কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী সীমান্তে বাংলাদেশি জাল নোট ব্যবহার করে ভারতীয় সীমান্ত এলাকা থেকে গাঁজা ও ইয়াবা কেনার চেষ্টার অভিযোগে আনোয়ার মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ৭৫ হাজার টাকার জাল বাংলাদেশি নোট জব্দ করা হয়েছে।
সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়নের ঢেবঢেবি বাজারসংলগ্ন ভারতীয় সীমান্তগামী কাঁচা সড়ক থেকে তাঁকে আটক করা হয়। তিনি উপজেলার মইদাম কালিবাড়ি এলাকার কুদ্দুস মিয়ার ছেলে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সহকারী পুলিশ সুপার ( ভূরুঙ্গামারী সার্কেল) মুনতাসির মামুন মুন ও এসআই (নিরস্ত্র) আব্দুর রহিমের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান চালায়। এ সময় আনোয়ারের কাছ থেকে জাল নোটগুলো জব্দ করা হয়।
পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি জানিয়েছেন, তিনি জাল নোট ব্যবহার করে ভারতীয় সীমান্তসংলগ্ন এলাকা থেকে গাঁজা ও ইয়াবা সংগ্রহ করতেন। আটক হওয়ার সময় তিনি সীমান্ত অতিক্রমের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে জাল নোট নিজের হেফাজতে রাখার অভিযোগে দণ্ডবিধি, ১৮৬০ ও বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪–এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। সীমান্ত এলাকায় জাল নোট, মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী সীমান্তে বাংলাদেশি জাল নোট ব্যবহার করে ভারতীয় সীমান্ত এলাকা থেকে গাঁজা ও ইয়াবা কেনার চেষ্টার অভিযোগে আনোয়ার মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ৭৫ হাজার টাকার জাল বাংলাদেশি নোট জব্দ করা হয়েছে।
সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়নের ঢেবঢেবি বাজারসংলগ্ন ভারতীয় সীমান্তগামী কাঁচা সড়ক থেকে তাঁকে আটক করা হয়। তিনি উপজেলার মইদাম কালিবাড়ি এলাকার কুদ্দুস মিয়ার ছেলে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সহকারী পুলিশ সুপার ( ভূরুঙ্গামারী সার্কেল) মুনতাসির মামুন মুন ও এসআই (নিরস্ত্র) আব্দুর রহিমের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান চালায়। এ সময় আনোয়ারের কাছ থেকে জাল নোটগুলো জব্দ করা হয়।
পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি জানিয়েছেন, তিনি জাল নোট ব্যবহার করে ভারতীয় সীমান্তসংলগ্ন এলাকা থেকে গাঁজা ও ইয়াবা সংগ্রহ করতেন। আটক হওয়ার সময় তিনি সীমান্ত অতিক্রমের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে জাল নোট নিজের হেফাজতে রাখার অভিযোগে দণ্ডবিধি, ১৮৬০ ও বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪–এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। সীমান্ত এলাকায় জাল নোট, মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন