নেত্রকোনার মদনে আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডে গবাদি পশু, হাঁস-মুরগি, ছাগলসহ বিভিন্ন কিছু পুড়ে যাওয়া কৃষক পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)নাদির হোসেন শামীম।
জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের ফতেপুর(তোলাপাড়া)গ্রামে প্রান্তিক কৃষক মোঃ নজর মিয়ার গোয়াল ঘরে
আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডে তিনটি গরু, দুটি ছাগল, দশটি রাজহাঁস, ৫০টি পাতি হাঁস পুড়ে মারা যায়। এতে প্রায় পরিবারটি তিন থেকে চার লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়। এ ঘটনার তাৎক্ষণিকভাবে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাদির হোসেন শামীম। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবারকে দুই প্যাকেট শুকনা খাবার প্রদান করেন এবং কৃষকের ঘর নির্মাণ করার জন্য ডেউ টিন প্রদান করার প্রতিশ্রুতি দেন। তাছাড়া কৃষক পরিবারটিকে ক্ষতি কাটিয়ে উড়তে সরকারের পক্ষ থেকে আত্মিক অনুদান প্রদান করারও কথা জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির,ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সামিউল হায়দার শফিসহ স্থানীয় জনসাধারণ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাদির হোসেন শামীম জানান, গতকাল রাতে ফতেপুরে একজন কৃষকের গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগি সহ বিভিন্ন কিছু পড়ে যাওয়ার কথা জানতে পারি। পরে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে দুই প্যাকেট শুকনো খাবার প্রদান করেছি। এছাড়াও পরিবারটিকে ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সরকারের পক্ষ থেকে ডেউ টিন ও আর্থিক অনুদান প্রদান করার জন্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চেষ্টা করা হবে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬
নেত্রকোনার মদনে আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডে গবাদি পশু, হাঁস-মুরগি, ছাগলসহ বিভিন্ন কিছু পুড়ে যাওয়া কৃষক পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)নাদির হোসেন শামীম।
জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের ফতেপুর(তোলাপাড়া)গ্রামে প্রান্তিক কৃষক মোঃ নজর মিয়ার গোয়াল ঘরে
আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডে তিনটি গরু, দুটি ছাগল, দশটি রাজহাঁস, ৫০টি পাতি হাঁস পুড়ে মারা যায়। এতে প্রায় পরিবারটি তিন থেকে চার লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়। এ ঘটনার তাৎক্ষণিকভাবে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাদির হোসেন শামীম। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবারকে দুই প্যাকেট শুকনা খাবার প্রদান করেন এবং কৃষকের ঘর নির্মাণ করার জন্য ডেউ টিন প্রদান করার প্রতিশ্রুতি দেন। তাছাড়া কৃষক পরিবারটিকে ক্ষতি কাটিয়ে উড়তে সরকারের পক্ষ থেকে আত্মিক অনুদান প্রদান করারও কথা জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির,ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সামিউল হায়দার শফিসহ স্থানীয় জনসাধারণ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাদির হোসেন শামীম জানান, গতকাল রাতে ফতেপুরে একজন কৃষকের গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগি সহ বিভিন্ন কিছু পড়ে যাওয়ার কথা জানতে পারি। পরে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে দুই প্যাকেট শুকনো খাবার প্রদান করেছি। এছাড়াও পরিবারটিকে ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সরকারের পক্ষ থেকে ডেউ টিন ও আর্থিক অনুদান প্রদান করার জন্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চেষ্টা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন