আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে অভ্যন্তরীণ কোন্দল মিটিয়ে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে ‘একতা’র নীতি গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এরই ধারাবাহিকতায় সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বহিষ্কৃত ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার তিন প্রভাবশালী নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে তাদের সগৌরবে দলে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোদাররেস আলী ইছা ও সদস্য সচিব এ কে এম কিবরিয়া স্বপন স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
দলে ফিরলেন যারা:
দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ফেরার অনুমতি পেয়েছেন:
১. কামরুল ইসলাম দাউদ (সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, আলফাডাঙ্গা পৌর বিএনপি)
২. মো. নজরুল ইসলাম/ছোট নজরুল (সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, আলফাডাঙ্গা পৌর বিএনপি)
৩. আবু সালেহ মুছা (সাবেক সভাপতি, আলফাডাঙ্গা উপজেলা ছাত্রদল)
ঐক্যের নেপথ্যে খন্দকার নাসিরুল ইসলাম
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুর-১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী খন্দকার নাসিরুল ইসলামের বিশেষ সুপারিশ ও মধ্যস্থতায় এই জট খুলেছে। মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের দাবি ছিল, নির্বাচনের আগে অভিজ্ঞ নেতাদের বাইরে রাখা আত্মঘাতী হতে পারে। সংশ্লিষ্ট নেতাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে এবং ভবিষ্যতে দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখার শর্তে ১ ফেব্রুয়ারি থেকেই এই আদেশ কার্যকর করা হয়েছে।
প্রতিক্রিয়া ও আগামীর প্রত্যয়
বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের পর এক যৌথ প্রতিক্রিয়ায় নেতারা বলেন, "সাময়িক ভুল বোঝাবুঝি বা মান-অভিমান থাকতে পারে, কিন্তু শহীদ জিয়ার আদর্শ থেকে আমরা বিচ্যুত হইনি। আমাদের ওপর আস্থা রাখায় তারেক রহমান ও স্থানীয় নেতৃত্বের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। এখন আমাদের একমাত্র লক্ষ্য ধানের শীষের বিজয়।"
এ বিষয়ে ফরিদপুর-১ আসনের প্রার্থী খন্দকার নাসিরুল ইসলাম বলেন:
"নির্বাচনী লড়াইয়ে জিততে হলে তৃণমূলকে সুসংগঠিত করার বিকল্প নেই। তারা মাঠের পরীক্ষিত শক্তি। সবাইকে এক সুতোয় গেঁথে আমরা আলফাডাঙ্গায় বিএনপিকে আরও শক্তিশালী করলাম। আশা করছি, এই ঐক্যের প্রতিফলন ভোটের দিন দেখা যাবে।"
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে এই বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার আলফাডাঙ্গা এলাকায় বিএনপির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে প্রাণসঞ্চার করবে এবং সাধারণ কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করবে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে অভ্যন্তরীণ কোন্দল মিটিয়ে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে ‘একতা’র নীতি গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এরই ধারাবাহিকতায় সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বহিষ্কৃত ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার তিন প্রভাবশালী নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে তাদের সগৌরবে দলে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোদাররেস আলী ইছা ও সদস্য সচিব এ কে এম কিবরিয়া স্বপন স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
দলে ফিরলেন যারা:
দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ফেরার অনুমতি পেয়েছেন:
১. কামরুল ইসলাম দাউদ (সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, আলফাডাঙ্গা পৌর বিএনপি)
২. মো. নজরুল ইসলাম/ছোট নজরুল (সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, আলফাডাঙ্গা পৌর বিএনপি)
৩. আবু সালেহ মুছা (সাবেক সভাপতি, আলফাডাঙ্গা উপজেলা ছাত্রদল)
ঐক্যের নেপথ্যে খন্দকার নাসিরুল ইসলাম
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুর-১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী খন্দকার নাসিরুল ইসলামের বিশেষ সুপারিশ ও মধ্যস্থতায় এই জট খুলেছে। মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের দাবি ছিল, নির্বাচনের আগে অভিজ্ঞ নেতাদের বাইরে রাখা আত্মঘাতী হতে পারে। সংশ্লিষ্ট নেতাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে এবং ভবিষ্যতে দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখার শর্তে ১ ফেব্রুয়ারি থেকেই এই আদেশ কার্যকর করা হয়েছে।
প্রতিক্রিয়া ও আগামীর প্রত্যয়
বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের পর এক যৌথ প্রতিক্রিয়ায় নেতারা বলেন, "সাময়িক ভুল বোঝাবুঝি বা মান-অভিমান থাকতে পারে, কিন্তু শহীদ জিয়ার আদর্শ থেকে আমরা বিচ্যুত হইনি। আমাদের ওপর আস্থা রাখায় তারেক রহমান ও স্থানীয় নেতৃত্বের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। এখন আমাদের একমাত্র লক্ষ্য ধানের শীষের বিজয়।"
এ বিষয়ে ফরিদপুর-১ আসনের প্রার্থী খন্দকার নাসিরুল ইসলাম বলেন:
"নির্বাচনী লড়াইয়ে জিততে হলে তৃণমূলকে সুসংগঠিত করার বিকল্প নেই। তারা মাঠের পরীক্ষিত শক্তি। সবাইকে এক সুতোয় গেঁথে আমরা আলফাডাঙ্গায় বিএনপিকে আরও শক্তিশালী করলাম। আশা করছি, এই ঐক্যের প্রতিফলন ভোটের দিন দেখা যাবে।"
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে এই বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার আলফাডাঙ্গা এলাকায় বিএনপির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে প্রাণসঞ্চার করবে এবং সাধারণ কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করবে।

আপনার মতামত লিখুন