দৈনিক উত্তরের নিউজ
প্রকাশ : রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

তারিখ=০৯/০৮/২০২৬ ইং  বন্দরের রাস্তার ফোরলেন কাজের উদ্ভোধন করলেন ডা. জাহিদ

তারিখ=০৯/০৮/২০২৬ ইং বন্দরের রাস্তার ফোরলেন কাজের উদ্ভোধন করলেন ডা. জাহিদ

ছাত্রদল থেকে ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃত্বে ৩৫ বছরের সংগ্রাম—১৬ মামলার ঝড় পেরিয়ে এবার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সেই শিক্ষক নেতা

ছাত্রদল থেকে ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃত্বে ৩৫ বছরের সংগ্রাম—১৬ মামলার ঝড় পেরিয়ে এবার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সেই শিক্ষক নেতা

মদনে ইজারার নামে চাঁদা আদায়, সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হুমকি

মদনে ইজারার নামে চাঁদা আদায়, সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হুমকি

ইউএনওকে জানানোর পরও ঠাকুরগাঁওয়ে বাল্যবিবাহ  কাজীর ‘খসড়া বিয়ে’ বক্তব্যে বিতর্ক, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন!

ইউএনওকে জানানোর পরও ঠাকুরগাঁওয়ে বাল্যবিবাহ কাজীর ‘খসড়া বিয়ে’ বক্তব্যে বিতর্ক, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন!

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ক্রয় কৃত জমি জবরদখলের চেষ্টা ও রোপণ কিত গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ক্রয় কৃত জমি জবরদখলের চেষ্টা ও রোপণ কিত গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে

১১দফা দাবীতে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপিপ্রদান

১১দফা দাবীতে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপিপ্রদান

তিস্তার আকস্মিক বন্যায় ভেঙে গেল সড়ক, ভোগান্তিতে ২ হাজার পরিবার

তিস্তার আকস্মিক বন্যায় ভেঙে গেল সড়ক, ভোগান্তিতে ২ হাজার পরিবার

ছাতকে পূর্ববিরোধের জেরে সংঘর্ষ: হত্যাচেষ্টা, গুরুতর জখম ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ছাতকে পূর্ববিরোধের জেরে সংঘর্ষ: হত্যাচেষ্টা, গুরুতর জখম ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ময়মনসিংহ টিচার্স ট্রেনিং কলেজ (পুরুষ) অধ্যক্ষের বাসভবন কমপ্লেক্সটি ধ্বংসের পথে

ময়মনসিংহ টিচার্স ট্রেনিং কলেজ (পুরুষ) অধ্যক্ষের বাসভবন কমপ্লেক্সটি ধ্বংসের পথে

ময়মনসিংহ সরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ মহাবিদ্যালয় টি.টি.(পুরুষ) কলেজ-এর বর্তমান অধ্যক্ষ রিজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সূত্রমতে, অতীতেও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনকালে তিনি একাধিকবার বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে আলোচনায় এসেছিলেন এবং অভিযুক্ত প্রমানিত হয়ে (ওএসডি) হয়েছেন

পরবর্তীতে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ-২ শাখা থেকে ২৬ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ওএসডি অধ্যাপক (শিক্ষা) রিজিয়া সুলতানাকে মাউশি অধিদপ্তর, ঢাকা থেকে সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ময়মনসিংহে বদলি ও পদায়ন করা হয়। এবং দায়িত্বভার বুঝে নেন

পরবর্তীতে ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর (ইইউ), ময়মনসিংহের নির্বাহী প্রকৌশলী, সহকারী প্রকৌশলী ও উপ-সহকারী প্রকৌশলীর যৌথ স্বাক্ষরিত পরিদর্শন প্রতিবেদনে অধ্যক্ষের বাসভবন, গাড়ী রাখার গ্যারেজ ও গার্ড হাউস সম্পর্কে উল্লেখ করা হয় যে ভবনের চারপাশে আগাছা রয়েছে, বিভিন্ন দেয়াল স্যাঁতসেঁতে, রং নষ্ট, ছাদ দিয়ে পানি পড়ে, টয়লেটের স্যানিটারি ফিটিংস অকার্যকর এবং বৈদ্যুতিক ত্রুটি বিদ্যমান। এছাড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী, গেট ও পুকুরপাড় জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে এ ভবনের সংস্কারের জন্য কোনো বরাদ্দ পাওয়া যায়নি।

তবে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী দেখা যায় যে মাত্র ১টি ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে সংস্কারের জন্য বরাদ্দ পাওয়া যায়নি কিন্তু প্রতি বছরই মেরামত করার জন্য তো বিগত দিনগুলোতে নিয়মিত অর্থ বরাদ্দ না থাকলেও ঐ সময়গুলোতে সাবেক অধ্যক্ষরা ঠিকই বসবাস করতেন। সার্বিক মেরামত ও সংস্কার ও রিমডেলিং কাজ ২৭ শে আগষ্ট ২০১৬ উদ্বোধনের পর ২০২২-২৩ অর্থ বছরে পুঃরায় মেরামত ও সংস্কার কাজ করার কোন প্রয়োজন পড়েনি তবে কলেজ-সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র দাবি করেছে, এর আগের বছরগুলোতে একই বাসভবনে অধ্যক্ষরা বসবাস করেছেন এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে লাখ লাখ টাকা ব্যয়ে বাসভবনটি সংস্কার ও আধুনিকায়ন করা হয়েছিল। ফলে ভবনটিকে সম্পূর্ণ ব্যবহার অনুপযোগী হিসেবে চিহ্নিত করার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা।

এ সময়ে সাবেক ও বর্তমান পিআরএল এ থাকা অধ্যক্ষ জয়নাল আবেদীন খান এ বাস ভবনে তার বসবাসের সময়ে অর্থ বছরে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ইষ্টিমিট অনুযায়ী বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যায় করে সম্পূর্ণ মেরামত করা হয়েছিলো। এ সময়ে  ভবনে টাইলস ও থাই ফিটিংস দিয়ে উন্নত করা হয়। সাবেক সরকারের ধর্ম মন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান এর নির্দেশে ময়মনসিংহ সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ (পুরুষ) সার্বিক উন্নয়নের মধ্যে অধ্যক্ষ বাস ভবনটি শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ইষ্টিমিট অনুযায়ী লাখ লাখ টাকা ব্যায় করে মেরামত, সংস্কার ও অত্যাধুনিক ভাবে রিমডেলিং করা হয়। তিনি গত ২৭শে আগষ্ট ২০১৬ ইং তারিখে উক্ত উন্নয়ন মুলুক কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।   

এদিকে ৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে কলেজের এক স্মারকে অধ্যক্ষ রিজিয়া সুলতানা কলেজ হোস্টেলের নিচতলার ১১৩ নম্বর কক্ষের একটি সিট বরাদ্দের আবেদন করেন। আবেদনপত্রে তিনি সরকারি বিধি অনুযায়ী প্রাপ্য বাড়ি ভাড়ার ১০ শতাংশ কর্তনের বিষয়টি উল্লেখ করেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, আবেদনপত্রের তারিখের আগেই, তিনি ওই কক্ষে অবস্থান শুরু করেন।

উল্লেখ্য যে টিটি কলেজ (পুরুষ) ছাত্র হোস্টেল কে অস্থায়ী ভাবে র‍্যাব-১৪ এর ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তর থাকাকালীন সময়ে অধিনায়ক যে কটি কক্ষ নিয়ে অস্থায়ী ভাবে বসবাস করতেন সেই ভবন ছেড়ে দেওয়ার পর উক্ত ভবনে যাহা টাইলসকৃত কক্ষ গুলোতে অধ্যক্ষ রিজিয়া সুলতানা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ১টি মাত্র সিটের বরাদ্দ নেন উদ্দেশ্য হাউস রেন্ট ফাঁকি দেওয়া বা অভিনব কৌশলে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা। 

এর পরে ১২ মার্চ ২০২৬ তারিখে কোতোয়ালি মডেল থানায় দাখিলকৃত একটি সাধারণ ডায়েরিতে অধ্যক্ষ রিজিয়া সুলতানা উল্লেখ করেন যে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের পরিদর্শনের তিন থেকে চার দিন আগে দুর্বৃত্তরা বাসভবনে প্রবেশ করে দরজা, জানালা, গ্রিল, কাচ, বাথরুমের বেসিনসহ বিভিন্ন সামগ্রী চুরি করে নিয়ে যায়। তবে সংশ্লিষ্ট পরিদর্শন প্রতিবেদনে এমন কোনো চুরির ঘটনার উল্লেখ পাওয়া যায়নি। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে অধ্যক্ষের সরকারি বাসভবনটি রিজিয়া সুলতানা যোগদান করার পর থেকেই খালি পড়ে রয়েছে। ফলে ভবন ও এর আশপাশের অবকাঠামো অযত্নে নষ্ট হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, যে কলেজের নিজস্ব বিবিধ খরচের জন্য অর্থ থাকা সত্বেও উক্ত তহবিল থেকে অধ্যক্ষ কমপ্লেক্স এর অভ্যন্তরে যে ঝোপঝাড় জঞ্জাল গজিয়েছে তা সামান্য কয়েক হাজার টাকা ব্যায় করলে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা হয়ে যেতো অধ্যক্ষ রিজিয়া সুলতানা তা না করে এর দৃশ্যমান ধ্বংস দেখার অপেক্ষায় ছিলেন এবং তাই হতে চলছে আর এর অব্যবহৃত থাকার সুযোগে বহিরাগতদের যাতায়াত বেড়েছে এবং এলাকাটি মাদকসেবী ও অসামাজিক কার্যকলাপের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে, যা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

জানা গেছে, গত ৯ জুলাই ঢাকার টি.টি কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়ন পান অধ্যাপক রিজিয়া সুলতানা। তখন থেকেই তিনি বিধিবহির্ভূতভাবে কলেজের বিজ্ঞান উন্নয়ন হোস্টেলের দ্বিতীয় তলায় দুটি কক্ষ নিয়ে নামমাত্র খরচে নিয়মিত বসবাস করে থাকার অভিযোগ ছিলো। অথচ এই হোস্টেল মূলত প্রশিক্ষণ নিতে আসা শিক্ষকদের থাকার জন্য তৈরি করা হয়েছিলো। এ সময়ে অধ্যক্ষের নিজের জন্য বরাদ্দকৃত কোয়ার্টারে থাকতেন সাবেক অধ্যক্ষ গোলাম ফারুক যিনি কিনা এক বছরের বেশি সময় আগেই অবসরে চলে গিয়েছিলেন। সূত্রমতে, তার কাছ থেকে নিয়মিত ভাড়া নিয়েছেন অধ্যক্ষ রিজিয়া সুলতানা। 

এর আগেও কুমিল্লায় সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজে অধ্যক্ষ থাকাকালে সেখানেও তিনি অনিয়মতান্ত্রিকভাবে প্রশিক্ষণার্থী শিক্ষকদের থাকার পাঁচটি কক্ষ দখলে নিয়ে দুই বছর বসবাস করার অভিযোগ রয়েছে তারও আগে ফেনী সরকারি টিটি কলেজে দায়িত্ব পালনকালে ঐ সময়ে একই কর্মকান্ড চালিয়ে ছিলেন বলে সূত্র দাবী করেছেন।

উল্লেখ্য যে উপরোল্লিখিত অধ্যক্ষ রিজিয়া সুলতানার ২৬শে নভেম্বর ২০২৫ইং তারিখে ময়মনসিংহ টিটি কলেজে যোগদান করার আগে বিগত সময়ে পরপর যে তিনটি টিটি কলেজে যোগদান করে যে পরিকল্পনা মাফিক অধ্যক্ষ বাস ভবন কে বসবাসের অনুপোযোগী ও অকার্যকর করতে যা যা পরিকল্পনা করেছিলো ও পরবর্তীতে প্রকাশ পেয়ে গেলে ধরা খেয়ে যান সেই একই রকম কর্ম পরিকল্পনা ময়মনসিংহে যোগদান করেই তার কার্যক্রম শুরু করেছেন। প্রথমে স্মারক নং টিটিক/২২১/১(৬) তারিখ ২৯/১১/২০২৫ ইং এ শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে অধ্যক্ষ বাস ভবন পরিদর্শনের জন্য আবেদন করে রিজিয়া সুলতানা এরপর তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি পরিদর্শন করেন এবং তার রিপোর্ট প্রদান করেন ১৪/১২/২০২৫ইং। 

যে খানে ভবনটিকে বসবাসের অনুপোযোগী ও মেরামত করার মত ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে বরাদ্দ নেই বলে জানান।এরপরই অথাৎ ০৮/০১/২০২৬ ইং এ ছাত্র হোস্টেলে তার থাকার জন্য ১টি সিট বরাদ্দের জন্য আবেদন করেন ০১/০১/২০২৬ ইং তারিখে। অস্থায়ী ভাবে ১০% বাড়ী ভাড়া কর্তন সহ উক্ত সিটে বসবাস করা শুরু করেন কিন্তু উক্ত হোস্টেলের টাইলস থাই ফিটিংস সহ চার কক্ষ বিশিষ্ট অস্থায়ী র‍্যাব অধিনায়কের বাস ভবনের দখল নিয়ে অধ্যক্ষ রিজিয়া সুলতানা বসবাস করছেন এটিকে তিনি ১ সিটের হিসেবে বরাদ্দ করান যাহার স্মারক নং টিটি-ক/ময়-২৬৩/১(ক)তাং—১৬/১২/২০২৫ ইং এর পরই তিনি স্মারক নং টিটি.ক/ময়-১১৯ তাং— ১২/০৩/২০২৬ তারিখে কোতোয়ালি মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি অভিযোগ পত্র দায়ের করেন। সেই আবেদনে তিনি রিজিয়া সুলতানা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রতিবেদন সংযুক্ত করেছেন এবং বলেন যে বিগত ৩-৪ দিন পূর্বে কে বা কারা বাস ভবনের মূল্য বান ফিটিংস খুলে নিয়ে গেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন। অথচ শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের পরিকল্পনায় ও ইষ্টিমিট অনুযায়ী মেরামত ও সংস্কার টাইলস ও থাই ফিটিংস সহ রিমডেলিং এবং অত্যাধুনিক ভাবে বসবাস যোগ্য হিসাবে এর নির্মাণ ও আধুনিকায়ন করা হয় আর এর উদ্বোধন করেন গত সরকারের ধর্ম মন্ত্রী মতিউর রহমান ২৭শে আগষ্ট ২০১৬ ইং তারিখ। উক্ত ভবনে সাবেক অধ্যক্ষ এলপিআরে থাকা জয়নাল আবেদীন খান দীর্ঘ সময় বসবাস করার পর উপাধ্যক্ষকে উক্ত বাস ভবনে উঠিয়ে রেখে যান তিনি প্রায় দুমাসের মাথায় বর্তমান অধ্যক্ষ রিজিয়া সুলতানা যোগদান করলে তিনি বাসাটি তার উঠার জন্য ছেড়ে যান এতে প্রতিয়মান হয় যে ভবন সম্পূর্ণ সচল ছিলো এ ব্যাপারে ময়মনসিংহের সুশীল সমাজ তার এসব কর্মকান্ডের প্রতি সংশ্লিষ্ট উধ্বর্তন কতৃপক্ষের দৃষ্টি দেয়া সহ সরজমিনে তদন্ত দাবী করেছেন এবং এ সময়ে পাঠকদের ভবনটি দৃশ্যমান দেখার জন্য অনুরোধ করেছেন। উল্লেখ্য যে উপরোল্লিখিত অধ্যক্ষ রিজিয়া সুলতানার ২৬শে নভেম্বর ২০২৫ইং তারিখে ময়মনসিংহ টিটি কলেজে যোগদান করার আগে বিগত সময়ে পরপর যে তিনটি টিটি কলেজে যোগদান করে যে পরিকল্পনা মাফিক অধ্যক্ষ বাস ভবন কে বসবাসের অনুপোযোগী ও অকার্যকর করতে যা যা পরিকল্পনা করেছিলো ও পরবর্তীতে প্রকাশ পেয়ে গেলে ধরা খেয়ে যান সেই একই রকম কর্ম পরিকল্পনা ময়মনসিংহে যোগদান করেই তার কার্যক্রম শুরু করেছেন। প্রথমে স্মারক নং টিটিক/২২১/১(৬) তারিখ ২৯/১১/২০২৫ ইং এ শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে অধ্যক্ষ বাস ভবন পরিদর্শনের জন্য আবেদন করে রিজিয়া সুলতানা এরপর তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি পরিদর্শন করেন এবং তার রিপোর্ট প্রদান করেন ১৪/১২/২০২৫ইং। 

যে খানে ভবনটিকে বসবাসের অনুপোযোগী ও মেরামত করার মত ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে বরাদ্দ নেই বলে জানান।এরপরই অথাৎ ০৮/০১/২০২৬ ইং এ ছাত্র হোস্টেলে তার থাকার জন্য ১টি সিট বরাদ্দের জন্য আবেদন করেন ০১/০১/২০২৬ ইং তারিখে। অস্থায়ী ভাবে ১০% বাড়ী ভাড়া কর্তন সহ উক্ত সিটে বসবাস করা শুরু করেন কিন্তু উক্ত হোস্টেলের টাইলস থাই ফিটিংস সহ চার কক্ষ বিশিষ্ট অস্থায়ী র‍্যাব অধিনায়কের বাস ভবনের দখল নিয়ে অধ্যক্ষ রিজিয়া সুলতানা বসবাস করছেন এটিকে তিনি ১ সিটের হিসেবে বরাদ্দ করান যাহার স্মারক নং টিটি-ক/ময়-২৬৩/১(ক)তাং—১৬/১২/২০২৫ ইং এর পরই তিনি স্মারক নং টিটি.ক/ময়-১১৯ তাং— ১২/০৩/২০২৬ তারিখে কোতোয়ালি মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি অভিযোগ পত্র দায়ের করেন। সেই আবেদনে তিনি রিজিয়া সুলতানা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রতিবেদন সংযুক্ত করেছেন এবং বলেন যে বিগত ৩-৪ দিন পূর্বে কে বা কারা বাস ভবনের মূল্য বান ফিটিংস খুলে নিয়ে গেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন। অথচ শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের পরিকল্পনায় ও ইষ্টিমিট অনুযায়ী মেরামত ও সংস্কার টাইলস ও থাই ফিটিংস সহ রিমডেলিং এবং অত্যাধুনিক ভাবে বসবাস যোগ্য হিসাবে এর নির্মাণ ও আধুনিকায়ন করা হয় আর এর উদ্বোধন করেন গত সরকারের ধর্ম মন্ত্রী মতিউর রহমান ২৭শে আগষ্ট ২০১৬ ইং তারিখ। উক্ত ভবনে সাবেক অধ্যক্ষ এলপিআরে থাকা জয়নাল আবেদীন খান দীর্ঘ সময় বসবাস করার পর উপাধ্যক্ষকে উক্ত বাস ভবনে উঠিয়ে রেখে যান তিনি প্রায় দুমাসের মাথায় বর্তমান অধ্যক্ষ রিজিয়া সুলতানা যোগদান করলে তিনি বাসাটি তার উঠার জন্য ছেড়ে যান এতে প্রতিয়মান হয় যে ভবন সম্পূর্ণ সচল ছিলো এ ব্যাপারে ময়মনসিংহের সুশীল সমাজ তার এসব কর্মকান্ডের প্রতি সংশ্লিষ্ট উধ্বর্তন কতৃপক্ষের দৃষ্টি দেয়া সহ সরজমিনে তদন্ত দাবী করেছেন এবং এ সময়ে পাঠকদের ভবনটি দৃশ্যমান দেখার জন্য অনুরোধ করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক উত্তরের নিউজ

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


ময়মনসিংহ টিচার্স ট্রেনিং কলেজ (পুরুষ) অধ্যক্ষের বাসভবন কমপ্লেক্সটি ধ্বংসের পথে

প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬

featured Image

ময়মনসিংহ সরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ মহাবিদ্যালয় টি.টি.(পুরুষ) কলেজ-এর বর্তমান অধ্যক্ষ রিজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সূত্রমতে, অতীতেও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনকালে তিনি একাধিকবার বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে আলোচনায় এসেছিলেন এবং অভিযুক্ত প্রমানিত হয়ে (ওএসডি) হয়েছেন

পরবর্তীতে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ-২ শাখা থেকে ২৬ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ওএসডি অধ্যাপক (শিক্ষা) রিজিয়া সুলতানাকে মাউশি অধিদপ্তর, ঢাকা থেকে সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ময়মনসিংহে বদলি ও পদায়ন করা হয়। এবং দায়িত্বভার বুঝে নেন

পরবর্তীতে ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর (ইইউ), ময়মনসিংহের নির্বাহী প্রকৌশলী, সহকারী প্রকৌশলী ও উপ-সহকারী প্রকৌশলীর যৌথ স্বাক্ষরিত পরিদর্শন প্রতিবেদনে অধ্যক্ষের বাসভবন, গাড়ী রাখার গ্যারেজ ও গার্ড হাউস সম্পর্কে উল্লেখ করা হয় যে ভবনের চারপাশে আগাছা রয়েছে, বিভিন্ন দেয়াল স্যাঁতসেঁতে, রং নষ্ট, ছাদ দিয়ে পানি পড়ে, টয়লেটের স্যানিটারি ফিটিংস অকার্যকর এবং বৈদ্যুতিক ত্রুটি বিদ্যমান। এছাড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী, গেট ও পুকুরপাড় জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে এ ভবনের সংস্কারের জন্য কোনো বরাদ্দ পাওয়া যায়নি।

তবে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী দেখা যায় যে মাত্র ১টি ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে সংস্কারের জন্য বরাদ্দ পাওয়া যায়নি কিন্তু প্রতি বছরই মেরামত করার জন্য তো বিগত দিনগুলোতে নিয়মিত অর্থ বরাদ্দ না থাকলেও ঐ সময়গুলোতে সাবেক অধ্যক্ষরা ঠিকই বসবাস করতেন। সার্বিক মেরামত ও সংস্কার ও রিমডেলিং কাজ ২৭ শে আগষ্ট ২০১৬ উদ্বোধনের পর ২০২২-২৩ অর্থ বছরে পুঃরায় মেরামত ও সংস্কার কাজ করার কোন প্রয়োজন পড়েনি তবে কলেজ-সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র দাবি করেছে, এর আগের বছরগুলোতে একই বাসভবনে অধ্যক্ষরা বসবাস করেছেন এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে লাখ লাখ টাকা ব্যয়ে বাসভবনটি সংস্কার ও আধুনিকায়ন করা হয়েছিল। ফলে ভবনটিকে সম্পূর্ণ ব্যবহার অনুপযোগী হিসেবে চিহ্নিত করার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা।

এ সময়ে সাবেক ও বর্তমান পিআরএল এ থাকা অধ্যক্ষ জয়নাল আবেদীন খান এ বাস ভবনে তার বসবাসের সময়ে অর্থ বছরে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ইষ্টিমিট অনুযায়ী বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যায় করে সম্পূর্ণ মেরামত করা হয়েছিলো। এ সময়ে  ভবনে টাইলস ও থাই ফিটিংস দিয়ে উন্নত করা হয়। সাবেক সরকারের ধর্ম মন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান এর নির্দেশে ময়মনসিংহ সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ (পুরুষ) সার্বিক উন্নয়নের মধ্যে অধ্যক্ষ বাস ভবনটি শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ইষ্টিমিট অনুযায়ী লাখ লাখ টাকা ব্যায় করে মেরামত, সংস্কার ও অত্যাধুনিক ভাবে রিমডেলিং করা হয়। তিনি গত ২৭শে আগষ্ট ২০১৬ ইং তারিখে উক্ত উন্নয়ন মুলুক কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।   

এদিকে ৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে কলেজের এক স্মারকে অধ্যক্ষ রিজিয়া সুলতানা কলেজ হোস্টেলের নিচতলার ১১৩ নম্বর কক্ষের একটি সিট বরাদ্দের আবেদন করেন। আবেদনপত্রে তিনি সরকারি বিধি অনুযায়ী প্রাপ্য বাড়ি ভাড়ার ১০ শতাংশ কর্তনের বিষয়টি উল্লেখ করেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, আবেদনপত্রের তারিখের আগেই, তিনি ওই কক্ষে অবস্থান শুরু করেন।

উল্লেখ্য যে টিটি কলেজ (পুরুষ) ছাত্র হোস্টেল কে অস্থায়ী ভাবে র‍্যাব-১৪ এর ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তর থাকাকালীন সময়ে অধিনায়ক যে কটি কক্ষ নিয়ে অস্থায়ী ভাবে বসবাস করতেন সেই ভবন ছেড়ে দেওয়ার পর উক্ত ভবনে যাহা টাইলসকৃত কক্ষ গুলোতে অধ্যক্ষ রিজিয়া সুলতানা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ১টি মাত্র সিটের বরাদ্দ নেন উদ্দেশ্য হাউস রেন্ট ফাঁকি দেওয়া বা অভিনব কৌশলে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা। 

এর পরে ১২ মার্চ ২০২৬ তারিখে কোতোয়ালি মডেল থানায় দাখিলকৃত একটি সাধারণ ডায়েরিতে অধ্যক্ষ রিজিয়া সুলতানা উল্লেখ করেন যে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের পরিদর্শনের তিন থেকে চার দিন আগে দুর্বৃত্তরা বাসভবনে প্রবেশ করে দরজা, জানালা, গ্রিল, কাচ, বাথরুমের বেসিনসহ বিভিন্ন সামগ্রী চুরি করে নিয়ে যায়। তবে সংশ্লিষ্ট পরিদর্শন প্রতিবেদনে এমন কোনো চুরির ঘটনার উল্লেখ পাওয়া যায়নি। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে অধ্যক্ষের সরকারি বাসভবনটি রিজিয়া সুলতানা যোগদান করার পর থেকেই খালি পড়ে রয়েছে। ফলে ভবন ও এর আশপাশের অবকাঠামো অযত্নে নষ্ট হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, যে কলেজের নিজস্ব বিবিধ খরচের জন্য অর্থ থাকা সত্বেও উক্ত তহবিল থেকে অধ্যক্ষ কমপ্লেক্স এর অভ্যন্তরে যে ঝোপঝাড় জঞ্জাল গজিয়েছে তা সামান্য কয়েক হাজার টাকা ব্যায় করলে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা হয়ে যেতো অধ্যক্ষ রিজিয়া সুলতানা তা না করে এর দৃশ্যমান ধ্বংস দেখার অপেক্ষায় ছিলেন এবং তাই হতে চলছে আর এর অব্যবহৃত থাকার সুযোগে বহিরাগতদের যাতায়াত বেড়েছে এবং এলাকাটি মাদকসেবী ও অসামাজিক কার্যকলাপের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে, যা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

জানা গেছে, গত ৯ জুলাই ঢাকার টি.টি কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়ন পান অধ্যাপক রিজিয়া সুলতানা। তখন থেকেই তিনি বিধিবহির্ভূতভাবে কলেজের বিজ্ঞান উন্নয়ন হোস্টেলের দ্বিতীয় তলায় দুটি কক্ষ নিয়ে নামমাত্র খরচে নিয়মিত বসবাস করে থাকার অভিযোগ ছিলো। অথচ এই হোস্টেল মূলত প্রশিক্ষণ নিতে আসা শিক্ষকদের থাকার জন্য তৈরি করা হয়েছিলো। এ সময়ে অধ্যক্ষের নিজের জন্য বরাদ্দকৃত কোয়ার্টারে থাকতেন সাবেক অধ্যক্ষ গোলাম ফারুক যিনি কিনা এক বছরের বেশি সময় আগেই অবসরে চলে গিয়েছিলেন। সূত্রমতে, তার কাছ থেকে নিয়মিত ভাড়া নিয়েছেন অধ্যক্ষ রিজিয়া সুলতানা। 

এর আগেও কুমিল্লায় সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজে অধ্যক্ষ থাকাকালে সেখানেও তিনি অনিয়মতান্ত্রিকভাবে প্রশিক্ষণার্থী শিক্ষকদের থাকার পাঁচটি কক্ষ দখলে নিয়ে দুই বছর বসবাস করার অভিযোগ রয়েছে তারও আগে ফেনী সরকারি টিটি কলেজে দায়িত্ব পালনকালে ঐ সময়ে একই কর্মকান্ড চালিয়ে ছিলেন বলে সূত্র দাবী করেছেন।


উল্লেখ্য যে উপরোল্লিখিত অধ্যক্ষ রিজিয়া সুলতানার ২৬শে নভেম্বর ২০২৫ইং তারিখে ময়মনসিংহ টিটি কলেজে যোগদান করার আগে বিগত সময়ে পরপর যে তিনটি টিটি কলেজে যোগদান করে যে পরিকল্পনা মাফিক অধ্যক্ষ বাস ভবন কে বসবাসের অনুপোযোগী ও অকার্যকর করতে যা যা পরিকল্পনা করেছিলো ও পরবর্তীতে প্রকাশ পেয়ে গেলে ধরা খেয়ে যান সেই একই রকম কর্ম পরিকল্পনা ময়মনসিংহে যোগদান করেই তার কার্যক্রম শুরু করেছেন। প্রথমে স্মারক নং টিটিক/২২১/১(৬) তারিখ ২৯/১১/২০২৫ ইং এ শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে অধ্যক্ষ বাস ভবন পরিদর্শনের জন্য আবেদন করে রিজিয়া সুলতানা এরপর তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি পরিদর্শন করেন এবং তার রিপোর্ট প্রদান করেন ১৪/১২/২০২৫ইং। 

যে খানে ভবনটিকে বসবাসের অনুপোযোগী ও মেরামত করার মত ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে বরাদ্দ নেই বলে জানান।এরপরই অথাৎ ০৮/০১/২০২৬ ইং এ ছাত্র হোস্টেলে তার থাকার জন্য ১টি সিট বরাদ্দের জন্য আবেদন করেন ০১/০১/২০২৬ ইং তারিখে। অস্থায়ী ভাবে ১০% বাড়ী ভাড়া কর্তন সহ উক্ত সিটে বসবাস করা শুরু করেন কিন্তু উক্ত হোস্টেলের টাইলস থাই ফিটিংস সহ চার কক্ষ বিশিষ্ট অস্থায়ী র‍্যাব অধিনায়কের বাস ভবনের দখল নিয়ে অধ্যক্ষ রিজিয়া সুলতানা বসবাস করছেন এটিকে তিনি ১ সিটের হিসেবে বরাদ্দ করান যাহার স্মারক নং টিটি-ক/ময়-২৬৩/১(ক)তাং—১৬/১২/২০২৫ ইং এর পরই তিনি স্মারক নং টিটি.ক/ময়-১১৯ তাং— ১২/০৩/২০২৬ তারিখে কোতোয়ালি মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি অভিযোগ পত্র দায়ের করেন। সেই আবেদনে তিনি রিজিয়া সুলতানা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রতিবেদন সংযুক্ত করেছেন এবং বলেন যে বিগত ৩-৪ দিন পূর্বে কে বা কারা বাস ভবনের মূল্য বান ফিটিংস খুলে নিয়ে গেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন। অথচ শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের পরিকল্পনায় ও ইষ্টিমিট অনুযায়ী মেরামত ও সংস্কার টাইলস ও থাই ফিটিংস সহ রিমডেলিং এবং অত্যাধুনিক ভাবে বসবাস যোগ্য হিসাবে এর নির্মাণ ও আধুনিকায়ন করা হয় আর এর উদ্বোধন করেন গত সরকারের ধর্ম মন্ত্রী মতিউর রহমান ২৭শে আগষ্ট ২০১৬ ইং তারিখ। উক্ত ভবনে সাবেক অধ্যক্ষ এলপিআরে থাকা জয়নাল আবেদীন খান দীর্ঘ সময় বসবাস করার পর উপাধ্যক্ষকে উক্ত বাস ভবনে উঠিয়ে রেখে যান তিনি প্রায় দুমাসের মাথায় বর্তমান অধ্যক্ষ রিজিয়া সুলতানা যোগদান করলে তিনি বাসাটি তার উঠার জন্য ছেড়ে যান এতে প্রতিয়মান হয় যে ভবন সম্পূর্ণ সচল ছিলো এ ব্যাপারে ময়মনসিংহের সুশীল সমাজ তার এসব কর্মকান্ডের প্রতি সংশ্লিষ্ট উধ্বর্তন কতৃপক্ষের দৃষ্টি দেয়া সহ সরজমিনে তদন্ত দাবী করেছেন এবং এ সময়ে পাঠকদের ভবনটি দৃশ্যমান দেখার জন্য অনুরোধ করেছেন। উল্লেখ্য যে উপরোল্লিখিত অধ্যক্ষ রিজিয়া সুলতানার ২৬শে নভেম্বর ২০২৫ইং তারিখে ময়মনসিংহ টিটি কলেজে যোগদান করার আগে বিগত সময়ে পরপর যে তিনটি টিটি কলেজে যোগদান করে যে পরিকল্পনা মাফিক অধ্যক্ষ বাস ভবন কে বসবাসের অনুপোযোগী ও অকার্যকর করতে যা যা পরিকল্পনা করেছিলো ও পরবর্তীতে প্রকাশ পেয়ে গেলে ধরা খেয়ে যান সেই একই রকম কর্ম পরিকল্পনা ময়মনসিংহে যোগদান করেই তার কার্যক্রম শুরু করেছেন। প্রথমে স্মারক নং টিটিক/২২১/১(৬) তারিখ ২৯/১১/২০২৫ ইং এ শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে অধ্যক্ষ বাস ভবন পরিদর্শনের জন্য আবেদন করে রিজিয়া সুলতানা এরপর তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি পরিদর্শন করেন এবং তার রিপোর্ট প্রদান করেন ১৪/১২/২০২৫ইং। 

যে খানে ভবনটিকে বসবাসের অনুপোযোগী ও মেরামত করার মত ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে বরাদ্দ নেই বলে জানান।এরপরই অথাৎ ০৮/০১/২০২৬ ইং এ ছাত্র হোস্টেলে তার থাকার জন্য ১টি সিট বরাদ্দের জন্য আবেদন করেন ০১/০১/২০২৬ ইং তারিখে। অস্থায়ী ভাবে ১০% বাড়ী ভাড়া কর্তন সহ উক্ত সিটে বসবাস করা শুরু করেন কিন্তু উক্ত হোস্টেলের টাইলস থাই ফিটিংস সহ চার কক্ষ বিশিষ্ট অস্থায়ী র‍্যাব অধিনায়কের বাস ভবনের দখল নিয়ে অধ্যক্ষ রিজিয়া সুলতানা বসবাস করছেন এটিকে তিনি ১ সিটের হিসেবে বরাদ্দ করান যাহার স্মারক নং টিটি-ক/ময়-২৬৩/১(ক)তাং—১৬/১২/২০২৫ ইং এর পরই তিনি স্মারক নং টিটি.ক/ময়-১১৯ তাং— ১২/০৩/২০২৬ তারিখে কোতোয়ালি মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি অভিযোগ পত্র দায়ের করেন। সেই আবেদনে তিনি রিজিয়া সুলতানা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রতিবেদন সংযুক্ত করেছেন এবং বলেন যে বিগত ৩-৪ দিন পূর্বে কে বা কারা বাস ভবনের মূল্য বান ফিটিংস খুলে নিয়ে গেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন। অথচ শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের পরিকল্পনায় ও ইষ্টিমিট অনুযায়ী মেরামত ও সংস্কার টাইলস ও থাই ফিটিংস সহ রিমডেলিং এবং অত্যাধুনিক ভাবে বসবাস যোগ্য হিসাবে এর নির্মাণ ও আধুনিকায়ন করা হয় আর এর উদ্বোধন করেন গত সরকারের ধর্ম মন্ত্রী মতিউর রহমান ২৭শে আগষ্ট ২০১৬ ইং তারিখ। উক্ত ভবনে সাবেক অধ্যক্ষ এলপিআরে থাকা জয়নাল আবেদীন খান দীর্ঘ সময় বসবাস করার পর উপাধ্যক্ষকে উক্ত বাস ভবনে উঠিয়ে রেখে যান তিনি প্রায় দুমাসের মাথায় বর্তমান অধ্যক্ষ রিজিয়া সুলতানা যোগদান করলে তিনি বাসাটি তার উঠার জন্য ছেড়ে যান এতে প্রতিয়মান হয় যে ভবন সম্পূর্ণ সচল ছিলো এ ব্যাপারে ময়মনসিংহের সুশীল সমাজ তার এসব কর্মকান্ডের প্রতি সংশ্লিষ্ট উধ্বর্তন কতৃপক্ষের দৃষ্টি দেয়া সহ সরজমিনে তদন্ত দাবী করেছেন এবং এ সময়ে পাঠকদের ভবনটি দৃশ্যমান দেখার জন্য অনুরোধ করেছেন।


দৈনিক উত্তরের নিউজ

প্রকাশকঃ এম কে পুলক আহম্মেদ
Email: dainikauttareraniuja@gmail.com
web www.dainikuttarernews.com

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উত্তরের নিউজ