নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে ভূমিখেকুদের দৌরাত্ম্যে শতবর্ষী ঐতিহাসিক আনন্দবাজার হাট বিলীন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। হাটসংলগ্ন কৃষিজমি খনন করে বাঁধ নির্মাণের ফলে মেঘনা নদীর ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের আনন্দবাজার হাট এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, পিরোজপুর ইউনিয়নের বিএনপি নেতা মাসুম রানার অনুসারীরা ভেকু দিয়ে হাটসংলগ্ন কৃষিজমি খনন করে বিশাল এলাকাজুড়ে বালু সংরক্ষণের জন্য বাঁধ নির্মাণ করছেন। এ বিষয়ে খননকাজে নিয়োজিত মাসুম রানার ম্যানেজার আবুল হোসেন বলেন, মেঘনা নদী পুনঃখনন প্রকল্পের আওতায় বালু উত্তোলন করা হবে। উত্তোলিত বালু হাটসংলগ্ন জমিতে সংরক্ষণ করে পরে বিক্রি করা হবে। তিনি দাবি করেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক নেতাদের নির্দেশে এ কাজ পরিচালিত হচ্ছে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, একই স্থানে এর আগেও খনন করা হয়েছে, ফলে নদীর ভাঙন বৃদ্ধি পেয়েছে। হাটে কেনাকাটা করতে আসা মনির হোসেন বলেন, একই জায়গায় বারবার খননের কারণে খংসারদী,
ঐতিহাসিক আনন্দবাজার হাট দ্রুত মেঘনা নদীতে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এদিকে, সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে স্থানীয় যুবদল নেতা খাইরুল ইসলাম সজীব ঘটনাস্থলে এসে পরে বিস্তারিত কথা বলার আশ্বাস দেন। সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাত বলেন, আনন্দবাজার হাটসংলগ্ন মেঘনা নদীতে বিআইডব্লিউটিএ'র একটি খনন প্রকল্প রয়েছে। তবে কোনো অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয়

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে ভূমিখেকুদের দৌরাত্ম্যে শতবর্ষী ঐতিহাসিক আনন্দবাজার হাট বিলীন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। হাটসংলগ্ন কৃষিজমি খনন করে বাঁধ নির্মাণের ফলে মেঘনা নদীর ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের আনন্দবাজার হাট এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, পিরোজপুর ইউনিয়নের বিএনপি নেতা মাসুম রানার অনুসারীরা ভেকু দিয়ে হাটসংলগ্ন কৃষিজমি খনন করে বিশাল এলাকাজুড়ে বালু সংরক্ষণের জন্য বাঁধ নির্মাণ করছেন। এ বিষয়ে খননকাজে নিয়োজিত মাসুম রানার ম্যানেজার আবুল হোসেন বলেন, মেঘনা নদী পুনঃখনন প্রকল্পের আওতায় বালু উত্তোলন করা হবে। উত্তোলিত বালু হাটসংলগ্ন জমিতে সংরক্ষণ করে পরে বিক্রি করা হবে। তিনি দাবি করেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক নেতাদের নির্দেশে এ কাজ পরিচালিত হচ্ছে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, একই স্থানে এর আগেও খনন করা হয়েছে, ফলে নদীর ভাঙন বৃদ্ধি পেয়েছে। হাটে কেনাকাটা করতে আসা মনির হোসেন বলেন, একই জায়গায় বারবার খননের কারণে খংসারদী,
ঐতিহাসিক আনন্দবাজার হাট দ্রুত মেঘনা নদীতে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এদিকে, সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে স্থানীয় যুবদল নেতা খাইরুল ইসলাম সজীব ঘটনাস্থলে এসে পরে বিস্তারিত কথা বলার আশ্বাস দেন। সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাত বলেন, আনন্দবাজার হাটসংলগ্ন মেঘনা নদীতে বিআইডব্লিউটিএ'র একটি খনন প্রকল্প রয়েছে। তবে কোনো অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয়

আপনার মতামত লিখুন