লালমনিরহাট জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম মমিনুল হক। আজ (বৃহস্পতিবার) জেলা পরিষদ কার্যালয়ে যোগদানের মাধ্যমে তিনি তাঁর প্রথম কার্যদিবস সম্পন্ন করেন।
এর আগে গত ৩১ মার্চ স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জেলা পরিষদ আইন ২০০০-এর ধারা অনুযায়ী জনস্বার্থে তাঁকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। একেএম মমিনুল হকের নিয়োগের খবর ছড়িয়ে পড়লে জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দেয়। দায়িত্ব গ্রহণের সময় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, তাঁর অভিজ্ঞ নেতৃত্বে জেলা পরিষদের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আসবে এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে। দায়িত্ব গ্রহণের পর উপস্থিত সাংবাদিক ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে নবনিযুক্ত প্রশাসক তাঁর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "জেলা পরিষদ হবে জনগণের আস্থার কেন্দ্রস্থল। পরিষদের প্রতিটি টাকা এবং উন্নয়ন প্রকল্প যাতে সাধারণ মানুষের কল্যাণে ব্যয় হয়, তা আমি কঠোরভাবে তদারকি করব। এখানে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির স্থান হবে না। তিনি আরও যোগ করেন, "ব্যক্তিগতভাবে আমি একটি রাজনৈতিক দলের আদর্শ ধারণ করতে পারি, কিন্তু এই চেয়ারে বসার পর আমি লালমনিরহাটের সকল মানুষের সেবক। জেলার উন্নয়নের স্বার্থে দল-মত নির্বিশেষে আমি সবার সহযোগিতা কামনা করছি। মমিনুল হক তাঁর বক্তব্যে জেলার সুষম উন্নয়নের ওপর জোর দিয়ে কয়েকটি বিশেষ লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করেন: জেলার অবহেলিত অঞ্চলগুলোর শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান। সরকারি সেবা সহজলভ্য করা যেন সাধারণ মানুষকে দপ্তরে দপ্তরে ঘুরতে না হয়। জেলা পরিষদের মাধ্যমে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের পরিধি বাড়িয়ে যুবসমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টি। একেএম মমিনুল হক লালমনিরহাটের স্থানীয় রাজনীতিতে একজন অত্যন্ত সুপরিচিত ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্ব। এর আগে সফলতার সঙ্গে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করার কারণে প্রশাসনিক কাজে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, তাঁর এই অভিজ্ঞতা জেলা পরিষদের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রথম কার্যদিবস শেষে তিনি একটি আধুনিক ও সমৃদ্ধ লালমনিরহাট গড়তে জেলার সর্বস্তরের মানুষের আন্তরিক সহযোগিতা ও দোয়া প্রার্থনা করেন।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
লালমনিরহাট জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম মমিনুল হক। আজ (বৃহস্পতিবার) জেলা পরিষদ কার্যালয়ে যোগদানের মাধ্যমে তিনি তাঁর প্রথম কার্যদিবস সম্পন্ন করেন।
এর আগে গত ৩১ মার্চ স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জেলা পরিষদ আইন ২০০০-এর ধারা অনুযায়ী জনস্বার্থে তাঁকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। একেএম মমিনুল হকের নিয়োগের খবর ছড়িয়ে পড়লে জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দেয়। দায়িত্ব গ্রহণের সময় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, তাঁর অভিজ্ঞ নেতৃত্বে জেলা পরিষদের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আসবে এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে। দায়িত্ব গ্রহণের পর উপস্থিত সাংবাদিক ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে নবনিযুক্ত প্রশাসক তাঁর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "জেলা পরিষদ হবে জনগণের আস্থার কেন্দ্রস্থল। পরিষদের প্রতিটি টাকা এবং উন্নয়ন প্রকল্প যাতে সাধারণ মানুষের কল্যাণে ব্যয় হয়, তা আমি কঠোরভাবে তদারকি করব। এখানে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির স্থান হবে না। তিনি আরও যোগ করেন, "ব্যক্তিগতভাবে আমি একটি রাজনৈতিক দলের আদর্শ ধারণ করতে পারি, কিন্তু এই চেয়ারে বসার পর আমি লালমনিরহাটের সকল মানুষের সেবক। জেলার উন্নয়নের স্বার্থে দল-মত নির্বিশেষে আমি সবার সহযোগিতা কামনা করছি। মমিনুল হক তাঁর বক্তব্যে জেলার সুষম উন্নয়নের ওপর জোর দিয়ে কয়েকটি বিশেষ লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করেন: জেলার অবহেলিত অঞ্চলগুলোর শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান। সরকারি সেবা সহজলভ্য করা যেন সাধারণ মানুষকে দপ্তরে দপ্তরে ঘুরতে না হয়। জেলা পরিষদের মাধ্যমে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের পরিধি বাড়িয়ে যুবসমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টি। একেএম মমিনুল হক লালমনিরহাটের স্থানীয় রাজনীতিতে একজন অত্যন্ত সুপরিচিত ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্ব। এর আগে সফলতার সঙ্গে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করার কারণে প্রশাসনিক কাজে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, তাঁর এই অভিজ্ঞতা জেলা পরিষদের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রথম কার্যদিবস শেষে তিনি একটি আধুনিক ও সমৃদ্ধ লালমনিরহাট গড়তে জেলার সর্বস্তরের মানুষের আন্তরিক সহযোগিতা ও দোয়া প্রার্থনা করেন।

আপনার মতামত লিখুন