গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের খামার বল্লমঝাড় গ্রামের বাসিন্দা ও বল্লমঝাড়ের সর্দারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী কুলসুম(১০) কে একই গ্রামের জহুরুল ইসলামের পুত্র মোঃ ইব্রাহিম হাসান লিমন শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এ ব্যাপারে গত ১৩ মে নিহত কুলসুমের মা মোছাঃ রেজিনা বেগম বাদী হয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বুধবার ১৩মে সন্ধ্যায় র্যাব-১৩ তার নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করেন।
মামলা ও র্যাব সূত্র জানায়, নিহত কুলসুম বল্লমঝাড়ের সর্দারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল। প্রতিবেশী জহুরুল ইসলাম শেখের ছেলে লিমন শেখ প্রায়ই কুলসুমকে উত্যক্ত করত এবং কুপ্রস্তাব দিত। এ নিয়ে ঘটনার কিছুদিন আগে তাদের মধ্যে তর্কাতর্কিও হয়। পরে
গত বছরের ২৪ নভেম্বর কুলসুমের নিজ ঘরে ধর্ণায় ওড়র্না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তবে প্রাথমিক পর্যায়ে বিষয়টিকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়া হয়। এ সময় সুকৌশলে জহুরুল ইসলাম শেখ বিষয়টিকে ধামাচাপা দিলেও ময়না তদন্তের রিপোর্টে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর শ্বাসরোধ করে হত্যার রহস্য।
সুত্র আরো জানায়, এ সময়ে উল্লেখিত ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার উদ্দেশ্যে কুলসুমের মরদেহ ওড়না দিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হয়। অবশেষে উল্লেখিত চাঞ্চল্যকর তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৩মে নিহতের মা মোছাঃ রেজিনা বেগম বাদী হয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পরপরই র্যাব-১৩, সিপিসি- ৩ গাইবান্ধা ছায়া তদন্ত শুরু করেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উল্লেখিত হত্যাকারীর খামার বল্লমঝাড় গ্রামের নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে লিমন শেখকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব-১৩ সুত্র জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে । শুধু তাই নয়, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের খামার বল্লমঝাড় গ্রামের বাসিন্দা ও বল্লমঝাড়ের সর্দারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী কুলসুম(১০) কে একই গ্রামের জহুরুল ইসলামের পুত্র মোঃ ইব্রাহিম হাসান লিমন শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এ ব্যাপারে গত ১৩ মে নিহত কুলসুমের মা মোছাঃ রেজিনা বেগম বাদী হয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বুধবার ১৩মে সন্ধ্যায় র্যাব-১৩ তার নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করেন।
মামলা ও র্যাব সূত্র জানায়, নিহত কুলসুম বল্লমঝাড়ের সর্দারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল। প্রতিবেশী জহুরুল ইসলাম শেখের ছেলে লিমন শেখ প্রায়ই কুলসুমকে উত্যক্ত করত এবং কুপ্রস্তাব দিত। এ নিয়ে ঘটনার কিছুদিন আগে তাদের মধ্যে তর্কাতর্কিও হয়। পরে
গত বছরের ২৪ নভেম্বর কুলসুমের নিজ ঘরে ধর্ণায় ওড়র্না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তবে প্রাথমিক পর্যায়ে বিষয়টিকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়া হয়। এ সময় সুকৌশলে জহুরুল ইসলাম শেখ বিষয়টিকে ধামাচাপা দিলেও ময়না তদন্তের রিপোর্টে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর শ্বাসরোধ করে হত্যার রহস্য।
সুত্র আরো জানায়, এ সময়ে উল্লেখিত ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার উদ্দেশ্যে কুলসুমের মরদেহ ওড়না দিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হয়। অবশেষে উল্লেখিত চাঞ্চল্যকর তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৩মে নিহতের মা মোছাঃ রেজিনা বেগম বাদী হয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পরপরই র্যাব-১৩, সিপিসি- ৩ গাইবান্ধা ছায়া তদন্ত শুরু করেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উল্লেখিত হত্যাকারীর খামার বল্লমঝাড় গ্রামের নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে লিমন শেখকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব-১৩ সুত্র জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে । শুধু তাই নয়, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন