দৈনিক উত্তরের নিউজ
প্রকাশ : বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

তারিখ=০৯/০৮/২০২৬ ইং  বন্দরের রাস্তার ফোরলেন কাজের উদ্ভোধন করলেন ডা. জাহিদ

তারিখ=০৯/০৮/২০২৬ ইং বন্দরের রাস্তার ফোরলেন কাজের উদ্ভোধন করলেন ডা. জাহিদ

ছাত্রদল থেকে ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃত্বে ৩৫ বছরের সংগ্রাম—১৬ মামলার ঝড় পেরিয়ে এবার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সেই শিক্ষক নেতা

ছাত্রদল থেকে ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃত্বে ৩৫ বছরের সংগ্রাম—১৬ মামলার ঝড় পেরিয়ে এবার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সেই শিক্ষক নেতা

মদনে ইজারার নামে চাঁদা আদায়, সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হুমকি

মদনে ইজারার নামে চাঁদা আদায়, সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হুমকি

ইউএনওকে জানানোর পরও ঠাকুরগাঁওয়ে বাল্যবিবাহ  কাজীর ‘খসড়া বিয়ে’ বক্তব্যে বিতর্ক, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন!

ইউএনওকে জানানোর পরও ঠাকুরগাঁওয়ে বাল্যবিবাহ কাজীর ‘খসড়া বিয়ে’ বক্তব্যে বিতর্ক, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন!

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ক্রয় কৃত জমি জবরদখলের চেষ্টা ও রোপণ কিত গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ক্রয় কৃত জমি জবরদখলের চেষ্টা ও রোপণ কিত গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে

১১দফা দাবীতে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপিপ্রদান

১১দফা দাবীতে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপিপ্রদান

তিস্তার আকস্মিক বন্যায় ভেঙে গেল সড়ক, ভোগান্তিতে ২ হাজার পরিবার

তিস্তার আকস্মিক বন্যায় ভেঙে গেল সড়ক, ভোগান্তিতে ২ হাজার পরিবার

ছাতকে পূর্ববিরোধের জেরে সংঘর্ষ: হত্যাচেষ্টা, গুরুতর জখম ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ছাতকে পূর্ববিরোধের জেরে সংঘর্ষ: হত্যাচেষ্টা, গুরুতর জখম ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

অস্তিত্ব সংকটে ধলাই সেতু; থেমে নেই বালুখেকোরা

অস্তিত্ব সংকটে ধলাই সেতু; থেমে নেই বালুখেকোরা

সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম সাইফুর রহমান–এর স্মৃতিবিজড়িত ধলাই সেতু অবাধে বালু উত্তোলনের কারণে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত এই সেতুটি সিলেট বিভাগের দ্বিতীয় দীর্ঘতম সেতু। সেতুর নিচ থেকে এবং পিলারের প্রায় ২০০ গজের মধ্যে প্রকাশ্যে বালু ও পাথর উত্তোলন চলছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। কখনো দিনদুপুরে, কখনো সন্ধ্যায় কিংবা রাতের আঁধারেও বন্ধ থাকছে না এ কার্যক্রম।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর দুই তীরের কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও নৌকার শ্রমিক সেতুর পিলারের কাছ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় গভীর গর্ত তৈরি হয়েছে, যা যেকোনো সময় সেতুর স্থিতিশীলতা নষ্ট করে ধসের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, সেতুর পাশেই অবৈধ বালু ও পাথরের সাইট খুলে ব্যবসা করছেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। প্রায় প্রতিদিনই সেতুর উপর দিয়ে যাওয়া-আসার সময় যাত্রীদের  চোখে পড়ে অবৈধ বালু-পাথর উত্তোলন ও সাইট ব্যবসার দৃশ্য। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসব ছবি ও ভিডিও শেয়ার করেছেন।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা না হলে ধলাই নদীর দুই পাড়ের মানুষের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। বিশেষ করে পূর্বপারের অর্ধশতাধিক গ্রামের কয়েক লাখ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়বেন।

সেতু রক্ষায় ইতোমধ্যে স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও ব্যবসায়ী সংগঠন ঐক্যবদ্ধ হয়ে একাধিক মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেছেন। জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে বারবার স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। এলাকাবাসী ‘ধলাই সেতু রক্ষা কমিটি’ গঠন করে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করলেও বন্ধ হয়নি বালু উত্তোলন।

গত এক বছরে স্থানীয় জনগণের উদ্যোগে ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে অসংখ্য প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও প্রশাসনের কোনো পদক্ষেপ অবৈধ বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধ করতে সক্ষম হয়নি। অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়–এর শিক্ষার্থী ফয়জুর রহমানও। গত বছরের ১২ মার্চ দেওয়া স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ধলাই নদী–এর ওপর নির্মিত সেতুটি স্থানীয় যাতায়াতের পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কিন্তু বালু উত্তোলনের কারণে সেতুর পিলারের স্থায়িত্ব মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে।

গত ২৭ ফেব্রুয়ারি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় এক মতবিনিময় সভায় শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত কোম্পানীগঞ্জে কোনোভাবেই বালু-পাথর উত্তোলন চলবে না। “এখন থেকে এক ছটাক বালু-পাথরও এদিক-সেদিক হবে না।”

এমন কঠোর বার্তা দেওয়ার পরও কীভাবে দুষ্কৃতীরা ধলাই সেতুর নিচ থেকে অবৈধভাবে বালু-পাথর  উত্তোলন চালিয়ে যাচ্ছে- জনমনে এই প্রশ্ন।  

স্থানীয় যুবক মামুন আহমেদ বলেন, থানা সদর ও জেলা শহরে সড়ক যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম এই ধলাই সেতু। সেতুটি ধ্বংস হলে নদীর পূর্বপারের মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়বে। 

২নং পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়ন শ্রমিকদলের সভাপতি অফিক আহমেদ বলেন, এভাবে বালু উত্তোলন চলতে থাকলে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ বিনষ্ট হওয়ার পাশাপাশি এলাকার মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।

এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিন মিয়া বলেন, গুরুত্বপূর্ণ ধলাই সেতু এলাকায় বালু খেকোদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, যেকোনো মূল্যে নদী ও সেতুর পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

তিনি আরও জানান, বিষয়টি পুনরায় তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে ধলাই নদের ওপর সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। প্রায় ১২ কোটি ৩১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৪৩৪ দশমিক ৩৫ মিটার দীর্ঘ ও ৯ দশমিক ৫ মিটার প্রস্থের সেতুটি ২০০৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। ওই বছরের ৯ সেপ্টেম্বর তৎকালীন মন্ত্রী এম সাইফুর রহমান সেতুটির উদ্বোধন করেন। সেতুটি নির্মাণের ফলে পূর্ব ইসলামপুর ও উত্তর রণিখাই ইউনিয়নসহ অর্ধশতাধিক গ্রামের মানুষ সরাসরি সড়ক যোগাযোগের আওতায় আসে। সেতুর সম্ভাব্য স্থায়িত্ব ধরা হয়েছিল ৭৫ বছর।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক উত্তরের নিউজ

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


অস্তিত্ব সংকটে ধলাই সেতু; থেমে নেই বালুখেকোরা

প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬

featured Image


সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম সাইফুর রহমান–এর স্মৃতিবিজড়িত ধলাই সেতু অবাধে বালু উত্তোলনের কারণে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত এই সেতুটি সিলেট বিভাগের দ্বিতীয় দীর্ঘতম সেতু। সেতুর নিচ থেকে এবং পিলারের প্রায় ২০০ গজের মধ্যে প্রকাশ্যে বালু ও পাথর উত্তোলন চলছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। কখনো দিনদুপুরে, কখনো সন্ধ্যায় কিংবা রাতের আঁধারেও বন্ধ থাকছে না এ কার্যক্রম।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর দুই তীরের কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও নৌকার শ্রমিক সেতুর পিলারের কাছ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় গভীর গর্ত তৈরি হয়েছে, যা যেকোনো সময় সেতুর স্থিতিশীলতা নষ্ট করে ধসের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, সেতুর পাশেই অবৈধ বালু ও পাথরের সাইট খুলে ব্যবসা করছেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। প্রায় প্রতিদিনই সেতুর উপর দিয়ে যাওয়া-আসার সময় যাত্রীদের  চোখে পড়ে অবৈধ বালু-পাথর উত্তোলন ও সাইট ব্যবসার দৃশ্য। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসব ছবি ও ভিডিও শেয়ার করেছেন।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা না হলে ধলাই নদীর দুই পাড়ের মানুষের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। বিশেষ করে পূর্বপারের অর্ধশতাধিক গ্রামের কয়েক লাখ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়বেন।

সেতু রক্ষায় ইতোমধ্যে স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও ব্যবসায়ী সংগঠন ঐক্যবদ্ধ হয়ে একাধিক মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেছেন। জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে বারবার স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। এলাকাবাসী ‘ধলাই সেতু রক্ষা কমিটি’ গঠন করে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করলেও বন্ধ হয়নি বালু উত্তোলন।

গত এক বছরে স্থানীয় জনগণের উদ্যোগে ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে অসংখ্য প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও প্রশাসনের কোনো পদক্ষেপ অবৈধ বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধ করতে সক্ষম হয়নি। অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়–এর শিক্ষার্থী ফয়জুর রহমানও। গত বছরের ১২ মার্চ দেওয়া স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ধলাই নদী–এর ওপর নির্মিত সেতুটি স্থানীয় যাতায়াতের পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কিন্তু বালু উত্তোলনের কারণে সেতুর পিলারের স্থায়িত্ব মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে।

গত ২৭ ফেব্রুয়ারি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় এক মতবিনিময় সভায় শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত কোম্পানীগঞ্জে কোনোভাবেই বালু-পাথর উত্তোলন চলবে না। “এখন থেকে এক ছটাক বালু-পাথরও এদিক-সেদিক হবে না।”

এমন কঠোর বার্তা দেওয়ার পরও কীভাবে দুষ্কৃতীরা ধলাই সেতুর নিচ থেকে অবৈধভাবে বালু-পাথর  উত্তোলন চালিয়ে যাচ্ছে- জনমনে এই প্রশ্ন।  

স্থানীয় যুবক মামুন আহমেদ বলেন, থানা সদর ও জেলা শহরে সড়ক যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম এই ধলাই সেতু। সেতুটি ধ্বংস হলে নদীর পূর্বপারের মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়বে। 

২নং পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়ন শ্রমিকদলের সভাপতি অফিক আহমেদ বলেন, এভাবে বালু উত্তোলন চলতে থাকলে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ বিনষ্ট হওয়ার পাশাপাশি এলাকার মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।

এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিন মিয়া বলেন, গুরুত্বপূর্ণ ধলাই সেতু এলাকায় বালু খেকোদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, যেকোনো মূল্যে নদী ও সেতুর পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

তিনি আরও জানান, বিষয়টি পুনরায় তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে ধলাই নদের ওপর সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। প্রায় ১২ কোটি ৩১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৪৩৪ দশমিক ৩৫ মিটার দীর্ঘ ও ৯ দশমিক ৫ মিটার প্রস্থের সেতুটি ২০০৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। ওই বছরের ৯ সেপ্টেম্বর তৎকালীন মন্ত্রী এম সাইফুর রহমান সেতুটির উদ্বোধন করেন। সেতুটি নির্মাণের ফলে পূর্ব ইসলামপুর ও উত্তর রণিখাই ইউনিয়নসহ অর্ধশতাধিক গ্রামের মানুষ সরাসরি সড়ক যোগাযোগের আওতায় আসে। সেতুর সম্ভাব্য স্থায়িত্ব ধরা হয়েছিল ৭৫ বছর।


দৈনিক উত্তরের নিউজ

প্রকাশকঃ এম কে পুলক আহম্মেদ
Email: dainikauttareraniuja@gmail.com
web www.dainikuttarernews.com

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উত্তরের নিউজ