কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ভারতীয় চোরাই প্রসাধনীসামগ্রী ও বাসমতি চাল জব্দ করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।
শনিবার উপজেলার মহিলা ডিগ্রি কলেজের পেছনে একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে এসব পণ্য জব্দ করে পুলিশ। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুনতাসির মামুন মুন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জব্দ করা পণ্যের মধ্যে প্রায় ৩৫ ধরনের ভারতীয় প্রসাধনীসামগ্রী এবং ৩০০ কেজি বাসমতি চাল রয়েছে।
পুলিশ জানায়, একটি চোরাকারবারি চক্র দীর্ঘদিন ধরে ওই বাসা ভাড়া নিয়ে ভারতীয় প্রসাধনী ও বাসমতি চাল মজুত এবং বিপণন করে আসছিল। চক্রটি কুড়িগ্রাম সদরকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হলেও ভূরুঙ্গামারীর ভোটহাট ও কচাকাটা থানার মাদারগঞ্জ-নারায়ণপুর সীমান্ত এলাকা ব্যবহার করে অবৈধভাবে এসব পণ্য দেশে প্রবেশ করানো হতো।
দীর্ঘদিনের গোপন নজরদারি ও তথ্য সংগ্রহের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে অভিযানের সময় চক্রের সদস্যরা পালিয়ে যায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এএসপি মুনতাসির মামুন মুন বলেন, বাড়ির মালিকের কাছ থেকে চোরাকারবারি চক্র সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এ ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইন-১৯৭৪ অনুযায়ী নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
তিনি আরও বলেন, আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের আওতাধীন থানা এলাকায় চোরাচালান ও মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে নিয়মিত সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হবে

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ভারতীয় চোরাই প্রসাধনীসামগ্রী ও বাসমতি চাল জব্দ করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।
শনিবার উপজেলার মহিলা ডিগ্রি কলেজের পেছনে একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে এসব পণ্য জব্দ করে পুলিশ। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুনতাসির মামুন মুন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জব্দ করা পণ্যের মধ্যে প্রায় ৩৫ ধরনের ভারতীয় প্রসাধনীসামগ্রী এবং ৩০০ কেজি বাসমতি চাল রয়েছে।
পুলিশ জানায়, একটি চোরাকারবারি চক্র দীর্ঘদিন ধরে ওই বাসা ভাড়া নিয়ে ভারতীয় প্রসাধনী ও বাসমতি চাল মজুত এবং বিপণন করে আসছিল। চক্রটি কুড়িগ্রাম সদরকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হলেও ভূরুঙ্গামারীর ভোটহাট ও কচাকাটা থানার মাদারগঞ্জ-নারায়ণপুর সীমান্ত এলাকা ব্যবহার করে অবৈধভাবে এসব পণ্য দেশে প্রবেশ করানো হতো।
দীর্ঘদিনের গোপন নজরদারি ও তথ্য সংগ্রহের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে অভিযানের সময় চক্রের সদস্যরা পালিয়ে যায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এএসপি মুনতাসির মামুন মুন বলেন, বাড়ির মালিকের কাছ থেকে চোরাকারবারি চক্র সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এ ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইন-১৯৭৪ অনুযায়ী নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
তিনি আরও বলেন, আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের আওতাধীন থানা এলাকায় চোরাচালান ও মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে নিয়মিত সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হবে

আপনার মতামত লিখুন