারার অভিযোগ এবং অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের দাবি ঘিরে প্রতিষ্ঠানটির ফি নির্ধারণ ও আদায়প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট অভিভাবকেরা।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার ছাতিয়ানগড় স্কুল অ্যান্ড কলেজে এসএসসি টেস্ট পরীক্ষার ফি জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নির্ধারিত ৬০০ টাকার পরিবর্তে ৫০০ টাকা দিতে যাওয়ায় দুই শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি বলে অভিযোগ করেছেন তাদের অভিভাবক। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে এ ঘটনা ঘটে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটিতে এসএসসি টেস্ট পরীক্ষার ফি ৬০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থী মীম আক্তার মারুফা ও বর্ণা আক্তার বৃষ্টি পরীক্ষার ফি বাবদ ৫০০ টাকা জমা দিতে গেলে দায়িত্বে থাকা অফিস সহকারী মমতা রায় টাকা গ্রহণে অপারগতা প্রকাশ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাঁদের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়।
বর্ণা আক্তার বৃষ্টির বাবা বদিউজ্জামান বলেন, মেয়েকে নিয়ে পরীক্ষার ফি বাবদ ৫০০ টাকা জমা দিতে স্কুলে গেলে অফিস সহকারী টাকা ফেরত দিয়ে জানান, নির্ধারিত টাকার চেয়ে কম হওয়ায় তা গ্রহণ করা সম্ভব নয়। পরে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। একপর্যায়ে মেয়েকে নিয়ে পরীক্ষা না দিয়েই বাড়ি ফিরে আসেন তাঁরা। তিনি আরও বলেন, টাকার কারণে তাঁর মেয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। এ ঘটনার সুষ্ঠু সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
এদিকে গোলাম হোসেন নামে আরেক শিক্ষার্থীর বাবা অভিযোগ করেন, ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আরও কয়েকজন শিক্ষার্থীর কাছ থেকেও অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে ছাতিয়ানগড় স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক জীবন কৃষ্ণ রায় বলেন, পরীক্ষার ফি নিয়ে দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে মনোমালিন্য হয়েছে। বিষয়টি সমাধানের জন্য শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ও স্থানীয় কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তিকে নিয়ে আলোচনা চলছে।
অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন খরচ রয়েছে এবং এ খাতে টাকা নেওয়ার বৈধতা আছে।
এ বিষয়ে খানসামা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে থাকা শাহনাজ আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত হয়েছেন। সবকিছু জানার পর সন্ধ্যার পরে বিস্তারিত জানাবেন।
দুই শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারার অভিযোগ এবং অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের দাবি ঘিরে প্রতিষ্ঠানটির ফি নির্ধারণ ও আদায়প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট অভিভাবকেরা।

আপনার মতামত লিখুন