মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার লতব্দী ইউনিয়নের কংশপুরা এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও ফসলী জমির মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে পূর্ব বিরোধের জেরে বাড়িঘরে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারীসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত একজনকে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেও হচ্ছে।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় আধিপত্য বিস্তার ও ফসলি জমির মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও লতব্দী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি খলিলুর রহমান মাহমুদের সাথে জহিরুল ইসলাম জহির গংদের সাথে বিরোধ চলছিলো। চলমান বিরোধের জেরে শুক্রবার সকাল আনুমান সাড়ে ১০ টার দিকে কংশপুরা এলাকায় জহিরুল ইসলাম জহির, আল-মামুন, আক্তার হোসেন দেওয়ান,ওমর ফারুক দেওয়ান,আহসান উল্লাহ দেওয়ান, রুকুল মীর, কারীমুল্লা,মোক্তার হোসেন ও হাবিবুল্লাহর নেতৃত্বে প্রায় ৩ থেকে ৪শ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল খলিলুর রহমান মাহমুদ ও তার বংশের লোকজনের বাড়ীঘরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। এসময় তাদের বাড়ীঘর ভাংচুরের বাধা দিতে গেলে বেশ কয়েকজন নারীকে মারধর সহ একাধিক নারী শ্লীলতাহানি করা হয়েছে মর্মে অভিযোগে করে মারধরের শিকার ভুক্তভোগী নারীরা। এছাড়া হাকিম মাহমুদ নামে একজনকে গুরুতর জখম করা হয়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তার শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, হামলাকারীরা প্রথমে বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ করে আতঙ্ক সৃষ্টির করে। এরপর একাধিক বসত ঘরে ঢুকে নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এসময় বসত ঘর থাকা ফ্রিজ, টিভি ও আসবাবপত্র ভাংচুর করে তারা। এতে মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ থেকে দেড় কোটি টাকা বলে দাবী ভুক্তভোগী পরিবারের। পরে খবর পেয়ে সিরাজদিখান থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে সিরাজদিখান থানার এসআই হাফিজুর রহমান আহত হন। এ ঘটনায় সিরাজদিখান থানার এসআই রাকিব বাদী হয়ে ৯২ জনকে এজাহার নামীয় আসামীসহ আরও ২শ থেকে আড়াইশো জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন যার নং- ১৭। এপরদিকে একই ঘটনায় কংশপুরা গ্রামের জাকিয়া সুলতানা বাদী হয়ে সিরাজদিখান থানায় অপর আরো একটি মামলা দায়ের করেন। দায়ের কৃত মামলায় ৪৩ জনকে এজাহার নামীয় আসামীসহ আরো ৮০ থেকে ৯০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়। অন্যদিকে থানা পুলিশের দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার হওয়ার ভয়ে পুরুষশুণ্য হয়ে পরেছে কংশপুরা গ্রামসহ আশপাশের গ্রাম। সরেজমিনে নারী ও শিশুদের দেখা দেখা গেলেও পুরুষদের তেমন ওই এলাকায় দেখা যায় নি।
সিরাজদিখান থানা পুলিশের পক্ষ দায়েরকৃত মামলা তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার লতব্দী ইউনিয়নের কংশপুরা এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও ফসলী জমির মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে পূর্ব বিরোধের জেরে বাড়িঘরে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারীসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত একজনকে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেও হচ্ছে।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় আধিপত্য বিস্তার ও ফসলি জমির মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও লতব্দী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি খলিলুর রহমান মাহমুদের সাথে জহিরুল ইসলাম জহির গংদের সাথে বিরোধ চলছিলো। চলমান বিরোধের জেরে শুক্রবার সকাল আনুমান সাড়ে ১০ টার দিকে কংশপুরা এলাকায় জহিরুল ইসলাম জহির, আল-মামুন, আক্তার হোসেন দেওয়ান,ওমর ফারুক দেওয়ান,আহসান উল্লাহ দেওয়ান, রুকুল মীর, কারীমুল্লা,মোক্তার হোসেন ও হাবিবুল্লাহর নেতৃত্বে প্রায় ৩ থেকে ৪শ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল খলিলুর রহমান মাহমুদ ও তার বংশের লোকজনের বাড়ীঘরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। এসময় তাদের বাড়ীঘর ভাংচুরের বাধা দিতে গেলে বেশ কয়েকজন নারীকে মারধর সহ একাধিক নারী শ্লীলতাহানি করা হয়েছে মর্মে অভিযোগে করে মারধরের শিকার ভুক্তভোগী নারীরা। এছাড়া হাকিম মাহমুদ নামে একজনকে গুরুতর জখম করা হয়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তার শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, হামলাকারীরা প্রথমে বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ করে আতঙ্ক সৃষ্টির করে। এরপর একাধিক বসত ঘরে ঢুকে নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এসময় বসত ঘর থাকা ফ্রিজ, টিভি ও আসবাবপত্র ভাংচুর করে তারা। এতে মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ থেকে দেড় কোটি টাকা বলে দাবী ভুক্তভোগী পরিবারের। পরে খবর পেয়ে সিরাজদিখান থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে সিরাজদিখান থানার এসআই হাফিজুর রহমান আহত হন। এ ঘটনায় সিরাজদিখান থানার এসআই রাকিব বাদী হয়ে ৯২ জনকে এজাহার নামীয় আসামীসহ আরও ২শ থেকে আড়াইশো জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন যার নং- ১৭। এপরদিকে একই ঘটনায় কংশপুরা গ্রামের জাকিয়া সুলতানা বাদী হয়ে সিরাজদিখান থানায় অপর আরো একটি মামলা দায়ের করেন। দায়ের কৃত মামলায় ৪৩ জনকে এজাহার নামীয় আসামীসহ আরো ৮০ থেকে ৯০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়। অন্যদিকে থানা পুলিশের দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার হওয়ার ভয়ে পুরুষশুণ্য হয়ে পরেছে কংশপুরা গ্রামসহ আশপাশের গ্রাম। সরেজমিনে নারী ও শিশুদের দেখা দেখা গেলেও পুরুষদের তেমন ওই এলাকায় দেখা যায় নি।
সিরাজদিখান থানা পুলিশের পক্ষ দায়েরকৃত মামলা তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন