সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে সাভারের ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সচিব (প্রশাসনিক কর্মকর্তা) আবুল কালাম আজাদকে নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে আমাদের নিজস্ব অনুসন্ধানে প্রকাশিত অভিযোগগুলোর পক্ষে নির্ভরযোগ্য ও সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
অনুসন্ধানে জানা যায়, আবুল কালাম আজাদ প্রায় ৩১ বছর ধরে স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে চাকরি করছেন। দীর্ঘ চাকরি জীবনে তিনি বেতন, সঞ্চয়, ব্যাংক ঋণ এবং নিজস্ব সম্পদ বিক্রির মাধ্যমে বাড়ি নির্মাণ করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের সমর্থনে কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন, আদালতের রায় বা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রমাণ আমাদের হাতে আসেনি।
এছাড়া ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু নিয়ে যে অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে, সে বিষয়েও আমাদের অনুসন্ধানে এমন কোনো নথি বা সরকারি সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি, যা থেকে নিশ্চিতভাবে নিয়মবহির্ভূত কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে বলা যায়।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, আবুল কালাম আজাদ দীর্ঘদিন সরকারি চাকরিতে কর্মরত ছিলেন এবং ব্যক্তিগত অর্থনৈতিক পরিকল্পনা, ব্যাংক ঋণ ও সম্পদ বিক্রির মাধ্যমে বাড়ি নির্মাণ করেছেন বলে তারা জানেন।
সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ যথাযথ তদন্ত ও আদালতের সিদ্ধান্তের আগে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা সমীচীন নয়। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তদন্তে ভিন্ন কোনো তথ্য উঠে না আসা পর্যন্ত তাকে দোষী হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই।
প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে আবুল কালাম আজাদ বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। তিনি দাবি করেন, চাকরি জীবনের বৈধ আয়, ব্যাংক ঋণ এবং নিজস্ব সম্পদ বিক্রির অর্থ দিয়ে তিনি বাড়ি নির্মাণ করেছেন। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট সব কাগজপত্র উপস্থাপন করতেও তিনি প্রস্তুত বলে জানান।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬
সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে সাভারের ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সচিব (প্রশাসনিক কর্মকর্তা) আবুল কালাম আজাদকে নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে আমাদের নিজস্ব অনুসন্ধানে প্রকাশিত অভিযোগগুলোর পক্ষে নির্ভরযোগ্য ও সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
অনুসন্ধানে জানা যায়, আবুল কালাম আজাদ প্রায় ৩১ বছর ধরে স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে চাকরি করছেন। দীর্ঘ চাকরি জীবনে তিনি বেতন, সঞ্চয়, ব্যাংক ঋণ এবং নিজস্ব সম্পদ বিক্রির মাধ্যমে বাড়ি নির্মাণ করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের সমর্থনে কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন, আদালতের রায় বা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রমাণ আমাদের হাতে আসেনি।
এছাড়া ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু নিয়ে যে অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে, সে বিষয়েও আমাদের অনুসন্ধানে এমন কোনো নথি বা সরকারি সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি, যা থেকে নিশ্চিতভাবে নিয়মবহির্ভূত কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে বলা যায়।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, আবুল কালাম আজাদ দীর্ঘদিন সরকারি চাকরিতে কর্মরত ছিলেন এবং ব্যক্তিগত অর্থনৈতিক পরিকল্পনা, ব্যাংক ঋণ ও সম্পদ বিক্রির মাধ্যমে বাড়ি নির্মাণ করেছেন বলে তারা জানেন।
সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ যথাযথ তদন্ত ও আদালতের সিদ্ধান্তের আগে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা সমীচীন নয়। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তদন্তে ভিন্ন কোনো তথ্য উঠে না আসা পর্যন্ত তাকে দোষী হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই।
প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে আবুল কালাম আজাদ বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। তিনি দাবি করেন, চাকরি জীবনের বৈধ আয়, ব্যাংক ঋণ এবং নিজস্ব সম্পদ বিক্রির অর্থ দিয়ে তিনি বাড়ি নির্মাণ করেছেন। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট সব কাগজপত্র উপস্থাপন করতেও তিনি প্রস্তুত বলে জানান।

আপনার মতামত লিখুন