দৈনিক উত্তরের নিউজ
প্রকাশ : সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানীতে কিউআর কোডে জ্বালানি বিতরণ: ৭ পাম্পে ‘ফুয়েল পাস’

রাজধানীতে কিউআর কোডে জ্বালানি বিতরণ: ৭ পাম্পে ‘ফুয়েল পাস’

ঢাকা, ১২ এপ্রিল: রাজধানীতে জ্বালানি তেল বিতরণে স্বচ্ছতা ও ভোগান্তি কমাতে কিউআর কোডভিত্তিক মোবাইল অ্যাপ ‘ফুয়েল পাস’-এর ব্যবহার সম্প্রসারণ করা হয়েছে। রবিবার (১২ এপ্রিল) থেকে ঢাকার সাতটি ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল চালকদের জন্য এই অ্যাপ ব্যবহার করে জ্বালানি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানায়, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)-এর উদ্যোগে চালু হওয়া এই ডিজিটাল ব্যবস্থার লক্ষ্য জ্বালানি বিতরণ প্রক্রিয়াকে স্বয়ংক্রিয় ও স্বচ্ছ করা। শুরুতে দুটি স্টেশনে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হলেও শনিবার (১১ এপ্রিল) আরও পাঁচটি স্টেশন যুক্ত হওয়ায় মোট সাতটিতে এই সেবা কার্যকর হয়েছে।

বর্তমানে যেসব স্টেশনে এ সেবা চালু রয়েছে সেগুলো হলো—তেজগাঁওয়ের ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন, আসাদগেটের সোনার বাংলা ও তালুকদার ফিলিং স্টেশন, মহাখালীর গুলশান সার্ভিস স্টেশন, শাহবাগের মেঘনা মডেল পাম্প, নিকুঞ্জ মডেল সার্ভিস সেন্টার এবং কল্যাণপুরের খালেক সার্ভিস স্টেশন।

এসব স্টেশনে মোটরসাইকেল চালকরা এখন শুধুমাত্র ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ ব্যবহার করেই পেট্রল ও অকটেন সংগ্রহ করতে পারছেন। পর্যায়ক্রমে এই সুবিধা সারাদেশে সব ধরনের যানবাহনের জন্য চালু করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

জ্বালানি বিভাগ জানায়, প্রচলিত মনুষ্যনির্ভর প্রক্রিয়ার কারণে জ্বালানি বিতরণে বিলম্ব ও অনিয়ম দেখা দিচ্ছে। পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন স্টেশনে দীর্ঘ সারি তৈরি হচ্ছে। একই ব্যক্তি একাধিকবার তেল নেওয়ার কারণে কৃত্রিম সংকটও তৈরি হচ্ছে।

নতুন এই ডিজিটাল ব্যবস্থায় কিউআর কোড স্ক্যানের মাধ্যমে নির্ধারিত বরাদ্দ অনুযায়ী জ্বালানি নেওয়া যাবে। এতে একদিকে যেমন অনিয়ম কমবে, অন্যদিকে কেন্দ্রীয় ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে সারাদেশের জ্বালানি সরবরাহ ও বিতরণ কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।

এছাড়া স্মার্টফোন না থাকলেও গ্রাহকরা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিবন্ধন করে কিউআর কোড ডাউনলোড ও প্রিন্ট করে ব্যবহার করতে পারবেন। অ্যাপে নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজন হবে মোবাইল নম্বর যাচাইকরণ, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র, গাড়ির ব্লুবুক বা স্মার্ট কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং পাসপোর্ট সাইজের ছবি।

সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি, অপচয় রোধ এবং সংকটকালীন সময়ে কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক উত্তরের নিউজ

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


রাজধানীতে কিউআর কোডে জ্বালানি বিতরণ: ৭ পাম্পে ‘ফুয়েল পাস’

প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image




ঢাকা, ১২ এপ্রিল: রাজধানীতে জ্বালানি তেল বিতরণে স্বচ্ছতা ও ভোগান্তি কমাতে কিউআর কোডভিত্তিক মোবাইল অ্যাপ ‘ফুয়েল পাস’-এর ব্যবহার সম্প্রসারণ করা হয়েছে। রবিবার (১২ এপ্রিল) থেকে ঢাকার সাতটি ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল চালকদের জন্য এই অ্যাপ ব্যবহার করে জ্বালানি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানায়, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)-এর উদ্যোগে চালু হওয়া এই ডিজিটাল ব্যবস্থার লক্ষ্য জ্বালানি বিতরণ প্রক্রিয়াকে স্বয়ংক্রিয় ও স্বচ্ছ করা। শুরুতে দুটি স্টেশনে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হলেও শনিবার (১১ এপ্রিল) আরও পাঁচটি স্টেশন যুক্ত হওয়ায় মোট সাতটিতে এই সেবা কার্যকর হয়েছে।

বর্তমানে যেসব স্টেশনে এ সেবা চালু রয়েছে সেগুলো হলো—তেজগাঁওয়ের ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন, আসাদগেটের সোনার বাংলা ও তালুকদার ফিলিং স্টেশন, মহাখালীর গুলশান সার্ভিস স্টেশন, শাহবাগের মেঘনা মডেল পাম্প, নিকুঞ্জ মডেল সার্ভিস সেন্টার এবং কল্যাণপুরের খালেক সার্ভিস স্টেশন।

এসব স্টেশনে মোটরসাইকেল চালকরা এখন শুধুমাত্র ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ ব্যবহার করেই পেট্রল ও অকটেন সংগ্রহ করতে পারছেন। পর্যায়ক্রমে এই সুবিধা সারাদেশে সব ধরনের যানবাহনের জন্য চালু করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

জ্বালানি বিভাগ জানায়, প্রচলিত মনুষ্যনির্ভর প্রক্রিয়ার কারণে জ্বালানি বিতরণে বিলম্ব ও অনিয়ম দেখা দিচ্ছে। পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন স্টেশনে দীর্ঘ সারি তৈরি হচ্ছে। একই ব্যক্তি একাধিকবার তেল নেওয়ার কারণে কৃত্রিম সংকটও তৈরি হচ্ছে।

নতুন এই ডিজিটাল ব্যবস্থায় কিউআর কোড স্ক্যানের মাধ্যমে নির্ধারিত বরাদ্দ অনুযায়ী জ্বালানি নেওয়া যাবে। এতে একদিকে যেমন অনিয়ম কমবে, অন্যদিকে কেন্দ্রীয় ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে সারাদেশের জ্বালানি সরবরাহ ও বিতরণ কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।

এছাড়া স্মার্টফোন না থাকলেও গ্রাহকরা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিবন্ধন করে কিউআর কোড ডাউনলোড ও প্রিন্ট করে ব্যবহার করতে পারবেন। অ্যাপে নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজন হবে মোবাইল নম্বর যাচাইকরণ, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র, গাড়ির ব্লুবুক বা স্মার্ট কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং পাসপোর্ট সাইজের ছবি।

সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি, অপচয় রোধ এবং সংকটকালীন সময়ে কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে


দৈনিক উত্তরের নিউজ

প্রকাশকঃ এম কে পুলক আহম্মেদ
Email: dainikauttareraniuja@gmail.com
web www.dainikuttarernews.com

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উত্তরের নিউজ