ভারতের রাজধানী দিল্লির উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সীমাপুরি এলাকায় একটি ভবন ধসে বেশ কয়েকজন আটকা পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বুধবার (০৭ অক্টোবর) বিকেলে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত আটজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবারের সদস্যদের দাবি, আরও পাঁচজন নিখোঁজ রয়েছেন।
ঘটনার এক মাস আগে দিল্লির সত্য নিকেতন এলাকায় একটি হোস্টেলে দুর্ঘটনায় সাতজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছিলেন।
দিল্লি ফায়ার সার্ভিস (ডিএফএস) জানায়, বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ভবন ধসের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় তাদের দমকলের গাড়ি। সেখানে উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান চলছে।
ঘটনাস্থলের ছবিতে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে বহু মানুষকে দেখা গেছে। অনেকে হাত দিয়ে পাথর ও ভবনের ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে আটকে পড়াদের উদ্ধারের চেষ্টা করছিলেন। কেউ কেউ আবার মোবাইল ফোনে ঘটনার ছবি ও ভিডিও ধারণ করছিলেন।
দিল্লি ট্রাফিক পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার ও অ্যাম্বুলেন্স চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে সবাইকে ঘটনাস্থল এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে। সীমাপুরি গোলচত্বর, ডিএলএফ ভোপুরা ও আশপাশের সড়কে যান চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, বাসিন্দারাই চার থেকে পাঁচজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘পুলিশ আধা ঘণ্টা পর এসেছে। একটি শিশু এখনো আটকা আছে। স্থানীয়রা কয়েকজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। আমি নিজেও একজনকে সিপিআর দিয়েছি।’
স্থানীয়দের দাবি, মঙ্গলবার রাতে উত্তরাখণ্ডে ভূমিকম্পের পর দিল্লি-এনসিআর এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়। এরপর ভবনটিতে ফাটল দেখা দিয়েছিল। তবে ভবন ধসের প্রকৃত কারণ তদন্তের পরই জানা যাবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
সূত্র: এনডিটিভি

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
ভারতের রাজধানী দিল্লির উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সীমাপুরি এলাকায় একটি ভবন ধসে বেশ কয়েকজন আটকা পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বুধবার (০৭ অক্টোবর) বিকেলে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত আটজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবারের সদস্যদের দাবি, আরও পাঁচজন নিখোঁজ রয়েছেন।
ঘটনার এক মাস আগে দিল্লির সত্য নিকেতন এলাকায় একটি হোস্টেলে দুর্ঘটনায় সাতজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছিলেন।
দিল্লি ফায়ার সার্ভিস (ডিএফএস) জানায়, বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ভবন ধসের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় তাদের দমকলের গাড়ি। সেখানে উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান চলছে।
ঘটনাস্থলের ছবিতে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে বহু মানুষকে দেখা গেছে। অনেকে হাত দিয়ে পাথর ও ভবনের ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে আটকে পড়াদের উদ্ধারের চেষ্টা করছিলেন। কেউ কেউ আবার মোবাইল ফোনে ঘটনার ছবি ও ভিডিও ধারণ করছিলেন।
দিল্লি ট্রাফিক পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার ও অ্যাম্বুলেন্স চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে সবাইকে ঘটনাস্থল এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে। সীমাপুরি গোলচত্বর, ডিএলএফ ভোপুরা ও আশপাশের সড়কে যান চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, বাসিন্দারাই চার থেকে পাঁচজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘পুলিশ আধা ঘণ্টা পর এসেছে। একটি শিশু এখনো আটকা আছে। স্থানীয়রা কয়েকজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। আমি নিজেও একজনকে সিপিআর দিয়েছি।’
স্থানীয়দের দাবি, মঙ্গলবার রাতে উত্তরাখণ্ডে ভূমিকম্পের পর দিল্লি-এনসিআর এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়। এরপর ভবনটিতে ফাটল দেখা দিয়েছিল। তবে ভবন ধসের প্রকৃত কারণ তদন্তের পরই জানা যাবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
সূত্র: এনডিটিভি

আপনার মতামত লিখুন