ভোলার চরফ্যাশনে এক চতুর্থ শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের শিকার করায় মো. আনচার (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দক্ষিণ আইচা থানা পুলিশ বৃহস্পতিবার দিকে ছাত্রীর বাবার বাসা থেকে আনচারকে আটক করে। তিনি উপজেলার চরমানিকা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বেড়িবাঁধ সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা এবং আব্দুল আজিজ বেপারীর ছেলে।পুলিশ, ভুক্তভোগী ছাত্রী ও তার পরিবারের বর্ণনায় জানা গেছে, স্কুলছাত্রীটি স্কুলে যাওয়ার পথে আনচারের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রেমের ফাঁদে পড়ে। এরপর বুধবার রাত ৮টার দিকে আনচার ছাত্রীর বাবার বাড়িতে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। ছাত্রীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে এবং স্থানীয়দের সহযোগিতায় আনচারকে রাতেই আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।ঘটনার প্রতিক্রিয়াস্বরূপ, বৃহস্পতিবার দুপুরে ভুক্তভোগী ছাত্রীর মাদ্রাসা মাঠে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন এবং অভিযুক্ত আনচারের দ্রুত বিচার দাবী করেন।স্থানীয় সূত্র বলছে, গ্রেপ্তারকৃত আনচার ২০২১ সালে একই ধরনের অঘটনায় যুক্ত ছিলেন। তখন তিনি পাশের গ্রামের এক কিশোরীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ করেন, কিন্তু বিয়ে না হওয়ায় ওই কিশোরী বিষপান করে আত্মহত্যা করেন। মামলার ফলপ্রসূ বিচার হয়নি কারণ প্রভাবশালী মহল এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেছিল।দক্ষিণ আইচা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এরশাদুল হক ভুঁইয়া জানান, মামলাটি ভুক্তভোগীর পরিবার থেকে গ্রহণ করা হয়েছে এবং আনচারকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ভিকটিমকে হাসপাতালে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। স্থানীয়রা দ্রুত বিচার চেয়ে আসামির শাস্তির দাবি জানান।এ ঘটনা চরফ্যাশনে শিশু ও নারীর নিরাপত্তার অবরোধ তুলে ধরে এবং ন্যায়বিচারের আশায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা ও দ্রুত পদক্ষেপ এই ধরনের নিপীড়ন রোধে অপরিহার্য বলে মনে করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ নভেম্বর ২০২৫
ভোলার চরফ্যাশনে এক চতুর্থ শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের শিকার করায় মো. আনচার (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দক্ষিণ আইচা থানা পুলিশ বৃহস্পতিবার দিকে ছাত্রীর বাবার বাসা থেকে আনচারকে আটক করে। তিনি উপজেলার চরমানিকা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বেড়িবাঁধ সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা এবং আব্দুল আজিজ বেপারীর ছেলে।পুলিশ, ভুক্তভোগী ছাত্রী ও তার পরিবারের বর্ণনায় জানা গেছে, স্কুলছাত্রীটি স্কুলে যাওয়ার পথে আনচারের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রেমের ফাঁদে পড়ে। এরপর বুধবার রাত ৮টার দিকে আনচার ছাত্রীর বাবার বাড়িতে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। ছাত্রীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে এবং স্থানীয়দের সহযোগিতায় আনচারকে রাতেই আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।ঘটনার প্রতিক্রিয়াস্বরূপ, বৃহস্পতিবার দুপুরে ভুক্তভোগী ছাত্রীর মাদ্রাসা মাঠে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন এবং অভিযুক্ত আনচারের দ্রুত বিচার দাবী করেন।স্থানীয় সূত্র বলছে, গ্রেপ্তারকৃত আনচার ২০২১ সালে একই ধরনের অঘটনায় যুক্ত ছিলেন। তখন তিনি পাশের গ্রামের এক কিশোরীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ করেন, কিন্তু বিয়ে না হওয়ায় ওই কিশোরী বিষপান করে আত্মহত্যা করেন। মামলার ফলপ্রসূ বিচার হয়নি কারণ প্রভাবশালী মহল এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেছিল।দক্ষিণ আইচা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এরশাদুল হক ভুঁইয়া জানান, মামলাটি ভুক্তভোগীর পরিবার থেকে গ্রহণ করা হয়েছে এবং আনচারকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ভিকটিমকে হাসপাতালে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। স্থানীয়রা দ্রুত বিচার চেয়ে আসামির শাস্তির দাবি জানান।এ ঘটনা চরফ্যাশনে শিশু ও নারীর নিরাপত্তার অবরোধ তুলে ধরে এবং ন্যায়বিচারের আশায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা ও দ্রুত পদক্ষেপ এই ধরনের নিপীড়ন রোধে অপরিহার্য বলে মনে করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন