আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে লালমনিরহাট-২ (আদিতমারী–কালিগঞ্জ) আসনে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এরই মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী মো. রোকন উদ্দিন বাবুলের নির্বাচনী প্রচারণা ও মিডিয়া সমন্বয় উপকমিটিতে দেশের সনামধন্য কয়েকটি গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের নাম যুক্ত হওয়ার খবর নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির এ প্রার্থীর প্রচারণা কমিটিতে নিউজ-২৪সহ আরও কয়েকটি পরিচিত ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের নাম তালিকাভুক্ত রয়েছে—এমন তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে ছড়িয়ে পড়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক চলছে।
এ প্রসঙ্গে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। অনেকেই মনে করছেন, পেশাগত দায়িত্বে নিয়োজিত থাকা সাংবাদিকদের সরাসরি কোনো রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়া সাংবাদিকতার নিরপেক্ষতা ও পেশাগত নীতিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।
এ বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে লালমনিরহাট-২
আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মমতাজ আলী শান্ত বলেন,
“সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা। সাংবাদিকরা সমাজের আয়না। কোনো সাংবাদিক একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থেকে যদি সরাসরি রাজনৈতিক প্রচারণায় যুক্ত হন, তাহলে তার নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়। আমার দৃষ্টিতে বিষয়টি সমীচীন হয়নি।”
কালিগঞ্জ উপজেলার এক ভোটার বলেন,
“সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ। তারা যদি কোনো নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নামেন, তাহলে সাধারণ মানুষের কাছে গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়।”
একই মত প্রকাশ করেছেন আদিতমারী উপজেলার আরেকজন সচেতন নাগরিক। তিনি বলেন,
“আমরা চাই সাংবাদিকরা সব রাজনৈতিক দলের খবর সমানভাবে তুলে ধরুক। কোনো দলের প্রচারণা কমিটিতে নাম থাকলে স্বাভাবিকভাবেই তা বিতর্ক তৈরি করবে।”
এদিকে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের পক্ষ থেকেও বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। তাদের দাবি, গণমাধ্যমকর্মীদের রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ভূমিকা নির্বাচনী পরিবেশ ও সমান সুযোগের প্রশ্নে প্রভাব ফেলতে পারে।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাংবাদিকদের নাম জড়িয়ে পড়ার ঘটনায় লালমনিরহাট-২ আসনের নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক ও আলোচনা তৈরি হয়েছে, যা নির্বাচনের মাঠে বাড়তি উত্তাপ ছড়াতে পারে

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে লালমনিরহাট-২ (আদিতমারী–কালিগঞ্জ) আসনে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এরই মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী মো. রোকন উদ্দিন বাবুলের নির্বাচনী প্রচারণা ও মিডিয়া সমন্বয় উপকমিটিতে দেশের সনামধন্য কয়েকটি গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের নাম যুক্ত হওয়ার খবর নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির এ প্রার্থীর প্রচারণা কমিটিতে নিউজ-২৪সহ আরও কয়েকটি পরিচিত ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের নাম তালিকাভুক্ত রয়েছে—এমন তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে ছড়িয়ে পড়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক চলছে।
এ প্রসঙ্গে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। অনেকেই মনে করছেন, পেশাগত দায়িত্বে নিয়োজিত থাকা সাংবাদিকদের সরাসরি কোনো রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়া সাংবাদিকতার নিরপেক্ষতা ও পেশাগত নীতিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।
এ বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে লালমনিরহাট-২
আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মমতাজ আলী শান্ত বলেন,
“সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা। সাংবাদিকরা সমাজের আয়না। কোনো সাংবাদিক একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থেকে যদি সরাসরি রাজনৈতিক প্রচারণায় যুক্ত হন, তাহলে তার নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়। আমার দৃষ্টিতে বিষয়টি সমীচীন হয়নি।”
কালিগঞ্জ উপজেলার এক ভোটার বলেন,
“সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ। তারা যদি কোনো নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নামেন, তাহলে সাধারণ মানুষের কাছে গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়।”
একই মত প্রকাশ করেছেন আদিতমারী উপজেলার আরেকজন সচেতন নাগরিক। তিনি বলেন,
“আমরা চাই সাংবাদিকরা সব রাজনৈতিক দলের খবর সমানভাবে তুলে ধরুক। কোনো দলের প্রচারণা কমিটিতে নাম থাকলে স্বাভাবিকভাবেই তা বিতর্ক তৈরি করবে।”
এদিকে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের পক্ষ থেকেও বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। তাদের দাবি, গণমাধ্যমকর্মীদের রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ভূমিকা নির্বাচনী পরিবেশ ও সমান সুযোগের প্রশ্নে প্রভাব ফেলতে পারে।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাংবাদিকদের নাম জড়িয়ে পড়ার ঘটনায় লালমনিরহাট-২ আসনের নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক ও আলোচনা তৈরি হয়েছে, যা নির্বাচনের মাঠে বাড়তি উত্তাপ ছড়াতে পারে

আপনার মতামত লিখুন