বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ভাটারা এলাকায় হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেনকে ফের গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম শুনানি শেষে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ছানোয়ার হোসেনকে মামলাটিতে গ্রেপ্তার দেখানোর অনুমতি দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
এদিন কারাগার থেকে ছানোয়ার হোসেনকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। ভাটারা থানার উপপরিদর্শক মো. আমিনুর রহমান তাকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। শুনানিতে আসামিপক্ষ জামিনের আবেদন জানালে রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে। দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সকালে ভাটারা থানা এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে মামলার বাদী ও ভুক্তভোগী সোহেলী তামান্না আহত হন। অভিযোগে বলা হয়েছে, তার বাম হাতের কব্জিতে গুরুতর আঘাত লাগে এবং পিঠের দিকে গুলির আঘাতও পান। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ঘটনার পর সোহেলী তামান্না বাদী হয়ে ভাটারা থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মামলাটি ২০২৫ সালের ৭ জুলাই করা হয়। তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ছানোয়ার হোসেনকে এ মামলায় আসামি করা হয়েছে।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে মামলার ঘটনার সঙ্গে ছানোয়ার হোসেনের সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য, সাক্ষ্য ও অন্যান্য উপাদান পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা শেষ পর্যন্ত বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।
এর আগে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে ছানোয়ার হোসেন কারাগারে ছিলেন। চলমান মামলাগুলোর ধারাবাহিকতায় এবার সোহেলী তামান্নাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হলো।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ভাটারা এলাকায় হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেনকে ফের গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম শুনানি শেষে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ছানোয়ার হোসেনকে মামলাটিতে গ্রেপ্তার দেখানোর অনুমতি দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
এদিন কারাগার থেকে ছানোয়ার হোসেনকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। ভাটারা থানার উপপরিদর্শক মো. আমিনুর রহমান তাকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। শুনানিতে আসামিপক্ষ জামিনের আবেদন জানালে রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে। দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সকালে ভাটারা থানা এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে মামলার বাদী ও ভুক্তভোগী সোহেলী তামান্না আহত হন। অভিযোগে বলা হয়েছে, তার বাম হাতের কব্জিতে গুরুতর আঘাত লাগে এবং পিঠের দিকে গুলির আঘাতও পান। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ঘটনার পর সোহেলী তামান্না বাদী হয়ে ভাটারা থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মামলাটি ২০২৫ সালের ৭ জুলাই করা হয়। তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ছানোয়ার হোসেনকে এ মামলায় আসামি করা হয়েছে।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে মামলার ঘটনার সঙ্গে ছানোয়ার হোসেনের সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য, সাক্ষ্য ও অন্যান্য উপাদান পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা শেষ পর্যন্ত বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।
এর আগে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে ছানোয়ার হোসেন কারাগারে ছিলেন। চলমান মামলাগুলোর ধারাবাহিকতায় এবার সোহেলী তামান্নাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হলো।

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ভাটারা এলাকায় হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেনকে ফের গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম শুনানি শেষে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ছানোয়ার হোসেনকে মামলাটিতে গ্রেপ্তার দেখানোর অনুমতি দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
এদিন কারাগার থেকে ছানোয়ার হোসেনকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। ভাটারা থানার উপপরিদর্শক মো. আমিনুর রহমান তাকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। শুনানিতে আসামিপক্ষ জামিনের আবেদন জানালে রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে। দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সকালে ভাটারা থানা এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে মামলার বাদী ও ভুক্তভোগী সোহেলী তামান্না আহত হন। অভিযোগে বলা হয়েছে, তার বাম হাতের কব্জিতে গুরুতর আঘাত লাগে এবং পিঠের দিকে গুলির আঘাতও পান। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ঘটনার পর সোহেলী তামান্না বাদী হয়ে ভাটারা থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মামলাটি ২০২৫ সালের ৭ জুলাই করা হয়। তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ছানোয়ার হোসেনকে এ মামলায় আসামি করা হয়েছে।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে মামলার ঘটনার সঙ্গে ছানোয়ার হোসেনের সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য, সাক্ষ্য ও অন্যান্য উপাদান পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা শেষ পর্যন্ত বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।
এর আগে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে ছানোয়ার হোসেন কারাগারে ছিলেন। চলমান মামলাগুলোর ধারাবাহিকতায় এবার সোহেলী তামান্নাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হলো।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ভাটারা এলাকায় হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেনকে ফের গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম শুনানি শেষে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ছানোয়ার হোসেনকে মামলাটিতে গ্রেপ্তার দেখানোর অনুমতি দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
এদিন কারাগার থেকে ছানোয়ার হোসেনকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। ভাটারা থানার উপপরিদর্শক মো. আমিনুর রহমান তাকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। শুনানিতে আসামিপক্ষ জামিনের আবেদন জানালে রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে। দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সকালে ভাটারা থানা এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে মামলার বাদী ও ভুক্তভোগী সোহেলী তামান্না আহত হন। অভিযোগে বলা হয়েছে, তার বাম হাতের কব্জিতে গুরুতর আঘাত লাগে এবং পিঠের দিকে গুলির আঘাতও পান। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ঘটনার পর সোহেলী তামান্না বাদী হয়ে ভাটারা থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মামলাটি ২০২৫ সালের ৭ জুলাই করা হয়। তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ছানোয়ার হোসেনকে এ মামলায় আসামি করা হয়েছে।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে মামলার ঘটনার সঙ্গে ছানোয়ার হোসেনের সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য, সাক্ষ্য ও অন্যান্য উপাদান পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা শেষ পর্যন্ত বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।
এর আগে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে ছানোয়ার হোসেন কারাগারে ছিলেন। চলমান মামলাগুলোর ধারাবাহিকতায় এবার সোহেলী তামান্নাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হলো।

আপনার মতামত লিখুন