যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা জ্বালানি তেল খাত থেকে ৩০ থেকে ৫০ মিলিয়ন (৩ থেকে ৫ কোটি) ব্যারেল ওয়াশিংটনকে দিতে হবে। এই তেল বাজারমূল্যে বিক্রি করা হবে এবং বিক্রির অর্থের নিয়ন্ত্রণ থাকবে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে।মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাতে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী কর্তৃপক্ষ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত উচ্চমানের তেল হস্তান্তর করবে। এই তেল বিক্রির অর্থ ভেনেজুয়েলা ও যুক্তরাষ্ট্র— উভয় দেশের জনগণের কল্যাণে ব্যবহার করা হবে।
ট্রাম্প জানান, এই পরিকল্পনা তাৎক্ষণিকভাবে বাস্তবায়ন করতে জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস রাইটকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তেলগুলো সংরক্ষণকারী জাহাজে করে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের বন্দরগুলোতে এনে খালাস করা হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ প্রশাসনিক কর্মকর্তা সিএনএনকে জানান, তেল ইতোমধ্যে উত্তোলন করা হয়েছে এবং ব্যারেলে ভরা রয়েছে। এর বেশিরভাগই বর্তমানে জাহাজে রয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় অঞ্চলের পরিশোধনাগারে পাঠানো হবে।
ট্রাম্পের ঘোষণার পরপরই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম প্রতি ব্যারেল প্রায় ১ ডলার বা প্রায় ২ শতাংশ কমে ৫৬ ডলারে নেমে আসে। যদি সর্বোচ্চ ৫ কোটি ব্যারেল তেল বিক্রি করা যায়, তবে এতে উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আসতে পারে। বর্তমানে ভেনেজুয়েলার তেল প্রতি ব্যারেল ৫৫ ডলারে লেনদেন হচ্ছে। সেই হিসাবে বাজারদরে বিক্রি হলে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ১৬৫ কোটি থেকে ২৭৫ কোটি ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারে।
গত বছরের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পর থেকে ভেনেজুয়েলা বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল মজুত করেছে। তবে এত বড় পরিমাণ তেল যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দিলে দেশটির নিজস্ব তেল মজুত কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই তেল আসবে স্থলভাগের মজুতাগার ও জব্দ করা ট্যাংকার—উভয় উৎস থেকেই। প্রাইস ফিউচার্স গ্রুপের জ্যেষ্ঠ বাজার বিশ্লেষক ফিল ফ্লিন জানান, ভেনেজুয়েলার মোট মজুত সক্ষমতা প্রায় ৪ কোটি ৮০ লাখ ব্যারেল, যা প্রায় পূর্ণ অবস্থায় ছিল। পাশাপাশি, জব্দ ট্যাংকারগুলোতে আনুমানিক ১ কোটি ৫০ লাখ থেকে ২ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন করা হচ্ছিল।
কত সময়ের মধ্যে এই তেল যুক্তরাষ্ট্রে হস্তান্তর করা হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে ওই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, ভেনেজুয়েলার অপরিশোধিত তেল অত্যন্ত ভারী হওয়ায় এটি দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায় না। তাই দ্রুত হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা জ্বালানি তেল খাত থেকে ৩০ থেকে ৫০ মিলিয়ন (৩ থেকে ৫ কোটি) ব্যারেল ওয়াশিংটনকে দিতে হবে। এই তেল বাজারমূল্যে বিক্রি করা হবে এবং বিক্রির অর্থের নিয়ন্ত্রণ থাকবে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে।মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাতে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী কর্তৃপক্ষ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত উচ্চমানের তেল হস্তান্তর করবে। এই তেল বিক্রির অর্থ ভেনেজুয়েলা ও যুক্তরাষ্ট্র— উভয় দেশের জনগণের কল্যাণে ব্যবহার করা হবে।
ট্রাম্প জানান, এই পরিকল্পনা তাৎক্ষণিকভাবে বাস্তবায়ন করতে জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস রাইটকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তেলগুলো সংরক্ষণকারী জাহাজে করে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের বন্দরগুলোতে এনে খালাস করা হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ প্রশাসনিক কর্মকর্তা সিএনএনকে জানান, তেল ইতোমধ্যে উত্তোলন করা হয়েছে এবং ব্যারেলে ভরা রয়েছে। এর বেশিরভাগই বর্তমানে জাহাজে রয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় অঞ্চলের পরিশোধনাগারে পাঠানো হবে।
ট্রাম্পের ঘোষণার পরপরই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম প্রতি ব্যারেল প্রায় ১ ডলার বা প্রায় ২ শতাংশ কমে ৫৬ ডলারে নেমে আসে। যদি সর্বোচ্চ ৫ কোটি ব্যারেল তেল বিক্রি করা যায়, তবে এতে উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আসতে পারে। বর্তমানে ভেনেজুয়েলার তেল প্রতি ব্যারেল ৫৫ ডলারে লেনদেন হচ্ছে। সেই হিসাবে বাজারদরে বিক্রি হলে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ১৬৫ কোটি থেকে ২৭৫ কোটি ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারে।
গত বছরের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পর থেকে ভেনেজুয়েলা বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল মজুত করেছে। তবে এত বড় পরিমাণ তেল যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দিলে দেশটির নিজস্ব তেল মজুত কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই তেল আসবে স্থলভাগের মজুতাগার ও জব্দ করা ট্যাংকার—উভয় উৎস থেকেই। প্রাইস ফিউচার্স গ্রুপের জ্যেষ্ঠ বাজার বিশ্লেষক ফিল ফ্লিন জানান, ভেনেজুয়েলার মোট মজুত সক্ষমতা প্রায় ৪ কোটি ৮০ লাখ ব্যারেল, যা প্রায় পূর্ণ অবস্থায় ছিল। পাশাপাশি, জব্দ ট্যাংকারগুলোতে আনুমানিক ১ কোটি ৫০ লাখ থেকে ২ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন করা হচ্ছিল।
কত সময়ের মধ্যে এই তেল যুক্তরাষ্ট্রে হস্তান্তর করা হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে ওই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, ভেনেজুয়েলার অপরিশোধিত তেল অত্যন্ত ভারী হওয়ায় এটি দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায় না। তাই দ্রুত হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন