বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত অভিযোগভিত্তিক সংবাদের পর ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) লিটুস লরেন্স চিরানকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে বদলি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সহকারী সচিব পদে পদায়ন করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, জনস্বার্থে এ বদলির আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে দ্রুত নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে বিভিন্ন জাতীয় ও অনলাইন পত্রিকায় লিটুস লরেন্স চিরানের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ দাবির অভিযোগসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এসব সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসনিক মহলে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
এদিকে তার বদলির প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বদলির কারণ হিসেবে প্রকাশিত সংবাদ বা উত্থাপিত অভিযোগের কোনো উল্লেখ করা হয়নি।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, যেসব অভিযোগ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলোর বিষয়ে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হলে প্রশাসনের জবাবদিহিতা ও জনআস্থা আরও সুদৃঢ় হবে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত অভিযোগভিত্তিক সংবাদের পর ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) লিটুস লরেন্স চিরানকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে বদলি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সহকারী সচিব পদে পদায়ন করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, জনস্বার্থে এ বদলির আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে দ্রুত নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে বিভিন্ন জাতীয় ও অনলাইন পত্রিকায় লিটুস লরেন্স চিরানের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ দাবির অভিযোগসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এসব সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসনিক মহলে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
এদিকে তার বদলির প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বদলির কারণ হিসেবে প্রকাশিত সংবাদ বা উত্থাপিত অভিযোগের কোনো উল্লেখ করা হয়নি।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, যেসব অভিযোগ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলোর বিষয়ে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হলে প্রশাসনের জবাবদিহিতা ও জনআস্থা আরও সুদৃঢ় হবে।

আপনার মতামত লিখুন