ইকবাল হোসেন জানান, প্রতি ৪৫ থেকে ৫০ দিন পরপর তিনি হাঁসগুলো বিক্রি করেন। খামারের খাবার খরচ, বিদ্যুৎ বিলসহ সব ব্যয় বাদ দিয়ে প্রতি চক্রে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা লাভ হয়।
তিনি বলেন,
“এই ব্যবসা আমার বেকারত্ব দূর করেছে। এখন আমার খামারে তিনজনের কর্মসংস্থান হয়েছে। সামনে আরও বড় পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী এক বছরের মধ্যে খামারে কমপক্ষে ৫ হাজার হাঁস পালন করতে চাই এবং সেখানে ১০ জনের বেশি মানুষের কর্মসংস্থান হবে।”
হাঁস পালন করে শুধু আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়াই নয়, তিনি ভবিষ্যতে ডিম ও মাংস উৎপাদন বাড়িয়ে স্থানীয় চাহিদা পূরণ এবং সুযোগ হলে বিদেশেও রপ্তানি করার ইচ্ছা পোষণ করেন।
গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা ঘুরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি বেকার যুবকদের জন্য হাঁস পালন একটি সফল মডেল হতে পারে—এমনটাই মত এলাকাবাসীর।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫
ইকবাল হোসেন জানান, প্রতি ৪৫ থেকে ৫০ দিন পরপর তিনি হাঁসগুলো বিক্রি করেন। খামারের খাবার খরচ, বিদ্যুৎ বিলসহ সব ব্যয় বাদ দিয়ে প্রতি চক্রে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা লাভ হয়।
তিনি বলেন,
“এই ব্যবসা আমার বেকারত্ব দূর করেছে। এখন আমার খামারে তিনজনের কর্মসংস্থান হয়েছে। সামনে আরও বড় পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী এক বছরের মধ্যে খামারে কমপক্ষে ৫ হাজার হাঁস পালন করতে চাই এবং সেখানে ১০ জনের বেশি মানুষের কর্মসংস্থান হবে।”
হাঁস পালন করে শুধু আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়াই নয়, তিনি ভবিষ্যতে ডিম ও মাংস উৎপাদন বাড়িয়ে স্থানীয় চাহিদা পূরণ এবং সুযোগ হলে বিদেশেও রপ্তানি করার ইচ্ছা পোষণ করেন।
গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা ঘুরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি বেকার যুবকদের জন্য হাঁস পালন একটি সফল মডেল হতে পারে—এমনটাই মত এলাকাবাসীর।

আপনার মতামত লিখুন