শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের নাচনমুহুরী গ্রামে সংখ্যালঘু এক হিন্দু পরিবারের পৈত্রিক সম্পত্তি জবরদখল ও নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে ভুক্তভোগীর নিজ বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন,স্বর্গীয় সুপ্রজিতের ছেলে ভুক্তভোগী শ্রী সঞ্জয়। তিনি অভিযোগ করে বলেন,নাচনমুহুরী গ্রামে তাদের পৈত্রিক মালিকানাধীন ১১ একর ৪৪ শতাংশ জমি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি জবরদখল করে রেখেছে। একসময় এসব জমি বর্গা হিসেবে চাষাবাদ হলেও দাদার মৃত্যুর পর বর্গার অংশ দিতে অস্বীকৃতি জানানো হয়। পরবর্তীতে আর্থিক সংকট ও চিকিৎসার অভাবে তার পিতাও মৃত্যুবরণ করেন।
শ্রী সঞ্জয় আরও বলেন,গত ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দখলদাররা তাকে ও তার পরিবারকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছে। বর্তমানে পরিবারটি সরকারি খাস জমিতে টিনের ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছে এবং চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তিনি পৈত্রিক সম্পত্তি উদ্ধার ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। পাশাপাশি বিষয়টি জনসম্মুখে তুলে ধরতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চান।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের নাচনমুহুরী গ্রামে সংখ্যালঘু এক হিন্দু পরিবারের পৈত্রিক সম্পত্তি জবরদখল ও নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে ভুক্তভোগীর নিজ বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন,স্বর্গীয় সুপ্রজিতের ছেলে ভুক্তভোগী শ্রী সঞ্জয়। তিনি অভিযোগ করে বলেন,নাচনমুহুরী গ্রামে তাদের পৈত্রিক মালিকানাধীন ১১ একর ৪৪ শতাংশ জমি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি জবরদখল করে রেখেছে। একসময় এসব জমি বর্গা হিসেবে চাষাবাদ হলেও দাদার মৃত্যুর পর বর্গার অংশ দিতে অস্বীকৃতি জানানো হয়। পরবর্তীতে আর্থিক সংকট ও চিকিৎসার অভাবে তার পিতাও মৃত্যুবরণ করেন।
শ্রী সঞ্জয় আরও বলেন,গত ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দখলদাররা তাকে ও তার পরিবারকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছে। বর্তমানে পরিবারটি সরকারি খাস জমিতে টিনের ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছে এবং চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তিনি পৈত্রিক সম্পত্তি উদ্ধার ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। পাশাপাশি বিষয়টি জনসম্মুখে তুলে ধরতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চান।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন