দৈনিক উত্তরের নিউজ
আপডেট : শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫

১০০ হাঁস দিয়ে শুরু, এখন খামারে ১২০০-এর বেশি

১০০ হাঁস দিয়ে শুরু, এখন খামারে ১২০০-এর বেশি


যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের যুবক ইকবাল হোসেন বেকারত্ব দূর করতে উদ্যোগ নেন হাঁস পালন ব্যবসার। মাত্র এক বছর আগে তিনি মাত্র ১০০ হাঁস দিয়ে তাঁর খামারের যাত্রা শুরু করেন। ধীরে ধীরে পরিশ্রম, আন্তরিকতা ও সঠিক ব্যবস্থাপনায় আজ তাঁর খামারে হাঁসের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২০০-এর বেশি।

যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের যুবক ইকবাল হোসেন বেকারত্ব দূর করতে উদ্যোগ নেন হাঁস পালন ব্যবসার। মাত্র এক বছর আগে তিনি মাত্র ১০০ হাঁস দিয়ে তাঁর খামারের যাত্রা শুরু করেন। ধীরে ধীরে পরিশ্রম, আন্তরিকতা ও সঠিক ব্যবস্থাপনায় আজ তাঁর খামারে হাঁসের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২০০-এর বেশি।

ইকবাল হোসেন জানান, প্রতি ৪৫ থেকে ৫০ দিন পরপর তিনি হাঁসগুলো বিক্রি করেন। খামারের খাবার খরচ, বিদ্যুৎ বিলসহ সব ব্যয় বাদ দিয়ে প্রতি চক্রে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা লাভ হয়।

তিনি বলেন,

“এই ব্যবসা আমার বেকারত্ব দূর করেছে। এখন আমার খামারে তিনজনের কর্মসংস্থান হয়েছে। সামনে আরও বড় পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী এক বছরের মধ্যে খামারে কমপক্ষে ৫ হাজার হাঁস পালন করতে চাই এবং সেখানে ১০ জনের বেশি মানুষের কর্মসংস্থান হবে।”

হাঁস পালন করে শুধু আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়াই নয়, তিনি ভবিষ্যতে ডিম ও মাংস উৎপাদন বাড়িয়ে স্থানীয় চাহিদা পূরণ এবং সুযোগ হলে বিদেশেও রপ্তানি করার ইচ্ছা পোষণ করেন।

গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা ঘুরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি বেকার যুবকদের জন্য হাঁস পালন একটি সফল মডেল হতে পারে—এমনটাই মত এলাকাবাসীর।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক উত্তরের নিউজ

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


১০০ হাঁস দিয়ে শুরু, এখন খামারে ১২০০-এর বেশি

প্রকাশের তারিখ : ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image


যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের যুবক ইকবাল হোসেন বেকারত্ব দূর করতে উদ্যোগ নেন হাঁস পালন ব্যবসার। মাত্র এক বছর আগে তিনি মাত্র ১০০ হাঁস দিয়ে তাঁর খামারের যাত্রা শুরু করেন। ধীরে ধীরে পরিশ্রম, আন্তরিকতা ও সঠিক ব্যবস্থাপনায় আজ তাঁর খামারে হাঁসের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২০০-এর বেশি।

যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের যুবক ইকবাল হোসেন বেকারত্ব দূর করতে উদ্যোগ নেন হাঁস পালন ব্যবসার। মাত্র এক বছর আগে তিনি মাত্র ১০০ হাঁস দিয়ে তাঁর খামারের যাত্রা শুরু করেন। ধীরে ধীরে পরিশ্রম, আন্তরিকতা ও সঠিক ব্যবস্থাপনায় আজ তাঁর খামারে হাঁসের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২০০-এর বেশি।

ইকবাল হোসেন জানান, প্রতি ৪৫ থেকে ৫০ দিন পরপর তিনি হাঁসগুলো বিক্রি করেন। খামারের খাবার খরচ, বিদ্যুৎ বিলসহ সব ব্যয় বাদ দিয়ে প্রতি চক্রে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা লাভ হয়।

তিনি বলেন,

“এই ব্যবসা আমার বেকারত্ব দূর করেছে। এখন আমার খামারে তিনজনের কর্মসংস্থান হয়েছে। সামনে আরও বড় পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী এক বছরের মধ্যে খামারে কমপক্ষে ৫ হাজার হাঁস পালন করতে চাই এবং সেখানে ১০ জনের বেশি মানুষের কর্মসংস্থান হবে।”

হাঁস পালন করে শুধু আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়াই নয়, তিনি ভবিষ্যতে ডিম ও মাংস উৎপাদন বাড়িয়ে স্থানীয় চাহিদা পূরণ এবং সুযোগ হলে বিদেশেও রপ্তানি করার ইচ্ছা পোষণ করেন।

গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা ঘুরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি বেকার যুবকদের জন্য হাঁস পালন একটি সফল মডেল হতে পারে—এমনটাই মত এলাকাবাসীর।


দৈনিক উত্তরের নিউজ

প্রকাশকঃ এম কে পুলক আহম্মেদ
Email: dainikauttareraniuja@gmail.com
web www.dainikuttarernews.com

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উত্তরের নিউজ