পোরশা উপজেলার আম বাগানগুলোতে এবার গাছে গাছে দেখা দিয়েছে মুকুলের সমারোহ। শীতের শেষে অনুকূল আবহাওয়ার কারণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আম গাছে ব্যাপকভাবে মুকুল আসায় খুশি আমচাষিরা। চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে মুকুলের মন মাতানো সৌরভ।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, এবার সময়মতো শীত পড়া ও কুয়াশার পরিমাণ তুলনামূলক কম থাকায় মুকুল ভালো হয়েছে। এছাড়া বৃষ্টিপাত না হওয়ায় ফুল ঝরে যাওয়ার আশঙ্কাও কম। ফলে এবছর আমের ভালো ফলনের আশা করছেন তারা।
আজ ১৮ ফেব্রুয়ারি বুধবার এলাকায় ঘুরে আমচাষি মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, হাজী মোহাম্মদ আসাদুর রহমান ওআব্দুল মালেক এর কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, “গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার মুকুল অনেক ভালো এসেছে। যদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা পোকার আক্রমণ না হয়, তাহলে ফলন খুব ভালো হবে বলে আশা করছি।”
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে আম বাগানে নিয়মিত পরিচর্যা, ছত্রাকনাশক ও কীটনাশক ব্যবহারের বিষয়ে চাষিদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে গিয়ে বাগান পরিদর্শনও করছেন।
কৃষি কর্মকর্তা জানান, “আবহাওয়া এখন পর্যন্ত অনুকূলে রয়েছে। চাষিরা যদি সঠিক পরিচর্যা বজায় রাখেন, তাহলে পোরশার আমের উৎপাদন এবার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়বে।”
মুকুলে ভরা আম বাগান শুধু চাষিদের নয়, সাধারণ মানুষের মাঝেও তৈরি করেছে আনন্দ ও আশাবাদ। এখন সবাই তাকিয়ে আছে আসন্ন আম মৌসুমের দিকে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পোরশা উপজেলার আম বাগানগুলোতে এবার গাছে গাছে দেখা দিয়েছে মুকুলের সমারোহ। শীতের শেষে অনুকূল আবহাওয়ার কারণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আম গাছে ব্যাপকভাবে মুকুল আসায় খুশি আমচাষিরা। চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে মুকুলের মন মাতানো সৌরভ।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, এবার সময়মতো শীত পড়া ও কুয়াশার পরিমাণ তুলনামূলক কম থাকায় মুকুল ভালো হয়েছে। এছাড়া বৃষ্টিপাত না হওয়ায় ফুল ঝরে যাওয়ার আশঙ্কাও কম। ফলে এবছর আমের ভালো ফলনের আশা করছেন তারা।
আজ ১৮ ফেব্রুয়ারি বুধবার এলাকায় ঘুরে আমচাষি মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, হাজী মোহাম্মদ আসাদুর রহমান ওআব্দুল মালেক এর কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, “গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার মুকুল অনেক ভালো এসেছে। যদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা পোকার আক্রমণ না হয়, তাহলে ফলন খুব ভালো হবে বলে আশা করছি।”
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে আম বাগানে নিয়মিত পরিচর্যা, ছত্রাকনাশক ও কীটনাশক ব্যবহারের বিষয়ে চাষিদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে গিয়ে বাগান পরিদর্শনও করছেন।
কৃষি কর্মকর্তা জানান, “আবহাওয়া এখন পর্যন্ত অনুকূলে রয়েছে। চাষিরা যদি সঠিক পরিচর্যা বজায় রাখেন, তাহলে পোরশার আমের উৎপাদন এবার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়বে।”
মুকুলে ভরা আম বাগান শুধু চাষিদের নয়, সাধারণ মানুষের মাঝেও তৈরি করেছে আনন্দ ও আশাবাদ। এখন সবাই তাকিয়ে আছে আসন্ন আম মৌসুমের দিকে।

আপনার মতামত লিখুন