খুলনা মহানগরীর ব্যস্ত ডাকবাংলো মোড়ে জনসমাগমের মধ্যেই মাসুম বিল্লাহ (৪৫) নামে এক শ্রমিক নেতাকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (৪ মার্চ) রাত আনুমানিক সোয়া ৯টার দিকে বাটার দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মাসুম বিল্লাহ রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামের মৃত মিনহাজ উদ্দিন মুন্সীর ছেলে। তিনি রূপসা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা শ্রমিক দলের সাবেক আহ্বায়ক ছিলেন। পারিবারিক সূত্র জানায়, ঈদ উপলক্ষে কেনাকাটার জন্য তিনি মার্কেটে গিয়েছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একদল সশস্ত্র ব্যক্তি হঠাৎ তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে দ্রুত সটকে পড়ে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর পালানোর সময় অশোক ঘোষ নামে এক ব্যক্তিকে অস্ত্রসহ আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। জানা গেছে, ট্রাফিক বিভাগের এক পরিদর্শক তাকে প্রথমে আটক করেন। এ সময় এলাকাবাসী উত্তেজিত হয়ে উঠলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সেনাবাহিনীর সহায়তায় তাকে নিরাপদে হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে তাকে খুলনা সদর থানা-এ সোপর্দ করা হয়।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
খুলনা মহানগরীর ব্যস্ত ডাকবাংলো মোড়ে জনসমাগমের মধ্যেই মাসুম বিল্লাহ (৪৫) নামে এক শ্রমিক নেতাকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (৪ মার্চ) রাত আনুমানিক সোয়া ৯টার দিকে বাটার দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মাসুম বিল্লাহ রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামের মৃত মিনহাজ উদ্দিন মুন্সীর ছেলে। তিনি রূপসা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা শ্রমিক দলের সাবেক আহ্বায়ক ছিলেন। পারিবারিক সূত্র জানায়, ঈদ উপলক্ষে কেনাকাটার জন্য তিনি মার্কেটে গিয়েছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একদল সশস্ত্র ব্যক্তি হঠাৎ তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে দ্রুত সটকে পড়ে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর পালানোর সময় অশোক ঘোষ নামে এক ব্যক্তিকে অস্ত্রসহ আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। জানা গেছে, ট্রাফিক বিভাগের এক পরিদর্শক তাকে প্রথমে আটক করেন। এ সময় এলাকাবাসী উত্তেজিত হয়ে উঠলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সেনাবাহিনীর সহায়তায় তাকে নিরাপদে হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে তাকে খুলনা সদর থানা-এ সোপর্দ করা হয়।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন