ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামের একটি মাছের ঘেরে দীর্ঘদিন ধরে মুরগির নাড়িভুঁড়ি, বর্জ্য ও দুর্গন্ধযুক্ত অখাদ্য পদার্থ ফেলে মাছ চাষ করার অভিযোগ উঠেছে সুমন মিয়া (পিতা: মনিরুল ইসলাম, গ্রাম: ফুলবাড়িয়া, ইউনিয়ন: টগরবন্ধ)-এর বিরুদ্ধে। এতে ঘেরসংলগ্ন এলাকাজুড়ে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে পরিবেশ দূষণের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।
গত শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়-সুমন মিয়া নিজের মাছের ঘেরে মুরগির নাড়িভুঁড়ি ও পচা বর্জ্য পানি মিশিয়ে মাছকে খাওয়াচ্ছেন। এসব অখাদ্য ও ক্ষতিকর বর্জ্য পুকুরে দেওয়ার ফলে পানি সম্পূর্ণ কালচে হয়ে গেছে এবং চারপাশে অসহনীয় গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে।
এলাকাবাসীরা অভিযোগ করে বলেন, "অনেকদিন ধরেই সুমন মিয়া এই পচা নাড়িভুঁড়ি পুকুরে ফেলে মাছ চাষ করছেন। এতে শুধু পরিবেশ নয়, জনস্বাস্থ্যও হুমকির মুখে পড়েছে। বাজারে এসব মাছ বিক্রি হওয়ায় ভোক্তারা অজান্তেই স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।"
ঘটনা জানাতে একাধিক ব্যক্তি উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করলে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জানান, "মাছকে অখাদ্য, পচা বর্জ্য বা ক্ষতিকর কোনো কিছু খাওয়ানো আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এটি জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
স্থানীয়দের দাবি-এ ধরনের অনৈতিক ও স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ মাছচাষ বন্ধে প্রশাসন যেন দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং এলাকায় পরিবেশদূষণ রোধে নিয়মিত তদারকি জোরদার করে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ নভেম্বর ২০২৫
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামের একটি মাছের ঘেরে দীর্ঘদিন ধরে মুরগির নাড়িভুঁড়ি, বর্জ্য ও দুর্গন্ধযুক্ত অখাদ্য পদার্থ ফেলে মাছ চাষ করার অভিযোগ উঠেছে সুমন মিয়া (পিতা: মনিরুল ইসলাম, গ্রাম: ফুলবাড়িয়া, ইউনিয়ন: টগরবন্ধ)-এর বিরুদ্ধে। এতে ঘেরসংলগ্ন এলাকাজুড়ে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে পরিবেশ দূষণের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।
গত শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়-সুমন মিয়া নিজের মাছের ঘেরে মুরগির নাড়িভুঁড়ি ও পচা বর্জ্য পানি মিশিয়ে মাছকে খাওয়াচ্ছেন। এসব অখাদ্য ও ক্ষতিকর বর্জ্য পুকুরে দেওয়ার ফলে পানি সম্পূর্ণ কালচে হয়ে গেছে এবং চারপাশে অসহনীয় গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে।
এলাকাবাসীরা অভিযোগ করে বলেন, "অনেকদিন ধরেই সুমন মিয়া এই পচা নাড়িভুঁড়ি পুকুরে ফেলে মাছ চাষ করছেন। এতে শুধু পরিবেশ নয়, জনস্বাস্থ্যও হুমকির মুখে পড়েছে। বাজারে এসব মাছ বিক্রি হওয়ায় ভোক্তারা অজান্তেই স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।"
ঘটনা জানাতে একাধিক ব্যক্তি উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করলে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জানান, "মাছকে অখাদ্য, পচা বর্জ্য বা ক্ষতিকর কোনো কিছু খাওয়ানো আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এটি জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
স্থানীয়দের দাবি-এ ধরনের অনৈতিক ও স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ মাছচাষ বন্ধে প্রশাসন যেন দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং এলাকায় পরিবেশদূষণ রোধে নিয়মিত তদারকি জোরদার করে।

আপনার মতামত লিখুন