লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা একাধিক মামলার আসামি মিজানুর রহমান মিজানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে মোট ২১টি মামলা রয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) ভোরে লালমনিরহাট শহরের মিশন মোড় এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার মিজানুর রহমান মিজান আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের শঠিবাড়ি এলাকার মৃত হোসেন আলীর ছেলে।
পুলিশ জানায়, সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দা মিজান দীর্ঘদিন ধরে মাদক চোরাচালানসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। তার বিরুদ্ধে ২১টি মামলার মধ্যে ১৫টি মাদক আইনে দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া দুটি মামলায় আদালতের ওয়ারেন্টও ছিল।
গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি লালমনিরহাট শহরের মিশন মোড়ে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে আত্মগোপনে থেকে অপরাধ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আদিতমারী থানা পুলিশ, লালমনিরহাট সদর থানা পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক জানান, মুলতবি দুইটি ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, মিজানের বিরুদ্ধে মাদক ছাড়াও চুরি, চাঁদাবাজি এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা একাধিক মামলার আসামি মিজানুর রহমান মিজানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে মোট ২১টি মামলা রয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) ভোরে লালমনিরহাট শহরের মিশন মোড় এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার মিজানুর রহমান মিজান আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের শঠিবাড়ি এলাকার মৃত হোসেন আলীর ছেলে।
পুলিশ জানায়, সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দা মিজান দীর্ঘদিন ধরে মাদক চোরাচালানসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। তার বিরুদ্ধে ২১টি মামলার মধ্যে ১৫টি মাদক আইনে দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া দুটি মামলায় আদালতের ওয়ারেন্টও ছিল।
গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি লালমনিরহাট শহরের মিশন মোড়ে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে আত্মগোপনে থেকে অপরাধ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আদিতমারী থানা পুলিশ, লালমনিরহাট সদর থানা পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক জানান, মুলতবি দুইটি ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, মিজানের বিরুদ্ধে মাদক ছাড়াও চুরি, চাঁদাবাজি এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন