গাইবান্ধা ২০০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে রোগীদের জন্য সরকারি বরাদ্দের খাবার সরবরাহে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে।
গাইবান্ধা-২ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ আব্দুল করিম এমপি পরিদর্শনে রোগীদের খাবারের
মান ও পরিমাণে গুরুতর অসঙ্গতি প্রকাশ্যে আসে।
রবিবার দুপুরে হাসপাতালটি পরিদর্শনকালে তিনি রোগীদের জন্য পরিবেশিত খাবার সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
এ সময় দেখা যায়, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী একজন রোগীর জন্য ১৯০ গ্রাম মুরগির মাংস বরাদ্দ থাকলেও বাস্তবে পরিবেশন করা হচ্ছে মাত্র ২৫ থেকে ৪০ গ্রাম। গড়ে অনেক রোগী পাচ্ছেন প্রায় ৩৫ গ্রাম মাংস।
এছাড়াও রুটি, কলাসহ অন্যান্য খাদ্যসামগ্রীর পরিমাণ ও মানেও অসঙ্গতির অভিযোগ পাওয়া যায়।
এ ধরনের অনিয়ম দেখে
ক্ষোভ প্রকাশ করেন সংসদ সদস্য মোঃ আব্দুল করিম।
তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি হাসপাতালের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং রোগীদের
জন্য মানসম্মত, নিরাপদ ও মানবিক স্বাস্থ্যসেবা
নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশনা দেন।
পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, হাসপাতালে যেসব অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে, সেগুলো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
রোগীদের অধিকার রক্ষায় এবং সরকারি বরাদ্দের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে সব ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনার পর হাসপাতালের সেবার মান, সরকারি বরাদ্দের যথাযথ ব্যবহার এবং রোগীদের প্রাপ্য অধিকার নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
অনেকেই দ্রুত তদন্তে দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬
গাইবান্ধা ২০০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে রোগীদের জন্য সরকারি বরাদ্দের খাবার সরবরাহে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে।
গাইবান্ধা-২ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ আব্দুল করিম এমপি পরিদর্শনে রোগীদের খাবারের
মান ও পরিমাণে গুরুতর অসঙ্গতি প্রকাশ্যে আসে।
রবিবার দুপুরে হাসপাতালটি পরিদর্শনকালে তিনি রোগীদের জন্য পরিবেশিত খাবার সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
এ সময় দেখা যায়, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী একজন রোগীর জন্য ১৯০ গ্রাম মুরগির মাংস বরাদ্দ থাকলেও বাস্তবে পরিবেশন করা হচ্ছে মাত্র ২৫ থেকে ৪০ গ্রাম। গড়ে অনেক রোগী পাচ্ছেন প্রায় ৩৫ গ্রাম মাংস।
এছাড়াও রুটি, কলাসহ অন্যান্য খাদ্যসামগ্রীর পরিমাণ ও মানেও অসঙ্গতির অভিযোগ পাওয়া যায়।
এ ধরনের অনিয়ম দেখে
ক্ষোভ প্রকাশ করেন সংসদ সদস্য মোঃ আব্দুল করিম।
তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি হাসপাতালের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং রোগীদের
জন্য মানসম্মত, নিরাপদ ও মানবিক স্বাস্থ্যসেবা
নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশনা দেন।
পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, হাসপাতালে যেসব অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে, সেগুলো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
রোগীদের অধিকার রক্ষায় এবং সরকারি বরাদ্দের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে সব ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনার পর হাসপাতালের সেবার মান, সরকারি বরাদ্দের যথাযথ ব্যবহার এবং রোগীদের প্রাপ্য অধিকার নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
অনেকেই দ্রুত তদন্তে দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে

আপনার মতামত লিখুন