লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় বিএনপির রাজনীতি ছেড়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন বিএনপির প্রভাবশালী নেতা ও উপজেলা শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মইনুল হক।
তিনি মোঃ আলী হোসেনের পুত্র। তার গ্রামের নাম পশ্চিম বিছনদই, উপজেলা হাতীবান্ধা, জেলা লালমনিরহাট।
গত ২৯ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ১১টায় ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি জামায়াতে ইসলামীতে অন্তর্ভুক্ত হন।
ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মাওলানা আজিনুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ যোগদান অনুষ্ঠানে মোঃ মইনুল হককে ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এ সময় তিনি জামায়াতে ইসলামীর সদস্য ফরম পূরণ করে জমা দেন। অনুষ্ঠানে ইউনিয়ন জামায়াতের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
যোগদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মোঃ মইনুল হক বলেন,
“আমি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। কিন্তু গত ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দলে ব্যাপক গ্রুপিং ও বিশৃঙ্খলা আমাকে হতাশ করেছে। তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীদের মূল্যায়নের অভাব এবং দলের সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনার ঘাটতি দেখে আমি ব্যথিত হই। এসব কারণেই নতুন করে চিন্তা করে জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
নতুন এ যোগদানের মাধ্যমে এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় বিএনপির রাজনীতি ছেড়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন বিএনপির প্রভাবশালী নেতা ও উপজেলা শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মইনুল হক।
তিনি মোঃ আলী হোসেনের পুত্র। তার গ্রামের নাম পশ্চিম বিছনদই, উপজেলা হাতীবান্ধা, জেলা লালমনিরহাট।
গত ২৯ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ১১টায় ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি জামায়াতে ইসলামীতে অন্তর্ভুক্ত হন।
ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মাওলানা আজিনুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ যোগদান অনুষ্ঠানে মোঃ মইনুল হককে ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এ সময় তিনি জামায়াতে ইসলামীর সদস্য ফরম পূরণ করে জমা দেন। অনুষ্ঠানে ইউনিয়ন জামায়াতের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
যোগদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মোঃ মইনুল হক বলেন,
“আমি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। কিন্তু গত ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দলে ব্যাপক গ্রুপিং ও বিশৃঙ্খলা আমাকে হতাশ করেছে। তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীদের মূল্যায়নের অভাব এবং দলের সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনার ঘাটতি দেখে আমি ব্যথিত হই। এসব কারণেই নতুন করে চিন্তা করে জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
নতুন এ যোগদানের মাধ্যমে এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন