আজ ১১ ডিসেম্বর হিলি মুক্ত দিবস। নানা কর্মসুচির মধ্যদিয়ে পালিত হচ্ছে দিবসটি।
দিবসটি উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় হাকিমপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ অফিসের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। র্যাটি প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষি করে সীমান্তবর্তী মুহাড়াপাড়া এলাকায় গিয়ে শেয় হয়।
পরে শহীদ ভারতীয় মিত্রবাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের স্বরণে নির্মিত সম্মুখ সমর সৃতিস্তম্ভে ফুলদিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয় ও নিহতদের স্মরনে দেয়া অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমা, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার লিয়াকত আলী ও বীর মুক্তিযোদ্ধারাসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্যঃ ১৯৭১ সালের এই দিনে ভারতীয় মিত্রবাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধারা হিলিতে পাক সেনাদের বিভিন্ন অস্তানায় আকাশ ও স্থলপথে একযোগে আক্রমন চালায়। প্রচন্ড যুদ্ধের পর ৭নং সেক্টরের আওতায় হিলি শত্রæমুক্ত হয়। এসময় এখানে পাক সেনাদের সাথে সম্মুখ যুদ্ধে ৩৪৫ জন ভারতীয় মিত্রবাহিনীর সদস্য ও দেড়শতাধিক নাম না জানা মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
আজ ১১ ডিসেম্বর হিলি মুক্ত দিবস। নানা কর্মসুচির মধ্যদিয়ে পালিত হচ্ছে দিবসটি।
দিবসটি উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় হাকিমপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ অফিসের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। র্যাটি প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষি করে সীমান্তবর্তী মুহাড়াপাড়া এলাকায় গিয়ে শেয় হয়।
পরে শহীদ ভারতীয় মিত্রবাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের স্বরণে নির্মিত সম্মুখ সমর সৃতিস্তম্ভে ফুলদিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয় ও নিহতদের স্মরনে দেয়া অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমা, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার লিয়াকত আলী ও বীর মুক্তিযোদ্ধারাসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্যঃ ১৯৭১ সালের এই দিনে ভারতীয় মিত্রবাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধারা হিলিতে পাক সেনাদের বিভিন্ন অস্তানায় আকাশ ও স্থলপথে একযোগে আক্রমন চালায়। প্রচন্ড যুদ্ধের পর ৭নং সেক্টরের আওতায় হিলি শত্রæমুক্ত হয়। এসময় এখানে পাক সেনাদের সাথে সম্মুখ যুদ্ধে ৩৪৫ জন ভারতীয় মিত্রবাহিনীর সদস্য ও দেড়শতাধিক নাম না জানা মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন।

আপনার মতামত লিখুন