দৈনিক উত্তরের নিউজ
আপডেট : শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

পোরশায় অনাবৃষ্টিতে আমের মুকুল নষ্ট, বিপাকে আমচাষিরা

পোরশায় অনাবৃষ্টিতে আমের মুকুল নষ্ট, বিপাকে আমচাষিরা

নওগাঁর পোরশা উপজেলা-তে দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় আম গাছে আসা মুকুল ঝরে পড়ছে। এতে করে উপজেলার আমচাষিরা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন এবং সম্ভাব্য ফলন নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।

উপজেলার বিভিন্ন আমবাগান ঘুরে দেখা যায়, কয়েকদিন আগেও গাছে গাছে মুকুলের সমারোহ থাকলেও টানা অনাবৃষ্টি ও তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেক গাছের মুকুল শুকিয়ে ঝরে পড়ছে। এতে করে মৌসুমের শুরুতেই লোকসানের আশঙ্কা করছেন চাষিরা।

স্থানীয় আমচাষিরা জানান, এ সময় সামান্য বৃষ্টি হলে মুকুল টিকে থাকে এবং ফলন ভালো হয়। কিন্তু চলতি মৌসুমে বৃষ্টি না হওয়ায় মুকুল শুকিয়ে যাচ্ছে। অনেক বাগান মালিক ইতোমধ্যে সেচ দেওয়ার চেষ্টা করছেন, তবে সব বাগানে সেচ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

১৪ই মার্চ রোজ শনিবার উপজেলার কয়েকজন আমচাষি বলেন, “মুকুল ভালো এসেছিল, কিন্তু বৃষ্টি না হওয়ায় অনেক মুকুল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। যদি দ্রুত বৃষ্টি না হয়, তাহলে এ বছর আমের ফলন অনেক কমে যেতে পারে।”

কৃষি সংশ্লিষ্টরা জানান, অনাবৃষ্টি ও অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে মুকুল ঝরে পড়ার ঝুঁকি থাকে। এ সময় বাগানে নিয়মিত সেচ ও পরিচর্যা করলে কিছুটা ক্ষতি কমানো সম্ভব।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চাষিদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে যেন তারা বাগানে পর্যাপ্ত সেচ দেন এবং গাছের সঠিক পরিচর্যা করেন, যাতে মুকুল টিকে থাকে এবং ফলন ভালো হয়।

এদিকে আমচাষিরা দ্রুত বৃষ্টিপাতের আশায় রয়েছেন, নইলে এ বছর আম উৎপাদনে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক উত্তরের নিউজ

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পোরশায় অনাবৃষ্টিতে আমের মুকুল নষ্ট, বিপাকে আমচাষিরা

প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬

featured Image


নওগাঁর পোরশা উপজেলা-তে দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় আম গাছে আসা মুকুল ঝরে পড়ছে। এতে করে উপজেলার আমচাষিরা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন এবং সম্ভাব্য ফলন নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।

উপজেলার বিভিন্ন আমবাগান ঘুরে দেখা যায়, কয়েকদিন আগেও গাছে গাছে মুকুলের সমারোহ থাকলেও টানা অনাবৃষ্টি ও তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেক গাছের মুকুল শুকিয়ে ঝরে পড়ছে। এতে করে মৌসুমের শুরুতেই লোকসানের আশঙ্কা করছেন চাষিরা।

স্থানীয় আমচাষিরা জানান, এ সময় সামান্য বৃষ্টি হলে মুকুল টিকে থাকে এবং ফলন ভালো হয়। কিন্তু চলতি মৌসুমে বৃষ্টি না হওয়ায় মুকুল শুকিয়ে যাচ্ছে। অনেক বাগান মালিক ইতোমধ্যে সেচ দেওয়ার চেষ্টা করছেন, তবে সব বাগানে সেচ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

১৪ই মার্চ রোজ শনিবার উপজেলার কয়েকজন আমচাষি বলেন, “মুকুল ভালো এসেছিল, কিন্তু বৃষ্টি না হওয়ায় অনেক মুকুল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। যদি দ্রুত বৃষ্টি না হয়, তাহলে এ বছর আমের ফলন অনেক কমে যেতে পারে।”

কৃষি সংশ্লিষ্টরা জানান, অনাবৃষ্টি ও অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে মুকুল ঝরে পড়ার ঝুঁকি থাকে। এ সময় বাগানে নিয়মিত সেচ ও পরিচর্যা করলে কিছুটা ক্ষতি কমানো সম্ভব।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চাষিদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে যেন তারা বাগানে পর্যাপ্ত সেচ দেন এবং গাছের সঠিক পরিচর্যা করেন, যাতে মুকুল টিকে থাকে এবং ফলন ভালো হয়।

এদিকে আমচাষিরা দ্রুত বৃষ্টিপাতের আশায় রয়েছেন, নইলে এ বছর আম উৎপাদনে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন তারা।


দৈনিক উত্তরের নিউজ

প্রকাশকঃ এম কে পুলক আহম্মেদ
Email: dainikauttareraniuja@gmail.com
web www.dainikuttarernews.com

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উত্তরের নিউজ