দৈনিক উত্তরের নিউজ
প্রকাশ : রোববার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫

ভারত থেকে আমদানি বন্ধের অজুহাতে হিলি স্থলবন্দরে বেড়েছে চালের দাম

ভারত থেকে আমদানি বন্ধের অজুহাতে হিলি স্থলবন্দরে বেড়েছে চালের দাম

আমদানি বন্ধের অজুহাতে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে বেড়েছে চালের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে দাম বেড়েছে ৪ থেকে ৫ টাকা। এতে বিপাকে পড়েছেন পাইকাররা। তাদের দাবি, ভারত থেকে পর্যাপ্ত পরিমান চাল আমদানি হয়েছে ,দাম বাড়াটা অহেতুক ছাড়া আর কিছু নয়। তারা আরও বলেন, দামটা সহনীয় পর্যায়ে থাকলে ক্রয় করতে সুবিধা হবে। এদিকে আমদানিকারকরা বলছেন, আমদানি বন্ধের শেষ মুহূর্তে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় দামটা বেড়েছে।

গত ১২ই আগস্ট থেকে চাল আমদানির অনুমতি দেয় সরকার। এরপর দুই দফায় আমদানির অনুমতির মেয়াদ বাড়ানো হলেও সর্বশেষ ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত আমদানির শেষ সময় ছিল। যার কারনে ১ ডিসেম্বর থেকে ভারত থেকে চাল আমদানি বন্ধ রয়েছে। তবে আমদানি বন্ধের অজুহাতে হিলি স্থলবন্দরে পাইকারিতে চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ৫ থেকে ৬ টাকায়। সপ্তাহ আগে সম্পা কাটারি জাতের চাল বিক্রি হয়েছিল ৬০ থেকে ৬১ টাকা কেজি দরে সেই চাল বর্তমান বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৬৬ টাকা কেজি দরে। বন্দরে পাইকারিতে চালের দাম বাড়ায় খুচরা পর্যায়েও বেড়ে গেছে দাম। যার কারনে বিপাকে পড়েছেন সাধারন ক্রেতারা। 

পাইকাররা বলছেন, আগের তুলনায় আমদানির শেষ পর্যায়ে অনেক চাল আমদানি হয়েছে। প্রতিদিন আমদানি হয়েছে শেষের দিকে ১০০ থেকে ১২০ ভারতীয় ট্রাক। তারপরও আমদানি বন্ধের অজুহাতে চালের দাম বাড়াচ্ছেন আমদানিকারকরা। তাদের দাবী, সরকারের পক্ষ থেকে কোনো মনিটরিং না থাকার কারনে দামটা বাড়ছে। 

এদিকে আমদানিকারকরা বলছেন, ৩০ নভেম্বর ছিল চাল আমদানির শেষ সময় তাই দ্রুত চালগুলো ভারত থেকে আমদানি করতে গিয়ে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় দামটা বেড়েছে।

হিলি শুল্ক স্টেশন রাজস্ব কর্মকর্তা আজিজুল ইসলাম বলেন, চাল আমদানি ভারত থেকে চাল আমদানির সর্বশেষ মেয়াদ ছিল ৩০ নভেম�

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক উত্তরের নিউজ

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


ভারত থেকে আমদানি বন্ধের অজুহাতে হিলি স্থলবন্দরে বেড়েছে চালের দাম

প্রকাশের তারিখ : ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image




আমদানি বন্ধের অজুহাতে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে বেড়েছে চালের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে দাম বেড়েছে ৪ থেকে ৫ টাকা। এতে বিপাকে পড়েছেন পাইকাররা। তাদের দাবি, ভারত থেকে পর্যাপ্ত পরিমান চাল আমদানি হয়েছে ,দাম বাড়াটা অহেতুক ছাড়া আর কিছু নয়। তারা আরও বলেন, দামটা সহনীয় পর্যায়ে থাকলে ক্রয় করতে সুবিধা হবে। এদিকে আমদানিকারকরা বলছেন, আমদানি বন্ধের শেষ মুহূর্তে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় দামটা বেড়েছে।

গত ১২ই আগস্ট থেকে চাল আমদানির অনুমতি দেয় সরকার। এরপর দুই দফায় আমদানির অনুমতির মেয়াদ বাড়ানো হলেও সর্বশেষ ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত আমদানির শেষ সময় ছিল। যার কারনে ১ ডিসেম্বর থেকে ভারত থেকে চাল আমদানি বন্ধ রয়েছে। তবে আমদানি বন্ধের অজুহাতে হিলি স্থলবন্দরে পাইকারিতে চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ৫ থেকে ৬ টাকায়। সপ্তাহ আগে সম্পা কাটারি জাতের চাল বিক্রি হয়েছিল ৬০ থেকে ৬১ টাকা কেজি দরে সেই চাল বর্তমান বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৬৬ টাকা কেজি দরে। বন্দরে পাইকারিতে চালের দাম বাড়ায় খুচরা পর্যায়েও বেড়ে গেছে দাম। যার কারনে বিপাকে পড়েছেন সাধারন ক্রেতারা। 

পাইকাররা বলছেন, আগের তুলনায় আমদানির শেষ পর্যায়ে অনেক চাল আমদানি হয়েছে। প্রতিদিন আমদানি হয়েছে শেষের দিকে ১০০ থেকে ১২০ ভারতীয় ট্রাক। তারপরও আমদানি বন্ধের অজুহাতে চালের দাম বাড়াচ্ছেন আমদানিকারকরা। তাদের দাবী, সরকারের পক্ষ থেকে কোনো মনিটরিং না থাকার কারনে দামটা বাড়ছে। 

এদিকে আমদানিকারকরা বলছেন, ৩০ নভেম্বর ছিল চাল আমদানির শেষ সময় তাই দ্রুত চালগুলো ভারত থেকে আমদানি করতে গিয়ে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় দামটা বেড়েছে।

হিলি শুল্ক স্টেশন রাজস্ব কর্মকর্তা আজিজুল ইসলাম বলেন, চাল আমদানি ভারত থেকে চাল আমদানির সর্বশেষ মেয়াদ ছিল ৩০ নভেম�


দৈনিক উত্তরের নিউজ

প্রকাশকঃ এম কে পুলক আহম্মেদ
Email: dainikauttareraniuja@gmail.com
web www.dainikuttarernews.com

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উত্তরের নিউজ