দৈনিক উত্তরের নিউজ
প্রকাশ : বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

রমজানে খুবি'র শিক্ষার্থীরা ইফতার ও সেহরিতে হলের খাবারের মান নিয়ে কতটুকু সন্তুষ্ট?

রমজানে খুবি'র শিক্ষার্থীরা ইফতার ও সেহরিতে হলের খাবারের মান নিয়ে কতটুকু সন্তুষ্ট?

একাডেমিক কার্যক্রম চলমান থাকার কারণে খুবি'র শিক্ষার্থীরা রমজানের প্রথমার্ধ হলে থাকে।পরিবারের বাইরে থাকা এসব শিক্ষার্থীর ইফতার ও সেহরি হলের ডাইনিং অথবা ক্যান্টিনে করে থাকে। এ সময় খাবারের দাম ও মান নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। 

শিক্ষার্থীদের বড় অভিযোগ হলো সেহরির খাবারের স্বাদ ও পুষ্টিগুণ নিয়ে। অনেক সময় তরকারিতে অতিরিক্ত তেল ও মশলা ব্যবহারের ফলে রোজা রেখে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়। এছাড়া মাছের আকার, মাছের প্রকারভেদ এবং ডালের মান নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ রয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয় হল রোড সংলগ্ন হোটেল গুলোতে খাবারের দাম কিছুটা বাড়লেও সেই তুলনায় প্লেটের মান বাড়েনি। সাধারণ ডাইনিংয়ে খাবারের মূল্য হাতের নাগালে থাকলেও রমজান মাস উপলক্ষে খাবারে তালিকা খুব বেশি বড় নয়।শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা ছিল রমজান মাস উপলক্ষে বিশেষ কিছু খাবার তালিকাযুক্ত হবে। 

ইতিহাস ও সভ্যতার ডিসিপ্লিনের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেন,"খান বাহাদুর আহসানুল্লাহ হলের তরকারি ও সবজির মান ভালো হলেও দামটা একটু বেশি। কিন্তু চালের মান কিছুটা নিম্নমানের এবং খাবারে অতিরিক্ত পরিমাণ তেল মশলা ব্যবহার করা হয়। 

ভাস্কর্য ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী মো: মারুফ বিল্লাহ বলেন, "খান জাহান আলি হলের ক্যান্টিনে রমজানের শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা তুলনায় খাবারের স্বাদ ও প্রকারভেদ কম থাকায় নবীন শিক্ষার্থীদের মানিয়ে নিতে কষ্ট হচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য হলে তুলনায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দিক থেকেও কিছুটা পিছিয়ে আছে।তবে হল রোডের খাবারের হোটেল গুলোর তুলনায় মূল্য কিছুটা নিয়ন্ত্রণে।"

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের ছাত্রী সুবর্ণা খাতুন বলেন, "বিজয় ২৪ হলে খাবারের মান আমার কাছে মানসম্মত মনে হয়েছে।তবে খাবারে তেল মসলার ব্যবহার বেশি হয়।এখানে রমজান মাসে বেগুনি,চপ,পেয়াজু, ছোলা, মিষ্টি সহ অনেক খাবার যুক্ত করা হয়েছে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ রমজানে হলের খাবারের মান নিয়ে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন।খাবারের মূল্য নিয়ে শিক্ষার্থীরা সন্তুষ্ট থাকলেও খাবারের পুষ্টিগুণ ও স্বাদ কতটুকু বজায় থাকছে সে বিষয়ে শিক্ষার্থীরা সন্ধিহান।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক উত্তরের নিউজ

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


রমজানে খুবি'র শিক্ষার্থীরা ইফতার ও সেহরিতে হলের খাবারের মান নিয়ে কতটুকু সন্তুষ্ট?

প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬

featured Image



একাডেমিক কার্যক্রম চলমান থাকার কারণে খুবি'র শিক্ষার্থীরা রমজানের প্রথমার্ধ হলে থাকে।পরিবারের বাইরে থাকা এসব শিক্ষার্থীর ইফতার ও সেহরি হলের ডাইনিং অথবা ক্যান্টিনে করে থাকে। এ সময় খাবারের দাম ও মান নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। 


শিক্ষার্থীদের বড় অভিযোগ হলো সেহরির খাবারের স্বাদ ও পুষ্টিগুণ নিয়ে। অনেক সময় তরকারিতে অতিরিক্ত তেল ও মশলা ব্যবহারের ফলে রোজা রেখে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়। এছাড়া মাছের আকার, মাছের প্রকারভেদ এবং ডালের মান নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ রয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয় হল রোড সংলগ্ন হোটেল গুলোতে খাবারের দাম কিছুটা বাড়লেও সেই তুলনায় প্লেটের মান বাড়েনি। সাধারণ ডাইনিংয়ে খাবারের মূল্য হাতের নাগালে থাকলেও রমজান মাস উপলক্ষে খাবারে তালিকা খুব বেশি বড় নয়।শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা ছিল রমজান মাস উপলক্ষে বিশেষ কিছু খাবার তালিকাযুক্ত হবে। 


ইতিহাস ও সভ্যতার ডিসিপ্লিনের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেন,"খান বাহাদুর আহসানুল্লাহ হলের তরকারি ও সবজির মান ভালো হলেও দামটা একটু বেশি। কিন্তু চালের মান কিছুটা নিম্নমানের এবং খাবারে অতিরিক্ত পরিমাণ তেল মশলা ব্যবহার করা হয়। 


ভাস্কর্য ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী মো: মারুফ বিল্লাহ বলেন, "খান জাহান আলি হলের ক্যান্টিনে রমজানের শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা তুলনায় খাবারের স্বাদ ও প্রকারভেদ কম থাকায় নবীন শিক্ষার্থীদের মানিয়ে নিতে কষ্ট হচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য হলে তুলনায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দিক থেকেও কিছুটা পিছিয়ে আছে।তবে হল রোডের খাবারের হোটেল গুলোর তুলনায় মূল্য কিছুটা নিয়ন্ত্রণে।"


গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের ছাত্রী সুবর্ণা খাতুন বলেন, "বিজয় ২৪ হলে খাবারের মান আমার কাছে মানসম্মত মনে হয়েছে।তবে খাবারে তেল মসলার ব্যবহার বেশি হয়।এখানে রমজান মাসে বেগুনি,চপ,পেয়াজু, ছোলা, মিষ্টি সহ অনেক খাবার যুক্ত করা হয়েছে।


খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ রমজানে হলের খাবারের মান নিয়ে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন।খাবারের মূল্য নিয়ে শিক্ষার্থীরা সন্তুষ্ট থাকলেও খাবারের পুষ্টিগুণ ও স্বাদ কতটুকু বজায় থাকছে সে বিষয়ে শিক্ষার্থীরা সন্ধিহান।


দৈনিক উত্তরের নিউজ

প্রকাশকঃ এম কে পুলক আহম্মেদ
Email: dainikauttareraniuja@gmail.com
web www.dainikuttarernews.com

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উত্তরের নিউজ