মেসির বিদায়ের সঙ্গে শেষ হয়েছে আর্জেন্টিনা ফুটবলের একটি বিশেষ অধ্যায়। বেনিনকে ৩-০ গোলে হারানোর ম্যাচটি ছিল জাতীয় দলের জার্সিতে লিওনেল মেসির শেষ ম্যাচ। মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে সমর্থকদের ভালোবাসায় সেই অধ্যায়ের সমাপ্তি হয়েছে বর্ণিলভাবে। এখন সামনে প্রশ্ন মেসিকে ছাড়া কেমন হবে আর্জেন্টিনার পথচলা?
ম্যাচ শেষে সেই প্রশ্নেরই মুখোমুখি হতে হয়েছে কোচ লিওনেল স্কালোনিকে। তিনি বলেন, মেসির জায়গা পূরণ করার চেষ্টা করা হবে না; বরং নতুন বাস্তবতার সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে দলকে এগিয়ে নেওয়াই হবে মূল লক্ষ্য।
স্কালোনির নিজের ভবিষ্যৎ নিয়েও অবশ্য অনিশ্চয়তা রয়েছে। আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে তার বর্তমান চুক্তির মেয়াদ আগামী ডিসেম্বরেই শেষ হওয়ার কথা। আরও একটি বিশ্বকাপ চক্রে তাকে দায়িত্বে রাখতে আগ্রহী এএফএ। তবে চুক্তি নবায়ন নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
ম্যাচের পর নিজের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে স্কালোনি জানিয়েছেন, ‘সব ঠিকঠাক থাকলে আমি কোচিং চালিয়ে যাব। মেসি যে উত্তরাধিকার রেখে গেছে, তা অবিশ্বাস্য। এই বিষয়টিই আমার কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। মাঠের খেলায় তার মতো আর কেউ কখনো হবে না, তার প্রতি আমরা চিরকৃতজ্ঞ।’
স্কালোনির কাছে অবশ্য মেসির বিদায়ই ছিল রাতটির সবচেয়ে বড় বিষয়। জাতীয় দলের হয়ে মেসি যে প্রভাব রেখে গেছেন, সেটিকে অসাধারণ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।
তিনি জানান, মাঠের খেলায় মেসির সমকক্ষ কাউকে পাওয়া অত্যন্ত কঠিন এবং আর্জেন্টিনা তার অবদানের জন্য সব সময় কৃতজ্ঞ থাকবে।
তবে আবেগের পাশাপাশি বাস্তবতাও স্বীকার করেছেন স্কালোনি। মেসিকে ছাড়া জাতীয় দলের সামনে যে পথ সহজ হবে না, সেটি তিনি পরিষ্কার করেছেন।
কোচের ভাষায়, গত কয়েক বছরে আর্জেন্টিনা যে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছে, সেটি সাধারণ কোনো সময় ছিল না। সাফল্যের পাশাপাশি দলকে সামনে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখিও হতে হবে। তবে সেই চ্যালেঞ্জ সামলানোর জন্য তরুণ ও নতুন খেলোয়াড়দের নিয়ে দল প্রস্তুত করার কাজ শুরু হয়ে গেছে।
মেসিকে ছাড়া খেলার সবচেয়ে বড় পরিবর্তন কোথায় হবে, সেটিও পরোক্ষভাবে ব্যাখ্যা করেছেন স্কালোনি। তিনি বলেন, নতুন খেলোয়াড়েরা নিজেদের মতো করে দলকে এগিয়ে নিতে পারবেন, কিন্তু মেসি যে বিশেষ প্রভাব তৈরি করতেন, সেটি কারও পক্ষে হুবহু দেওয়া সম্ভব নয়।
একজন খেলোয়াড়ের উপস্থিতি শুধু গোল, অ্যাসিস্ট কিংবা মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে বিচার করা যায় না—মেসির ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও বড়। স্কালোনি বলেন, তার পাশে মেসিকে পাওয়ার অভিজ্ঞতা ছিল এমন কিছু, যা কেবল অনুভব করা যায়; অন্য কাউকে দিয়ে সেটির ব্যাখ্যা দেওয়া কঠিন।
তাই মেসির উত্তরসূরি খোঁজার চেয়ে নতুনভাবে দল গড়ার দিকেই নজর দিতে চান স্কালোনি। নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের নিয়ে আর্জেন্টিনাকে প্রতিযোগিতামূলক রাখার চ্যালেঞ্জ এখন তার সামনে।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
মেসির বিদায়ের সঙ্গে শেষ হয়েছে আর্জেন্টিনা ফুটবলের একটি বিশেষ অধ্যায়। বেনিনকে ৩-০ গোলে হারানোর ম্যাচটি ছিল জাতীয় দলের জার্সিতে লিওনেল মেসির শেষ ম্যাচ। মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে সমর্থকদের ভালোবাসায় সেই অধ্যায়ের সমাপ্তি হয়েছে বর্ণিলভাবে। এখন সামনে প্রশ্ন মেসিকে ছাড়া কেমন হবে আর্জেন্টিনার পথচলা?
ম্যাচ শেষে সেই প্রশ্নেরই মুখোমুখি হতে হয়েছে কোচ লিওনেল স্কালোনিকে। তিনি বলেন, মেসির জায়গা পূরণ করার চেষ্টা করা হবে না; বরং নতুন বাস্তবতার সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে দলকে এগিয়ে নেওয়াই হবে মূল লক্ষ্য।
স্কালোনির নিজের ভবিষ্যৎ নিয়েও অবশ্য অনিশ্চয়তা রয়েছে। আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে তার বর্তমান চুক্তির মেয়াদ আগামী ডিসেম্বরেই শেষ হওয়ার কথা। আরও একটি বিশ্বকাপ চক্রে তাকে দায়িত্বে রাখতে আগ্রহী এএফএ। তবে চুক্তি নবায়ন নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
ম্যাচের পর নিজের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে স্কালোনি জানিয়েছেন, ‘সব ঠিকঠাক থাকলে আমি কোচিং চালিয়ে যাব। মেসি যে উত্তরাধিকার রেখে গেছে, তা অবিশ্বাস্য। এই বিষয়টিই আমার কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। মাঠের খেলায় তার মতো আর কেউ কখনো হবে না, তার প্রতি আমরা চিরকৃতজ্ঞ।’
স্কালোনির কাছে অবশ্য মেসির বিদায়ই ছিল রাতটির সবচেয়ে বড় বিষয়। জাতীয় দলের হয়ে মেসি যে প্রভাব রেখে গেছেন, সেটিকে অসাধারণ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।
তিনি জানান, মাঠের খেলায় মেসির সমকক্ষ কাউকে পাওয়া অত্যন্ত কঠিন এবং আর্জেন্টিনা তার অবদানের জন্য সব সময় কৃতজ্ঞ থাকবে।
তবে আবেগের পাশাপাশি বাস্তবতাও স্বীকার করেছেন স্কালোনি। মেসিকে ছাড়া জাতীয় দলের সামনে যে পথ সহজ হবে না, সেটি তিনি পরিষ্কার করেছেন।
কোচের ভাষায়, গত কয়েক বছরে আর্জেন্টিনা যে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছে, সেটি সাধারণ কোনো সময় ছিল না। সাফল্যের পাশাপাশি দলকে সামনে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখিও হতে হবে। তবে সেই চ্যালেঞ্জ সামলানোর জন্য তরুণ ও নতুন খেলোয়াড়দের নিয়ে দল প্রস্তুত করার কাজ শুরু হয়ে গেছে।
মেসিকে ছাড়া খেলার সবচেয়ে বড় পরিবর্তন কোথায় হবে, সেটিও পরোক্ষভাবে ব্যাখ্যা করেছেন স্কালোনি। তিনি বলেন, নতুন খেলোয়াড়েরা নিজেদের মতো করে দলকে এগিয়ে নিতে পারবেন, কিন্তু মেসি যে বিশেষ প্রভাব তৈরি করতেন, সেটি কারও পক্ষে হুবহু দেওয়া সম্ভব নয়।
একজন খেলোয়াড়ের উপস্থিতি শুধু গোল, অ্যাসিস্ট কিংবা মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে বিচার করা যায় না—মেসির ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও বড়। স্কালোনি বলেন, তার পাশে মেসিকে পাওয়ার অভিজ্ঞতা ছিল এমন কিছু, যা কেবল অনুভব করা যায়; অন্য কাউকে দিয়ে সেটির ব্যাখ্যা দেওয়া কঠিন।
তাই মেসির উত্তরসূরি খোঁজার চেয়ে নতুনভাবে দল গড়ার দিকেই নজর দিতে চান স্কালোনি। নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের নিয়ে আর্জেন্টিনাকে প্রতিযোগিতামূলক রাখার চ্যালেঞ্জ এখন তার সামনে।

আপনার মতামত লিখুন