২০২২ সালে কাতারে আর্জেন্টিনার উদযাপনের সময় মেসির হাতে থাকা ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফির একটি প্রতিরূপ (রেপ্লিকা) চলতি বছরের নভেম্বরে একটি ক্রীড়া স্মারক নিলামে তোলা হবে। রিচমন্ড অকশন্স তাদের প্রথম ক্রীড়া স্মারক নিলামে এই ট্রফিটি উপস্থাপন করবে।
আগামী ৭ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারোলিনার গ্রিনভিলের ৫২৬ কঙ্গারি রোডে নিলামটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। একই সময়ে অনলাইনেও বিডিং বা নিলামে অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে। ট্রফিটি পরবর্তীতে বুয়েনস আইরেসের জাতীয় ঐতিহাসিক জাদুঘরে প্রদর্শিত হয়েছিল এবং এটি আর্জেন্টিনার ঐতিহাসিক জয়ের মুহূর্তগুলোর অন্যতম বহুল প্রচারিত ছবিতে জায়গা করে নিয়েছিল। ২০২২ সালের ১৮ ডিসেম্বর লুসাইল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্সের মধ্যকার ম্যাচটি ৩-৩ গোলে ড্র হওয়ার পর, পেনাল্টি শুটআউটে আর্জেন্টিনা ৪-২ ব্যবধানে ফ্রান্সকে পরাজিত করে।
ম্যাচে মেসি দুটি গোল করেন এবং ফ্রান্সের হয়ে কিলিয়ান এমবাপ্পে হ্যাটট্রিক করেন; শেষ পর্যন্ত গঞ্জালো মন্তিয়েল জয়সূচক পেনাল্টিটি কিক করেন। উদযাপনের সময় ট্রফির এই প্রতিরূপটি গ্যালারি থেকে মাঠে নিয়ে আসা হয় এবং প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের হাতে হাতে ঘোরে। এ সময় মেসিকে এটি উঁচিয়ে ধরতে ও চুম্বন করতে দেখা যায়, যা তার ক্যারিয়ারের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।
আর্জেন্টিনার জয়ের পর মেসি ইনস্টাগ্রামে ছবিগুলোর একটি সংকলন (ক্যারোসেল) পোস্ট করেছিলেন, তার মধ্যেও এই ছবিটি ছিল। ৭ কোটি ৪০ লাখেরও বেশি লাইক পাওয়া সেই পোস্টটি প্ল্যাটফর্মটির ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি লাইক পাওয়া পোস্টে পরিণত হয়, যা এই ট্রফিটির গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে তোলে। এছাড়া উদযাপনের শেষ পর্যায়ে আর্জেন্টিনার আটজন ফুটবলার এই ট্রফিটিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।
এর নথিপত্রে লাউতারো মার্তিনেজ, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, গুইদো রদ্রিগেজ এবং আনহেল দি মারিয়াসহ বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়ের নাম উল্লেখ রয়েছে।
এই নিলামটি সংগ্রাহকদের ফুটবলের অন্যতম স্মরণীয় রাতের একটি স্মারক নিজেদের সংগ্রহে রাখার সুযোগ করে দিচ্ছে। ওই রাতে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মেসি অবশেষে বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছিলেন। এই প্রতিরূপটির তাৎপর্য কেবল আর্জেন্টিনার জয়ের সাথে এর সম্পর্কের মধ্যেই নিহিত নয়, বরং টুর্নামেন্টের ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফাইনাল-পরবর্তী উদযাপনেও এর একটি বিশেষ স্থান রয়েছে।
বিডি প্রতিদিন/আরকে

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬
২০২২ সালে কাতারে আর্জেন্টিনার উদযাপনের সময় মেসির হাতে থাকা ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফির একটি প্রতিরূপ (রেপ্লিকা) চলতি বছরের নভেম্বরে একটি ক্রীড়া স্মারক নিলামে তোলা হবে। রিচমন্ড অকশন্স তাদের প্রথম ক্রীড়া স্মারক নিলামে এই ট্রফিটি উপস্থাপন করবে।
আগামী ৭ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারোলিনার গ্রিনভিলের ৫২৬ কঙ্গারি রোডে নিলামটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। একই সময়ে অনলাইনেও বিডিং বা নিলামে অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে। ট্রফিটি পরবর্তীতে বুয়েনস আইরেসের জাতীয় ঐতিহাসিক জাদুঘরে প্রদর্শিত হয়েছিল এবং এটি আর্জেন্টিনার ঐতিহাসিক জয়ের মুহূর্তগুলোর অন্যতম বহুল প্রচারিত ছবিতে জায়গা করে নিয়েছিল। ২০২২ সালের ১৮ ডিসেম্বর লুসাইল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্সের মধ্যকার ম্যাচটি ৩-৩ গোলে ড্র হওয়ার পর, পেনাল্টি শুটআউটে আর্জেন্টিনা ৪-২ ব্যবধানে ফ্রান্সকে পরাজিত করে।
ম্যাচে মেসি দুটি গোল করেন এবং ফ্রান্সের হয়ে কিলিয়ান এমবাপ্পে হ্যাটট্রিক করেন; শেষ পর্যন্ত গঞ্জালো মন্তিয়েল জয়সূচক পেনাল্টিটি কিক করেন। উদযাপনের সময় ট্রফির এই প্রতিরূপটি গ্যালারি থেকে মাঠে নিয়ে আসা হয় এবং প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের হাতে হাতে ঘোরে। এ সময় মেসিকে এটি উঁচিয়ে ধরতে ও চুম্বন করতে দেখা যায়, যা তার ক্যারিয়ারের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।
আর্জেন্টিনার জয়ের পর মেসি ইনস্টাগ্রামে ছবিগুলোর একটি সংকলন (ক্যারোসেল) পোস্ট করেছিলেন, তার মধ্যেও এই ছবিটি ছিল। ৭ কোটি ৪০ লাখেরও বেশি লাইক পাওয়া সেই পোস্টটি প্ল্যাটফর্মটির ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি লাইক পাওয়া পোস্টে পরিণত হয়, যা এই ট্রফিটির গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে তোলে। এছাড়া উদযাপনের শেষ পর্যায়ে আর্জেন্টিনার আটজন ফুটবলার এই ট্রফিটিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।
এর নথিপত্রে লাউতারো মার্তিনেজ, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, গুইদো রদ্রিগেজ এবং আনহেল দি মারিয়াসহ বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়ের নাম উল্লেখ রয়েছে।
এই নিলামটি সংগ্রাহকদের ফুটবলের অন্যতম স্মরণীয় রাতের একটি স্মারক নিজেদের সংগ্রহে রাখার সুযোগ করে দিচ্ছে। ওই রাতে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মেসি অবশেষে বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছিলেন। এই প্রতিরূপটির তাৎপর্য কেবল আর্জেন্টিনার জয়ের সাথে এর সম্পর্কের মধ্যেই নিহিত নয়, বরং টুর্নামেন্টের ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফাইনাল-পরবর্তী উদযাপনেও এর একটি বিশেষ স্থান রয়েছে।
বিডি প্রতিদিন/আরকে

আপনার মতামত লিখুন