‘দেশ ও জনগণের অতন্ত্র প্রহরী’ স্লোগানকে সামনে রেখে লালমনিরহাটে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) বেলা ১১টায় শহরের ঐতিহাসিক সাহেবপাড়া গণকবর চত্বরে ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি-ছাত্র ইউনিয়ন বিশেষ গেরিলা বাহিনী, লালমনিরহাট জেলা শাখার উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ গেরিলা বাহিনীর অসামান্য অবদান এবং শহীদদের বীরত্বগাথা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়াই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানের শুরুতে সাহেবপাড়া গণকবরে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এরপর শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। শ্রদ্ধাঞ্জলি শেষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা ১৯৭১ সালে ন্যাপ, কমিউনিস্ট পার্টি ও ছাত্র ইউনিয়নের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ গেরিলা বাহিনীর কৌশলগত ও দুঃসাহসী ভূমিকার কথা গুরুত্বের সাথে স্মরণ করেন।
বক্তারা বলেন, যে অসাম্প্রদায়িক ও শোষণমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে শহীদরা জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, সেই চেতনাকে বর্তমান সমাজে সমুন্নত রাখাই হবে আজকের দিনের প্রধান অঙ্গীকার।
সভাপতির বক্তব্যে জেলাল শফি আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন:
"সাহেবপাড়া গণকবর আমাদের মহান ত্যাগের প্রতীক। এখানে শহীদ এমএ হাফিজ ও শহীদ বেলাল সুজাসহ (পিতা-পুত্র) অনেককেই জীবন্ত সমাহিত করা হয়েছিল। এই পবিত্র স্থানে দাঁড়িয়ে আমরা শপথ নিচ্ছি যে, শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেব না। দেশ ও জনগণের অতন্ত্র প্রহরী হিসেবে আমরা সর্বদা সজাগ থাকব।
ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি-ছাত্র ইউনিয়ন বিশেষ গেরিলা বাহিনীর জেলা নেতা জেলাল শফি-র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির লালমনিরহাট জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট ময়েজুল ইসলাম ময়েজ। যুব ইউনিয়ন সম্পাদক নিরঞ্জন রায়-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন:
গোকুল চন্দ্র রায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক মোজাম্মেল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মধুসূদন রায় নজমুল হক খাজা, কৃষক সমিতি নেতা অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইসলাম নবীন্দ্রনাথ রায়, সম্পাদক, যুব ইউনিয়ন অত্যন্ত আবেগঘন পরিবেশে সম্পন্ন হওয়া এই স্মরণ সভায় স্থানীয় সাধারণ মানুষও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
‘দেশ ও জনগণের অতন্ত্র প্রহরী’ স্লোগানকে সামনে রেখে লালমনিরহাটে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) বেলা ১১টায় শহরের ঐতিহাসিক সাহেবপাড়া গণকবর চত্বরে ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি-ছাত্র ইউনিয়ন বিশেষ গেরিলা বাহিনী, লালমনিরহাট জেলা শাখার উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ গেরিলা বাহিনীর অসামান্য অবদান এবং শহীদদের বীরত্বগাথা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়াই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানের শুরুতে সাহেবপাড়া গণকবরে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এরপর শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। শ্রদ্ধাঞ্জলি শেষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা ১৯৭১ সালে ন্যাপ, কমিউনিস্ট পার্টি ও ছাত্র ইউনিয়নের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ গেরিলা বাহিনীর কৌশলগত ও দুঃসাহসী ভূমিকার কথা গুরুত্বের সাথে স্মরণ করেন।
বক্তারা বলেন, যে অসাম্প্রদায়িক ও শোষণমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে শহীদরা জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, সেই চেতনাকে বর্তমান সমাজে সমুন্নত রাখাই হবে আজকের দিনের প্রধান অঙ্গীকার।
সভাপতির বক্তব্যে জেলাল শফি আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন:
"সাহেবপাড়া গণকবর আমাদের মহান ত্যাগের প্রতীক। এখানে শহীদ এমএ হাফিজ ও শহীদ বেলাল সুজাসহ (পিতা-পুত্র) অনেককেই জীবন্ত সমাহিত করা হয়েছিল। এই পবিত্র স্থানে দাঁড়িয়ে আমরা শপথ নিচ্ছি যে, শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেব না। দেশ ও জনগণের অতন্ত্র প্রহরী হিসেবে আমরা সর্বদা সজাগ থাকব।
ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি-ছাত্র ইউনিয়ন বিশেষ গেরিলা বাহিনীর জেলা নেতা জেলাল শফি-র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির লালমনিরহাট জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট ময়েজুল ইসলাম ময়েজ। যুব ইউনিয়ন সম্পাদক নিরঞ্জন রায়-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন:
গোকুল চন্দ্র রায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক মোজাম্মেল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মধুসূদন রায় নজমুল হক খাজা, কৃষক সমিতি নেতা অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইসলাম নবীন্দ্রনাথ রায়, সম্পাদক, যুব ইউনিয়ন অত্যন্ত আবেগঘন পরিবেশে সম্পন্ন হওয়া এই স্মরণ সভায় স্থানীয় সাধারণ মানুষও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।

আপনার মতামত লিখুন