সাতক্ষীরা জেলায় একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জিমি নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিভিন্ন মহলে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি সাতক্ষীরা জেলার সদর থানা এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, তিনি বিভিন্ন সময়ে নিজেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য বা বিভিন্ন কর্মকর্তার ঘনিষ্ঠ পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং ব্যক্তিগত প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। এছাড়া, তিনি নিয়মিত মাদক সেবন করেন এবং বিভিন্ন পুলিশ কর্মকর্তার কাছ থেকে মাদক নেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সম্পাদিত ভিডিও প্রচার, ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের হুমকি এবং বিভিন্ন ব্যক্তিকে মানসিকভাবে হয়রানি করার অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন।
কয়েকজন অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি বিভিন্ন সময়ে কয়েকজন থানার কর্মকর্তার সঙ্গে ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠতার কথা বলে নিজের প্রভাব প্রদর্শনের চেষ্টা করেছেন। তবে এসব দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অভিযোগকারীরা বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের দাবি, অনলাইন প্ল্যাটফর্মের অপব্যবহার করে কেউ যদি সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত বা হয়রানি করে থাকে, তবে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা উচিত।
অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন পুলিশ কর্মকর্তার নাম ভাঙিয়ে তিনি বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে নিয়মিত মাদক সংগ্রহ করেন, যা তিনি নিজেই সেবন করেন। অনেকের দাবি, মাদক সেবন না করলে তিনি স্বাভাবিক থাকতে পারেন না।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত জিমির বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ভবিষ্যতে তিনি বক্তব্য প্রদান করলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
সাতক্ষীরা জেলায় একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জিমি নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিভিন্ন মহলে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি সাতক্ষীরা জেলার সদর থানা এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, তিনি বিভিন্ন সময়ে নিজেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য বা বিভিন্ন কর্মকর্তার ঘনিষ্ঠ পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং ব্যক্তিগত প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। এছাড়া, তিনি নিয়মিত মাদক সেবন করেন এবং বিভিন্ন পুলিশ কর্মকর্তার কাছ থেকে মাদক নেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সম্পাদিত ভিডিও প্রচার, ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের হুমকি এবং বিভিন্ন ব্যক্তিকে মানসিকভাবে হয়রানি করার অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন।
কয়েকজন অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি বিভিন্ন সময়ে কয়েকজন থানার কর্মকর্তার সঙ্গে ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠতার কথা বলে নিজের প্রভাব প্রদর্শনের চেষ্টা করেছেন। তবে এসব দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অভিযোগকারীরা বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের দাবি, অনলাইন প্ল্যাটফর্মের অপব্যবহার করে কেউ যদি সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত বা হয়রানি করে থাকে, তবে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা উচিত।
অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন পুলিশ কর্মকর্তার নাম ভাঙিয়ে তিনি বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে নিয়মিত মাদক সংগ্রহ করেন, যা তিনি নিজেই সেবন করেন। অনেকের দাবি, মাদক সেবন না করলে তিনি স্বাভাবিক থাকতে পারেন না।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত জিমির বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ভবিষ্যতে তিনি বক্তব্য প্রদান করলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন