গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় নিহত গ্রীল শ্রমিক জহুরুল ইসলামের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন এলাকাবাসী।
শনিবার (৪ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে গোবিন্দগঞ্জ পৌর শহরের পশ্চিম চারমাথা ও থানা চত্বরে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, জহুরুল হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তারা অবিলম্বে প্রকৃত খুনিদের গ্রেফতার করে ফাঁসির দাবি জানান।
এসময় বক্তব্য রাখেন গোবিন্দগঞ্জ নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক কমরেড এম. এ. মতিন মোল্লা, নিহত জহুরুলের স্ত্রী শিরিন, কন্যা জেরিন ও জানুফা এবং রাশেদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
বক্তারা অভিযোগ করেন, হত্যাকাণ্ডের পরও আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার না হওয়ায় নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত তদন্ত শেষ করে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান।
মানববন্ধন চলাকালে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ঢাকা–দিনাজপুর আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করলে প্রায় ৩০ মিনিট যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নিলে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় নিহত গ্রীল শ্রমিক জহুরুল ইসলামের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন এলাকাবাসী।
শনিবার (৪ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে গোবিন্দগঞ্জ পৌর শহরের পশ্চিম চারমাথা ও থানা চত্বরে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, জহুরুল হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তারা অবিলম্বে প্রকৃত খুনিদের গ্রেফতার করে ফাঁসির দাবি জানান।
এসময় বক্তব্য রাখেন গোবিন্দগঞ্জ নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক কমরেড এম. এ. মতিন মোল্লা, নিহত জহুরুলের স্ত্রী শিরিন, কন্যা জেরিন ও জানুফা এবং রাশেদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
বক্তারা অভিযোগ করেন, হত্যাকাণ্ডের পরও আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার না হওয়ায় নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত তদন্ত শেষ করে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান।
মানববন্ধন চলাকালে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ঢাকা–দিনাজপুর আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করলে প্রায় ৩০ মিনিট যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নিলে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

আপনার মতামত লিখুন