কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার গুজাদিয়া ইউনিয়নের টামনী পিটুয়া গ্রামে প্রবাসী জামাল উদ্দিনের নির্মাণাধীন বাড়িতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বাড়ির কেয়ারটেকার আল-আমিন গুরুতর আহত হয়েছেন এবং বর্তমানে সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জামাল উদ্দিন জানান, দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার পর তিনি কষ্টার্জিত অর্থে নিজ গ্রামে একটি নতুন বাড়ি নির্মাণ করছিলেন। নির্মাণকাজ চলাকালীন স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি তার কাছে চাঁদা দাবি করেছিল। তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা নির্মাণাধীন বাড়িতে হামলা চালায়।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, হামলাকারীরা টাইলস, সিমেন্ট, বিদ্যুতের তারসহ বিভিন্ন নির্মাণ সামগ্রী লুট করে। পাশাপাশি বাড়ির পাশে থাকা একটি দোকান থেকেও নগদ অর্থ ও একটি টেলিভিশন নিয়ে যাওয়া হয়। লুট হওয়া সামগ্রীর আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা।
জামাল উদ্দিন আরও জানিয়েছেন, কাঞ্চনের নেতৃত্বে বিল্লাল, আলম, শাহ আলম, সুমন, বাবুল, আজিজুল, জালাল ও হানিফসহ কয়েকজন এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত। অভিযুক্তদের সবার বাড়ি একই ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত। তবে তাদের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার সময় বাড়ির কেয়ারটেকার আল-আমিন বাধা দিতে গেলে তাকে মারধর করা হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
জামাল উদ্দিন ঘটনার পরপরই মুঠোফোনে করিমগঞ্জ থানা-এ অভিযোগ জানান। থানার একজন কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ মাহমুদ মোরশেদ জানিয়েছেন, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভুক্তভোগী পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে এবং প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয়রা বলছেন, “এ ধরনের ঘটনা যেন আর না ঘটে, তার জন্য প্রশাসনের নজরদারি প্রয়োজন।”

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার গুজাদিয়া ইউনিয়নের টামনী পিটুয়া গ্রামে প্রবাসী জামাল উদ্দিনের নির্মাণাধীন বাড়িতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বাড়ির কেয়ারটেকার আল-আমিন গুরুতর আহত হয়েছেন এবং বর্তমানে সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জামাল উদ্দিন জানান, দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার পর তিনি কষ্টার্জিত অর্থে নিজ গ্রামে একটি নতুন বাড়ি নির্মাণ করছিলেন। নির্মাণকাজ চলাকালীন স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি তার কাছে চাঁদা দাবি করেছিল। তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা নির্মাণাধীন বাড়িতে হামলা চালায়।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, হামলাকারীরা টাইলস, সিমেন্ট, বিদ্যুতের তারসহ বিভিন্ন নির্মাণ সামগ্রী লুট করে। পাশাপাশি বাড়ির পাশে থাকা একটি দোকান থেকেও নগদ অর্থ ও একটি টেলিভিশন নিয়ে যাওয়া হয়। লুট হওয়া সামগ্রীর আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা।
জামাল উদ্দিন আরও জানিয়েছেন, কাঞ্চনের নেতৃত্বে বিল্লাল, আলম, শাহ আলম, সুমন, বাবুল, আজিজুল, জালাল ও হানিফসহ কয়েকজন এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত। অভিযুক্তদের সবার বাড়ি একই ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত। তবে তাদের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার সময় বাড়ির কেয়ারটেকার আল-আমিন বাধা দিতে গেলে তাকে মারধর করা হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
জামাল উদ্দিন ঘটনার পরপরই মুঠোফোনে করিমগঞ্জ থানা-এ অভিযোগ জানান। থানার একজন কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ মাহমুদ মোরশেদ জানিয়েছেন, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভুক্তভোগী পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে এবং প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয়রা বলছেন, “এ ধরনের ঘটনা যেন আর না ঘটে, তার জন্য প্রশাসনের নজরদারি প্রয়োজন।”

আপনার মতামত লিখুন