সাংবাদিকতার নাম ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে সুন্দর সাহা নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দাবি, তিনি বিভিন্ন সময় তাদের কাছে মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করেন এবং তা না দিলে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশের হুমকি দেন।
অভিযোগ রয়েছে, যেসব ব্যবসায়ী তার দাবিকৃত অর্থ প্রদান করেন, তাদের বিরুদ্ধে কোনো নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশ করা হয় না। অপরদিকে, যারা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানান, তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে অপপ্রচার চালানো হয় এবং তার নিজস্ব পত্রিকা “প্রতিদিনের কথা”-তে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করা হয়।
বিশেষ করে বেনাপোল চেকপোস্ট এলাকার একাধিক বর্ডার ব্যবসায়ী—রিপন, সোবাহান, জসিম, মাসুদসহ আরও অনেকে অভিযোগ করেছেন, তাদের কাছ থেকেও মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হয়েছে। তারা জানান, চাঁদা না দেওয়ায় প্রায় প্রতিদিনই তাদের নামে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা আরও বলেন, চাঁদা না দিলে সংবাদ প্রকাশের ভয় দেখিয়ে তাদের ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে তারা চরমভাবে আতঙ্কিত ও ক্ষুব্ধ।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, সাংবাদিকতার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ পেশাকে ব্যবহার করে এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করা জরুরি, অন্যথায় সাধারণ ব্যবসায়ীরা আরও বেশি হয়রানির শিকার হবেন।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
সাংবাদিকতার নাম ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে সুন্দর সাহা নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দাবি, তিনি বিভিন্ন সময় তাদের কাছে মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করেন এবং তা না দিলে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশের হুমকি দেন।
অভিযোগ রয়েছে, যেসব ব্যবসায়ী তার দাবিকৃত অর্থ প্রদান করেন, তাদের বিরুদ্ধে কোনো নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশ করা হয় না। অপরদিকে, যারা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানান, তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে অপপ্রচার চালানো হয় এবং তার নিজস্ব পত্রিকা “প্রতিদিনের কথা”-তে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করা হয়।
বিশেষ করে বেনাপোল চেকপোস্ট এলাকার একাধিক বর্ডার ব্যবসায়ী—রিপন, সোবাহান, জসিম, মাসুদসহ আরও অনেকে অভিযোগ করেছেন, তাদের কাছ থেকেও মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হয়েছে। তারা জানান, চাঁদা না দেওয়ায় প্রায় প্রতিদিনই তাদের নামে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা আরও বলেন, চাঁদা না দিলে সংবাদ প্রকাশের ভয় দেখিয়ে তাদের ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে তারা চরমভাবে আতঙ্কিত ও ক্ষুব্ধ।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, সাংবাদিকতার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ পেশাকে ব্যবহার করে এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করা জরুরি, অন্যথায় সাধারণ ব্যবসায়ীরা আরও বেশি হয়রানির শিকার হবেন।

আপনার মতামত লিখুন