সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার শাহ আরেফিন টিলায় অবৈধভাবে উত্তোলিত ৯৬ হাজার ৮০৮ ঘনফুট পাথর জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈকত রায়হানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে এসব পাথর জব্দ করা হয়।
অভিযানকালে উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। জব্দকৃত পাথরগুলো পরবর্তীতে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের জিম্মায় রাখা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে শাহ আরেফিন টিলা কেটে মেশিনের মাধ্যমে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন চলছিল। বিশেষ করে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর এ কার্যক্রম আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। এ সময় শাহ আরেফিন (রহ.)-এর মাজার, কবরস্থান এবং সংলগ্ন খেলার মাঠ ক্ষতিগ্রস্ত করে পাথর উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে।
প্রশাসনের একাধিক অভিযান এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতার পরও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি এই অবৈধ কার্যক্রম। গত মাসে যৌথবাহিনীর অভিযানে ৩৯টি ট্রাক্টর আটক করে মামলা দায়ের করা হয়। এরপর থেকে গর্ত থেকে পাথর উত্তোলন এবং বড় ট্রাক্টরের মাধ্যমে পরিবহন কার্যত বন্ধ রয়েছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈকত রায়হান জানান, মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে জব্দকৃত ৯৬ হাজার ৮০৮ ঘনফুট পাথর শিগগিরই নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার শাহ আরেফিন টিলায় অবৈধভাবে উত্তোলিত ৯৬ হাজার ৮০৮ ঘনফুট পাথর জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈকত রায়হানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে এসব পাথর জব্দ করা হয়।
অভিযানকালে উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। জব্দকৃত পাথরগুলো পরবর্তীতে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের জিম্মায় রাখা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে শাহ আরেফিন টিলা কেটে মেশিনের মাধ্যমে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন চলছিল। বিশেষ করে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর এ কার্যক্রম আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। এ সময় শাহ আরেফিন (রহ.)-এর মাজার, কবরস্থান এবং সংলগ্ন খেলার মাঠ ক্ষতিগ্রস্ত করে পাথর উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে।
প্রশাসনের একাধিক অভিযান এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতার পরও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি এই অবৈধ কার্যক্রম। গত মাসে যৌথবাহিনীর অভিযানে ৩৯টি ট্রাক্টর আটক করে মামলা দায়ের করা হয়। এরপর থেকে গর্ত থেকে পাথর উত্তোলন এবং বড় ট্রাক্টরের মাধ্যমে পরিবহন কার্যত বন্ধ রয়েছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈকত রায়হান জানান, মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে জব্দকৃত ৯৬ হাজার ৮০৮ ঘনফুট পাথর শিগগিরই নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন