দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলায় অবস্থিত বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির লেকটি এখন অনেক দর্শনার্থীর আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। একসময় এখানে ‘জিগাগাড়ি’ নামের একটি গ্রাম ছিল। ভূগর্ভস্থ কয়লা উত্তোলনের ফলে মাটি ধসে ৪০০ একর জমি তলিয়ে যায়, যেখানে গ্রামের বাড়িঘর ছিল। পরবর্তীতে সেখানে তৈরি হয় বিশাল এক জলাশয়, যা স্থানীয়দের কাছে ‘বড়পুকুরিয়া লেক’ নামে পরিচিত।
বর্তমানে লেকটি দেখতে অনেকটা পর্যটন কেন্দ্রের মতো। জলের বুকে ছোট ছোট ঢেউ, দর্শনার্থীরা নৌকা ও স্পিড বোটে ভ্রমণ করছেন, আবার কেউ পানিতে নেমে ছবি তুলছেন। পাশে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ছোট মেলা, নাগরদোলা, চরকি ও ওয়াটার রোলার বলের ব্যবস্থা করেছেন। জলাশয়ের পাড়ে একটি ছোট মসজিদ ও কয়েকটি নারিকেল-খেজুর গাছ আগের গ্রামের অস্তিত্বের সাক্ষী হয়ে আছে।
পার্বতীপুর উপজেলা শহর থেকে ১৩.২ কিলোমিটার ও ফুলবাড়ী উপজেলা শহর থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে হামিদপুর ইউনিয়নে অবস্থিত এই জলাশয়টি সরকারের পক্ষ থেকে ‘মৎস্য অভয়াশ্রম’ ঘোষণা করা হয়েছে, যেখানে বিলুপ্তপ্রায় মাছের প্রজনন ও সংরক্ষণ করা হচ্ছে।
এলাকায় আসা দর্শনার্থীরা জানান, জায়গাটি তাদের ভালো লেগেছে। দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট থেকে আসা মিনহাজুল বলেন, ‘জায়গাটি সত্যিই দারুণ সুন্দর।’ রংপুরের বদরগঞ্জ থেকে আসা নূরবানু আকতার বলেন, ‘এত সুন্দর জায়গা পাশের উপজেলায় আছে, তা দেখে বিশ্বাস হচ্ছে।’ দিনাজপুর শহর থেকে আসা হাকীম ও লিজা আক্তার জানান, নৌকায় ও স্পিড বোটে ঘুরে তারা মুগ্ধ হয়েছেন।
তবে দর্শনার্থীদের মতে, এখানে পর্যাপ্ত বসার জায়গা, স্যানিটেশন সুবিধা ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেই। এলাকার বেসরকারি চাকরিজীবি মাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ঈদ ও পূজায় লেকে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ে। খনি কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসন যদি বেঞ্চ, টয়লেট, তথ্যকেন্দ্র ও লাইফগার্ডের ব্যবস্থা করে, তাহলে এটি দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন গন্তব্য হয়ে উঠতে পারে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলায় অবস্থিত বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির লেকটি এখন অনেক দর্শনার্থীর আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। একসময় এখানে ‘জিগাগাড়ি’ নামের একটি গ্রাম ছিল। ভূগর্ভস্থ কয়লা উত্তোলনের ফলে মাটি ধসে ৪০০ একর জমি তলিয়ে যায়, যেখানে গ্রামের বাড়িঘর ছিল। পরবর্তীতে সেখানে তৈরি হয় বিশাল এক জলাশয়, যা স্থানীয়দের কাছে ‘বড়পুকুরিয়া লেক’ নামে পরিচিত।
বর্তমানে লেকটি দেখতে অনেকটা পর্যটন কেন্দ্রের মতো। জলের বুকে ছোট ছোট ঢেউ, দর্শনার্থীরা নৌকা ও স্পিড বোটে ভ্রমণ করছেন, আবার কেউ পানিতে নেমে ছবি তুলছেন। পাশে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ছোট মেলা, নাগরদোলা, চরকি ও ওয়াটার রোলার বলের ব্যবস্থা করেছেন। জলাশয়ের পাড়ে একটি ছোট মসজিদ ও কয়েকটি নারিকেল-খেজুর গাছ আগের গ্রামের অস্তিত্বের সাক্ষী হয়ে আছে।
পার্বতীপুর উপজেলা শহর থেকে ১৩.২ কিলোমিটার ও ফুলবাড়ী উপজেলা শহর থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে হামিদপুর ইউনিয়নে অবস্থিত এই জলাশয়টি সরকারের পক্ষ থেকে ‘মৎস্য অভয়াশ্রম’ ঘোষণা করা হয়েছে, যেখানে বিলুপ্তপ্রায় মাছের প্রজনন ও সংরক্ষণ করা হচ্ছে।
এলাকায় আসা দর্শনার্থীরা জানান, জায়গাটি তাদের ভালো লেগেছে। দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট থেকে আসা মিনহাজুল বলেন, ‘জায়গাটি সত্যিই দারুণ সুন্দর।’ রংপুরের বদরগঞ্জ থেকে আসা নূরবানু আকতার বলেন, ‘এত সুন্দর জায়গা পাশের উপজেলায় আছে, তা দেখে বিশ্বাস হচ্ছে।’ দিনাজপুর শহর থেকে আসা হাকীম ও লিজা আক্তার জানান, নৌকায় ও স্পিড বোটে ঘুরে তারা মুগ্ধ হয়েছেন।
তবে দর্শনার্থীদের মতে, এখানে পর্যাপ্ত বসার জায়গা, স্যানিটেশন সুবিধা ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেই। এলাকার বেসরকারি চাকরিজীবি মাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ঈদ ও পূজায় লেকে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ে। খনি কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসন যদি বেঞ্চ, টয়লেট, তথ্যকেন্দ্র ও লাইফগার্ডের ব্যবস্থা করে, তাহলে এটি দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন গন্তব্য হয়ে উঠতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন